
ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেছেন, এখন পর্যন্ত যেভাবে ভোট চলছে, ফলাফল গণনা এবং ফলাফল যদি নির্বিঘ্নে হয়, যেই ঘোষণা আসুক আমরা মেনে নেব।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর মিরপুর কলেজ কেন্দ্রে তিনি ভোট দিতে আসার পর সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
গতকাল রাতে যা হলো, সেসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে ফলাফল যেটাই হয়, সেটা মেনে নেবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘একটি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না এটা ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না, এটা নির্ভর করে প্রক্রিয়ার ওপর। প্রথম প্রক্রিয়া হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন যেসব প্রতিজ্ঞা করেছিল সিসিটিভি কভারেজ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান, সেগুলো নিশ্চিত হয়েছে কি না। দ্বিতীয়ত হচ্ছে, ভোট দেওয়ার সময় কোনো রকম হয়রানি বা কোনো রকম বাধাবিপত্তি আসছে কি না। তৃতীয়ত, ভোট গণনা এবং ভোট ঘোষণা কেন্দ্রভিত্তিক ঘোষণার সময় কোনোরকম হস্তক্ষেপ হয়েছে কি না। এগুলোর ওপর নির্ভর করবে যে ভোট আমাদের কি গ্রহণযোগ্য হয়েছে নাকি এটা ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি যদি এখন পর্যন্ত যেভাবে চলছে ফলাফল গণনা এবং ফলাফল যদি এভাবে নির্বিঘ্নে হয়, যেই ঘোষণা আসুক আমরা মেনে নেব, ইনশা আল্লাহ।’
মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কনসার্নের বিষয় হচ্ছে, উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে যেসব কেন্দ্র ইলেকশন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে ইলেকশন কমিশন থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল যে সব জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা কভারেজ থাকবে। কিন্তু গতকালকে আমরা বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পাই যে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। এবং এ রকমও তথ্য আমরা পেয়েছি যে ইলেকশন কমিশনের নির্দেশে সিটি করপোরেশনের লোকজন ক্যামেরা ফিট করতে এসে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের বাধার মুখে তারা ক্যামেরা না লাগিয়ে চলে গিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য এসেছে গতকাল রাতে বিভিন্ন জায়গায় পর্যবেক্ষকেরা বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিজিট করতে গেলে স্থানীয় কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোকজন তাদের হয়রানি করেছে। আমাদের সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে আমাদের কিছু সমর্থকদের হয়রানি করা হচ্ছে। হয়রানিমূলক অভিযোগ দিয়ে তাদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা খুবই উদ্বেগজনক। যদিও আমাকে বলতেই হবে সেগুলো সব কটি এখন পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনা।’
মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘আমি যদি পুরো আসনের দিকে তাকাই, তাহলে এখন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের জনগণ ভোট দিচ্ছে।’
ঢাকা-১৪ আসনে মোট প্রার্থী ১২ জন। ১৭৩টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৮ হাজার ১০৯ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ জন ও হিজড়া সম্প্রদায়ের ৪ জন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, ধানের শীষের বিজয়ী প্রতিটি প্রার্থী যেন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৫ আসনের মিরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে এসেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সময়ে একই ভোটকেন্দ্রে হাজির হন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান।
১ ঘণ্টা আগে
জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই দিনটির জন্য দেশের জনগণ দীর্ঘ অপেক্ষা করছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবে বাংলাদেশের মানুষ।’
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দিতে পেরে আবেগাপ্লুত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘কক্সবাজারে ভোটকেন্দ্রগুলোতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।’ ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘শেষ পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।’
৩ ঘণ্টা আগে