
ঢাকা-১৫ আসনের মিরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে এসেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সময়ে একই ভোটকেন্দ্রে হাজির হন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভোটকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পথে সাক্ষাৎ হয় তাঁদের। এ সময় একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন শফিকুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম খান। পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন দুই নেতা।
কুশল বিনিময়কালে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন জামায়াত আমিরকে সঙ্গে নিয়ে বলেন, ‘আমরা দুজন ভাই ভাই। যেই জিতি এলাকার মানুষের জন্য একসঙ্গে কাজ করব।’
জামায়াত আমির ভোটগ্রহণ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে সৌহার্দ্য বজায় রেখেই আমরা দেশ গড়ব।’
দুই প্রার্থীই ভোটগ্রহণ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন শেষে চলে যান তাঁরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেন্দ্রের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও সৌহার্দ্যের এই দৃশ্য নির্বাচনী পরিবেশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন উপস্থিত কয়েকজন ভোটার।
কেন্দ্র পরিদর্শনে যাওয়ার আগে আজ সকাল সাড়ে আটটায় রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বালক শাখা কেন্দ্রে ভোট দেন জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, ধানের শীষের বিজয়ী প্রতিটি প্রার্থী যেন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই দিনটির জন্য দেশের জনগণ দীর্ঘ অপেক্ষা করছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবে বাংলাদেশের মানুষ।’
২ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য এসেছে গতকাল রাতে বিভিন্ন জায়গায় পর্যবেক্ষকেরা বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিজিট করতে গেলে স্থানীয় কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোকজন তাদের হয়রানি করেছে। আমাদের সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে আমাদের কিছু সমর্থকদের হয়রানি করা হচ্ছে।’
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দিতে পেরে আবেগাপ্লুত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘কক্সবাজারে ভোটকেন্দ্রগুলোতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।’ ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘শেষ পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।’
৩ ঘণ্টা আগে