ইউএনবি, ঢাকা

পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের যৌথ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। সেই সঙ্গে এই অভিযানে নিরীহ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখা হয়, ‘অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে যৌথ অভিযানকে আমরা স্বাগত জানাই। যেভাবে সারা দেশে নৈরাজ্য করছে অপরাধীরা, জনগণের স্বার্থেই তাদের নিবৃত্ত করা অতি প্রয়োজনীয়।’
তবে এ অভিযান চলাকালে কোনো নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা যাবে না উল্লেখ করে এ বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়ার সুপারিশ করেছে আওয়ামী লীগ।
দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে শত শত থানা লুটের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সদস্য, তাদের ভিডিও ফুটেজ, বিভিন্ন সংবাদ ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। তাদের আইনের যথাযুক্ত প্রয়োগে অবশ্যই গ্রেপ্তার করতে হবে।’
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘কিন্তু ওই সব রাজনৈতিক দলের সদস্যরা যদি যৌথ বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করে, তাহলে এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে। কারণ তারা প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের, এমনকি নিজ দলের প্রতিপক্ষকেও টার্গেট করবে।’
আওয়ামী লীগ বলছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবশ্যই অস্ত্রধারীদের বিষয়ে কঠোর হবেন।’
সংশ্লিষ্টজনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দলটির পক্ষ থেকে আবারও উল্লেখ করা হয়, কোনো নিরপরাধ মানুষকে যেন গ্রেপ্তার করা না হয়।’
পোস্টের শেষে বলা হয়, ‘আমরা চাই মাদক ও অবৈধ অস্ত্রমুক্ত বাংলাদেশ।’

পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের যৌথ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। সেই সঙ্গে এই অভিযানে নিরীহ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখা হয়, ‘অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে যৌথ অভিযানকে আমরা স্বাগত জানাই। যেভাবে সারা দেশে নৈরাজ্য করছে অপরাধীরা, জনগণের স্বার্থেই তাদের নিবৃত্ত করা অতি প্রয়োজনীয়।’
তবে এ অভিযান চলাকালে কোনো নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা যাবে না উল্লেখ করে এ বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়ার সুপারিশ করেছে আওয়ামী লীগ।
দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে শত শত থানা লুটের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সদস্য, তাদের ভিডিও ফুটেজ, বিভিন্ন সংবাদ ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। তাদের আইনের যথাযুক্ত প্রয়োগে অবশ্যই গ্রেপ্তার করতে হবে।’
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘কিন্তু ওই সব রাজনৈতিক দলের সদস্যরা যদি যৌথ বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করে, তাহলে এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে। কারণ তারা প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের, এমনকি নিজ দলের প্রতিপক্ষকেও টার্গেট করবে।’
আওয়ামী লীগ বলছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবশ্যই অস্ত্রধারীদের বিষয়ে কঠোর হবেন।’
সংশ্লিষ্টজনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দলটির পক্ষ থেকে আবারও উল্লেখ করা হয়, কোনো নিরপরাধ মানুষকে যেন গ্রেপ্তার করা না হয়।’
পোস্টের শেষে বলা হয়, ‘আমরা চাই মাদক ও অবৈধ অস্ত্রমুক্ত বাংলাদেশ।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৬ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগে