নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগ নিজেরাই তাদের পতন নিশ্চিত করছে মন্তব্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, ‘জনগণ যে নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাকে বলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। কিন্তু যে নির্বাচনে আগের রাতেই ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা হবে, সে নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে না। এমনকি কাউকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। ভোটারবিহীন নির্বাচন আর করতে দেওয়া হবে না।’
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চলমান রাজনৈতিক সংকট ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম।
নোমান বলেন, ‘আজকে দেশে যে সংকট তা নিরসন করতে হলে চলমান কর্তৃত্ববাদী সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আজকে তাই সরকার পতনের আন্দোলন করতে হবে। জনগণকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে। তা না হলে আমরা হাসিনাকে সরাতে পারব না। সেই লক্ষ্যে সব রাজনৈতিক দল ও শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।’
খালেদা জিয়ার কারাবাস প্রসঙ্গে নোমান বলেন, ‘সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে। আমাদের চোখ কান খোলা রাখতে হবে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আরও এগিয়ে যাব এটাই আমাদের সাংগঠনিক লক্ষ্য।’

আওয়ামী লীগ নিজেরাই তাদের পতন নিশ্চিত করছে মন্তব্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, ‘জনগণ যে নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাকে বলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। কিন্তু যে নির্বাচনে আগের রাতেই ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা হবে, সে নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে না। এমনকি কাউকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। ভোটারবিহীন নির্বাচন আর করতে দেওয়া হবে না।’
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চলমান রাজনৈতিক সংকট ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম।
নোমান বলেন, ‘আজকে দেশে যে সংকট তা নিরসন করতে হলে চলমান কর্তৃত্ববাদী সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আজকে তাই সরকার পতনের আন্দোলন করতে হবে। জনগণকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে। তা না হলে আমরা হাসিনাকে সরাতে পারব না। সেই লক্ষ্যে সব রাজনৈতিক দল ও শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।’
খালেদা জিয়ার কারাবাস প্রসঙ্গে নোমান বলেন, ‘সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে। আমাদের চোখ কান খোলা রাখতে হবে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আরও এগিয়ে যাব এটাই আমাদের সাংগঠনিক লক্ষ্য।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনের দিক থেকে বিএনপি ও জামায়াত কাছাকাছি রয়েছে। দল দুটির মধ্যে হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ জনসমর্থন রয়েছে। সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনে জামায়াত থেকে মাত্র ১ শতাংশ এগিয়ে বিএনপি
২১ মিনিট আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে