বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। একটি রাজনৈতিক দল বা জোট অন্য একটি রাজনৈতিক দলের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। বাংলাদেশের আইন ও সংবিধান কাউকে এ এখতিয়ার দেয়নি। কোনো দল বা জোট অন্য কোনো দলকে নিষিদ্ধ করার ধারা চালু হলে এক দল অন্য দলকে নিষিদ্ধ করতে থাকবে। তখন রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না।’
তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার দাবি বেআইনি, এখতিয়ারবহির্ভূত ও সংবিধান পরিপন্থী। জনগণ ১৪ দলের এই দাবি গ্রহণ করবে না।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজেদের অপকর্মের দায় এড়ানোর জন্য সরকার শুরু থেকেই মিথ্যাচার চালাচ্ছে। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে জামায়াত ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর দোষারোপ করে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের শিক্ষকসমাজ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকগণ সরকারের এ ভূমিকার প্রতিবাদ ও সমালোচনা করছেন। বিভিন্ন মহল থেকে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এ অবস্থায় সরকার দেশ ও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার জন্য এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে ১৪ দলের বৈঠকে জামায়াত নিষিদ্ধের এ হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের এ সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক, বেআইনি এবং সংবিধানবিরোধী। দেশের জনগণ ১৪ দলের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, ‘জুলাইয়ের বিপক্ষে নানা কলাকৌশলের মধ্য দিয়ে অবস্থান নিতে চায় অনেকে। অনেকে চিত্রনায়িকা সাজে, অনেকে মডেল সাজে, অনেকে সিনিয়র সাংবাদিক সাজে। নানা কিছু সেজে তারা জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭০ ভাগ মানুষের দেওয়া গণভোট বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। আজ বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আমাদের বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা
৬ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে যুবদল-সংশ্লিষ্ট যেকোনো খবর প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘নির্বাচনে আমরা সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছি। “হ্যাঁ”-এর পক্ষে ভোট দিয়েছি। বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ মানুষ এই হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর সরকার যারা গঠন করেছে, তারা মাত্র চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করেছে।
১ দিন আগে