গাইবান্ধা প্রতিনিধি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (শায়েখে চরমোনাই) সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ বিগত ১৬ বছর যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায়-অত্যাচার করেছে, ঠিক একইভাবে বিএনপিও শুরু করছে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।’
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় গাইবান্ধা পৌর শহীদ মিনার চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে এক গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, আগে আওয়ামী লীগের লোকজন যে সুরে কথা বলতেন, সেই সুরেই বিএনপি নেতৃবৃন্দ কথা বলছেন। বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতায় ছিলেন, কেউই জনগণের কাজ করেন নাই। তাই হাতপাখায় ভোট দিয়ে বিজয় করতে পারলে দেশের বিজয় হবে, সাধারণ জনগণের বিজয় হবে। তিনি ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী প্রতীক হাতপাখায় ভোট দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, এ দেশে শুধু নেতার পরিবর্তন হয়েছে, নীতির পরিবর্তন হয়নি। আগে যে নামে চাঁদাবাজি হতো, শুধু নামের পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজির পরিবর্তন হয়নি। তিনি দেশে ইসলাম বাস্তবায়নের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
সংগঠনের জেলা সভাপতি প্রভাষক মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্য বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অ্যাড. এম হাছিবুল ইসলাম, মুহাম্মদ আনওয়ার উল ইসলাম আরিফ, মো. মাহবুবুর রহমান, মুফতি মাহমুদুল হাসান কাসেমী, মুফতি সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম, অ্যাড. মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, আহমাদ আলী, মোহা. আব্দুল মুত্তালিব মণ্ডল, আমিল ইসলাম বুলবুল, হাফেজ মাও. মো. খায়রুজ্জামান, মো. আকরাম হোসেন, মো. আওলাদ হোসাইন, মো. আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবুল কালাম আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম শরিফ, শাহাজ উদ্দিন রিয়াদ প্রমুখ।
গণসমাবেশ পরিচালনা করেন সংগঠনের জেলা সেক্রেটারি মুফতি আল আমিন বীন হোসাইন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (শায়েখে চরমোনাই) সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ বিগত ১৬ বছর যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায়-অত্যাচার করেছে, ঠিক একইভাবে বিএনপিও শুরু করছে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।’
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় গাইবান্ধা পৌর শহীদ মিনার চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে এক গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, আগে আওয়ামী লীগের লোকজন যে সুরে কথা বলতেন, সেই সুরেই বিএনপি নেতৃবৃন্দ কথা বলছেন। বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতায় ছিলেন, কেউই জনগণের কাজ করেন নাই। তাই হাতপাখায় ভোট দিয়ে বিজয় করতে পারলে দেশের বিজয় হবে, সাধারণ জনগণের বিজয় হবে। তিনি ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী প্রতীক হাতপাখায় ভোট দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, এ দেশে শুধু নেতার পরিবর্তন হয়েছে, নীতির পরিবর্তন হয়নি। আগে যে নামে চাঁদাবাজি হতো, শুধু নামের পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজির পরিবর্তন হয়নি। তিনি দেশে ইসলাম বাস্তবায়নের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
সংগঠনের জেলা সভাপতি প্রভাষক মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্য বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অ্যাড. এম হাছিবুল ইসলাম, মুহাম্মদ আনওয়ার উল ইসলাম আরিফ, মো. মাহবুবুর রহমান, মুফতি মাহমুদুল হাসান কাসেমী, মুফতি সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম, অ্যাড. মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, আহমাদ আলী, মোহা. আব্দুল মুত্তালিব মণ্ডল, আমিল ইসলাম বুলবুল, হাফেজ মাও. মো. খায়রুজ্জামান, মো. আকরাম হোসেন, মো. আওলাদ হোসাইন, মো. আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবুল কালাম আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম শরিফ, শাহাজ উদ্দিন রিয়াদ প্রমুখ।
গণসমাবেশ পরিচালনা করেন সংগঠনের জেলা সেক্রেটারি মুফতি আল আমিন বীন হোসাইন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১১ জানুয়ারি থেকে উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের কবর জিয়ারত এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তিনি এই চার দিনের সফরসূচি ঘোষণা করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এক-দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে সরকার এবং আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা আছে সেনাবাহিনীসহ—যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে একটা দলের আনুগত্য দেখাচ্ছে, এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি কি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কি না।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া। হলফনামা অনুযায়ী, আইন পেশা ও টেলিভিশনে টকশো করে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজধানীর পল্লবী থানা...
১৪ ঘণ্টা আগে