নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের কোনো স্থান হবে না। কেউ যদি এটা মিলাতে চান, তাহলে তাঁরা তাঁদের মতো করে মিলাতে পারেন। তাঁরা নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত হবেন।’
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী গণতন্ত্র পরিষদের উদ্যোগে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আহতদের চিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত নাগরিক সভায় এসব কথা বলেন শামসুজ্জামান দুদু।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে শুধু এক মাসের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল এমন নয়, তারা দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক অধিকার দিয়ে কেউ যদি মনে করে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব, আমি তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি। আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী একটি শক্তি। জার্মানির নাৎসিদের সঙ্গে তার তুলনা করা যায়। তারা শুধু জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল তা নয়, ১৫ বছর ধরে তারা অগণিত হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। বাংলাদেশের শুরুতে সাড়ে তিন বছরে মর্মান্তিক ইতিহাস আছে। সেখানেও আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সুস্থতার পরিচয় দেয়নি। সুতরাং, তাদের রাজনৈতিকভাবে গণতান্ত্রিক দল বলে ভাবার কোনো কারণ নেই।’
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘জনগণ যাদের প্রত্যাখ্যান করে, তাদের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। শেখ হাসিনা নিজেদের রক্ষা করতে পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সবার হাতে নির্বিচারে অস্ত্র তুলে দিলেও, তারা হাসিনাকে রক্ষা করতে পারেনি। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো আছে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যত তাড়াতাড়ি হবে—দেশের জন্য, অর্থনীতির জন্য, রাজনীতির জন্য তত ভালো। তবে আগে সংস্কার আনা প্রয়োজন, তারপর অন্য সব।’
দুদু বলেন, ‘পার্টির পক্ষ থেকে তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, গণতন্ত্রের লড়াই চলবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে কোনো দল ক্ষমতায় আসে ততক্ষণ। তবে আমাদের দল ও জনগণ মনে করে—আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যে যা–ই বলুক, আগামী দিন বিএনপির দিন, আগামী দিন ধানের শীষের দিন।’
সংগঠনের সভাপতি মোক্তার আকন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, নির্বাহী কমিটির সদস্য আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের কোনো স্থান হবে না। কেউ যদি এটা মিলাতে চান, তাহলে তাঁরা তাঁদের মতো করে মিলাতে পারেন। তাঁরা নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত হবেন।’
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী গণতন্ত্র পরিষদের উদ্যোগে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আহতদের চিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত নাগরিক সভায় এসব কথা বলেন শামসুজ্জামান দুদু।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে শুধু এক মাসের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল এমন নয়, তারা দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক অধিকার দিয়ে কেউ যদি মনে করে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব, আমি তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি। আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী একটি শক্তি। জার্মানির নাৎসিদের সঙ্গে তার তুলনা করা যায়। তারা শুধু জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল তা নয়, ১৫ বছর ধরে তারা অগণিত হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। বাংলাদেশের শুরুতে সাড়ে তিন বছরে মর্মান্তিক ইতিহাস আছে। সেখানেও আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সুস্থতার পরিচয় দেয়নি। সুতরাং, তাদের রাজনৈতিকভাবে গণতান্ত্রিক দল বলে ভাবার কোনো কারণ নেই।’
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘জনগণ যাদের প্রত্যাখ্যান করে, তাদের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। শেখ হাসিনা নিজেদের রক্ষা করতে পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সবার হাতে নির্বিচারে অস্ত্র তুলে দিলেও, তারা হাসিনাকে রক্ষা করতে পারেনি। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো আছে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যত তাড়াতাড়ি হবে—দেশের জন্য, অর্থনীতির জন্য, রাজনীতির জন্য তত ভালো। তবে আগে সংস্কার আনা প্রয়োজন, তারপর অন্য সব।’
দুদু বলেন, ‘পার্টির পক্ষ থেকে তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, গণতন্ত্রের লড়াই চলবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে কোনো দল ক্ষমতায় আসে ততক্ষণ। তবে আমাদের দল ও জনগণ মনে করে—আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যে যা–ই বলুক, আগামী দিন বিএনপির দিন, আগামী দিন ধানের শীষের দিন।’
সংগঠনের সভাপতি মোক্তার আকন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, নির্বাহী কমিটির সদস্য আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৩ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে