নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশকে (টিআইবি) বিএনপির দালাল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘তাদের বক্তব্য একপেশে। একটা পক্ষের ওকালতি করে। সরকারের বিরুদ্ধে তারা যা খুশি বলে। এককথায় সরকারবিরোধী।’
আজ বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
টিআইবির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা একপেশে পক্ষপাতিত্ব করে সেটা বলছি, সব ব্যাপারে কি মামলা ঠুকে দিতে হবে?’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘টিআইবি বলেছিল পদ্মা সেতু অসম্ভব। সিপিডিও একই মন্তব্য করেছিল। কিছু বিষয় আছে যেটা জবাব দিই রাজনৈতিকভাবে, উত্তর দিই দেশের মানুষের পারসেপশন ভিন্ন খাতে যেন না যায়। রাজনৈতিকভাবে কথাবার্তা বলি। সবকিছু আইনগতভাবে হয় না।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা একটা রাজনৈতিক দল, আমাদের পার্টির নির্বাচন সামনে রেখে একটা কৌশল ছিল, রাজনীতিতে রণকৌশল থাকবেই, আমরা একটা রণকৌশল অবলম্বন করেছি। ভেতরে দ্বন্দ্ব, অন্তর কলহ—এগুলো আওয়ামী লীগে নতুন হচ্ছে, এমন না। সব রাজনৈতিক দলেই এসব ব্যাপার সুখকর নয়। এটার সমাধান আবার সেই দলই করে। একাধারে ১৫ বছর আমরা ক্ষমতায়। এসবের মধ্যেই সবকিছু মোকাবিলা করে, এটাও আমাদের চলার পথে চ্যালেঞ্জ। এটা আমরা দলীয়ভাবে অবশ্যই মোকাবিলা করব। আমাদের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী, এই প্রশ্নে কোনো বিরোধ নেই। তাঁর নেতৃত্বে আমাদের পার্টির যত সমস্যাই থাকুক, আমরা সবাই কিন্তু ঐক্যবদ্ধ। আমাদের সুবিধাটা কিন্তু এখানেই। যেখানে আমাদের একজন নেতা আছেন, যাঁর প্রশ্নে কোনো বিরোধ নেই।’
কাদের বলেন, ‘আমরা বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত নেব। আমরা এই ষড়যন্ত্র, ষড়যন্ত্র না বলে—এই সব ব্যাপারে আমরা বাস্তবমুখী কর্মসূচি নেব। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সকলকে কাজ করতে। প্রতিটি মন্ত্রণালয় আমরা আমাদের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে শুরু করেছি।’
বাংলাদেশে গণতন্ত্র অপরিহার্য কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ক্ষমতায় যাওয়া, ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়া, এর পদ্ধতির নাম পলিটিকস। পলিটিকস কীভাবে পরিচালিত হবে এর উত্তম ব্যবস্থা, বিশ্ব স্বীকৃত গণতন্ত্র। কাজেই এর কোনো বিকল্প নেই।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে কোন্দল বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দু-একজনের ভাষাটা আমাদের নেত্রীরও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি প্রকাশ্যে কথাও বলেছেন। আমিও বলতে চাই, তাদের সঙ্গে মতবিরোধ মিটিয়ে ঐক্য গড়ে তোলা হবে।’
বিএনপির আন্দোলন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির বর্তমান অবস্থা কবি জসীমউদ্দীন নের কবর কবিতার মতো। ‘তার পরে এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি, যেখানে যাহারে জড়িয়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।’
সংসদে কারা বিরোধী দল হচ্ছে—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যে বিরোধিতা করবে, সেই তো বিরোধী দল। পার্লামেন্ট থাকলে অপজিশন থাকবে। অপজিশন সম্পর্কে জানতে সংসদ বসা পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশকে (টিআইবি) বিএনপির দালাল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘তাদের বক্তব্য একপেশে। একটা পক্ষের ওকালতি করে। সরকারের বিরুদ্ধে তারা যা খুশি বলে। এককথায় সরকারবিরোধী।’
আজ বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
টিআইবির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা একপেশে পক্ষপাতিত্ব করে সেটা বলছি, সব ব্যাপারে কি মামলা ঠুকে দিতে হবে?’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘টিআইবি বলেছিল পদ্মা সেতু অসম্ভব। সিপিডিও একই মন্তব্য করেছিল। কিছু বিষয় আছে যেটা জবাব দিই রাজনৈতিকভাবে, উত্তর দিই দেশের মানুষের পারসেপশন ভিন্ন খাতে যেন না যায়। রাজনৈতিকভাবে কথাবার্তা বলি। সবকিছু আইনগতভাবে হয় না।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা একটা রাজনৈতিক দল, আমাদের পার্টির নির্বাচন সামনে রেখে একটা কৌশল ছিল, রাজনীতিতে রণকৌশল থাকবেই, আমরা একটা রণকৌশল অবলম্বন করেছি। ভেতরে দ্বন্দ্ব, অন্তর কলহ—এগুলো আওয়ামী লীগে নতুন হচ্ছে, এমন না। সব রাজনৈতিক দলেই এসব ব্যাপার সুখকর নয়। এটার সমাধান আবার সেই দলই করে। একাধারে ১৫ বছর আমরা ক্ষমতায়। এসবের মধ্যেই সবকিছু মোকাবিলা করে, এটাও আমাদের চলার পথে চ্যালেঞ্জ। এটা আমরা দলীয়ভাবে অবশ্যই মোকাবিলা করব। আমাদের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী, এই প্রশ্নে কোনো বিরোধ নেই। তাঁর নেতৃত্বে আমাদের পার্টির যত সমস্যাই থাকুক, আমরা সবাই কিন্তু ঐক্যবদ্ধ। আমাদের সুবিধাটা কিন্তু এখানেই। যেখানে আমাদের একজন নেতা আছেন, যাঁর প্রশ্নে কোনো বিরোধ নেই।’
কাদের বলেন, ‘আমরা বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত নেব। আমরা এই ষড়যন্ত্র, ষড়যন্ত্র না বলে—এই সব ব্যাপারে আমরা বাস্তবমুখী কর্মসূচি নেব। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সকলকে কাজ করতে। প্রতিটি মন্ত্রণালয় আমরা আমাদের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে শুরু করেছি।’
বাংলাদেশে গণতন্ত্র অপরিহার্য কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ক্ষমতায় যাওয়া, ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়া, এর পদ্ধতির নাম পলিটিকস। পলিটিকস কীভাবে পরিচালিত হবে এর উত্তম ব্যবস্থা, বিশ্ব স্বীকৃত গণতন্ত্র। কাজেই এর কোনো বিকল্প নেই।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে কোন্দল বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দু-একজনের ভাষাটা আমাদের নেত্রীরও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি প্রকাশ্যে কথাও বলেছেন। আমিও বলতে চাই, তাদের সঙ্গে মতবিরোধ মিটিয়ে ঐক্য গড়ে তোলা হবে।’
বিএনপির আন্দোলন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির বর্তমান অবস্থা কবি জসীমউদ্দীন নের কবর কবিতার মতো। ‘তার পরে এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি, যেখানে যাহারে জড়িয়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।’
সংসদে কারা বিরোধী দল হচ্ছে—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যে বিরোধিতা করবে, সেই তো বিরোধী দল। পার্লামেন্ট থাকলে অপজিশন থাকবে। অপজিশন সম্পর্কে জানতে সংসদ বসা পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
১১ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
১৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে