নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তৈমূর আলম খন্দকারের তৃণমূল বিএনপিতে যোগদানের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁরই ছোট ভাই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তৈমূর আলম খন্দকারের এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ প্রকাশের এক দিনের মাথায় নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর যুবদলের সাবেক এই সভাপতি।
আজ সোমবার নাসিক কাউন্সিলর খোরশেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তৈমূর ভাই যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ওইটা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তাঁর এই সিদ্ধান্তের কারণে আমরা মর্মাহত। নেতা-কর্মীরা এখন আমাদের ভুল বুঝতে শুরু করেছে। কিন্তু তাদের বলতে চাই, তৈমূর ভাইয়ের সিদ্ধান্ত একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমার বা আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ করা হলেও তিনি অনুরোধ রাখেননি। ‘
এর আগে বিকেলে গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, ‘তৈমূর আলম খন্দকার আমাদের পরিবারের নীতিনির্ধারক। তবে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা একমত নই। তাঁর এই সিদ্ধান্তে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এখন মহাসমুদ্রের সমতুল্য। সেই মহাসমুদ্র থেকে আমার মতো নগণ্য ব্যক্তি না থাকলে দলের কিছু আসে যায় না। তবুও আমি আমৃত্যু বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি আস্থাশীল হয়ে বিএনপিতেই থাকতে চাই। পদ-পদবি ছাড়াই দলের প্রাথমিক সদস্য হিসেবে থাকব। এমনকি বহিষ্কার করা হলেও আমি ধানের শীষের একজন ভোটার ও আদর্শের সৈনিক হিসেবে দলের সঙ্গে থাকব।’
মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, ‘সুতরাং যারা আমাকে ভালোবাসেন তাদের বলতে চাই, তৈমূর আলম খন্দকারের সিদ্ধান্তে বিভ্রান্ত না হতে। বরং তাঁর সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা নিজেরাই একমত নই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তৈমূর আলম খন্দকারের তৃণমূল বিএনপিতে যোগদানের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁরই ছোট ভাই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তৈমূর আলম খন্দকারের এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ প্রকাশের এক দিনের মাথায় নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর যুবদলের সাবেক এই সভাপতি।
আজ সোমবার নাসিক কাউন্সিলর খোরশেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তৈমূর ভাই যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ওইটা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তাঁর এই সিদ্ধান্তের কারণে আমরা মর্মাহত। নেতা-কর্মীরা এখন আমাদের ভুল বুঝতে শুরু করেছে। কিন্তু তাদের বলতে চাই, তৈমূর ভাইয়ের সিদ্ধান্ত একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমার বা আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ করা হলেও তিনি অনুরোধ রাখেননি। ‘
এর আগে বিকেলে গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, ‘তৈমূর আলম খন্দকার আমাদের পরিবারের নীতিনির্ধারক। তবে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা একমত নই। তাঁর এই সিদ্ধান্তে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এখন মহাসমুদ্রের সমতুল্য। সেই মহাসমুদ্র থেকে আমার মতো নগণ্য ব্যক্তি না থাকলে দলের কিছু আসে যায় না। তবুও আমি আমৃত্যু বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি আস্থাশীল হয়ে বিএনপিতেই থাকতে চাই। পদ-পদবি ছাড়াই দলের প্রাথমিক সদস্য হিসেবে থাকব। এমনকি বহিষ্কার করা হলেও আমি ধানের শীষের একজন ভোটার ও আদর্শের সৈনিক হিসেবে দলের সঙ্গে থাকব।’
মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, ‘সুতরাং যারা আমাকে ভালোবাসেন তাদের বলতে চাই, তৈমূর আলম খন্দকারের সিদ্ধান্তে বিভ্রান্ত না হতে। বরং তাঁর সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা নিজেরাই একমত নই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
১ ঘণ্টা আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশা আল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
৩ ঘণ্টা আগে