Ajker Patrika

আনিসুল ইসলামের প্রস্তাবককে অপহরণের অভিযোগ, পরে উদ্ধার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। ফাইল ছবি
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। ফাইল ছবি

বিএনপির বিরুদ্ধে প্রস্তাবক ও সমর্থককে প্রকাশ্যে অপহরণের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। একই সঙ্গে ‍তিনি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

আজ শনিবার গুলশানে নিজ বাসভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘শনিবার সকালে আমার প্রস্তাবক, সমর্থকসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন বাছাই প্রক্রিয়া অংশগ্রহণ করতে গেলে, আমার নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-৫ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মীর হেলালের সমর্থকেরা বাধা দেয় ও নাজেহাল করে। তাৎক্ষণিক আমি কোতোয়ালি থানাকে অবহিত করলে, কোতোয়ালি থানা-পুলিশ আমার প্রস্তাবক ও সমর্থককারীকে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রবেশে সহযোগিতা করে। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়া মাত্রই, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও পুলিশ পরবর্তীতে তাদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।’

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না করলে ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি না হলে কোনোভাবেই দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

গত ১৯ ডিসেম্বর গ্রামের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, জুলাই আন্দোলনের পর, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ স্বাভাবিক হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু সে পরিবেশ এখনো দৃশ্যমান নয়। তা ছাড়া আমরা বারবার বলেছিলাম, আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, তা যদি প্রত্যাহার করা না হয়, তাহলে আমাদের প্রতিপক্ষ সে মামলাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের হয়রানি করবে। বর্তমানে সে মিথ্যা মামলা ব্যবহার করে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির (একাংশ) মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকল দলের সমান অধিকার থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবতা আজ ভিন্ন। আমার কাছে প্রতিমান হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, তিনি একটি লাইন ড্র করেছেন। তার পেছনের শক্তির সন্ধানে, আমি যা দেখি, তাঁর এই শক্তি, অপব্যবহার করা উচিত না। আল্লাহ মানুষকে সুযোগ দেন পরীক্ষার জন্য। আমার এই ক্ষুদ্র জীবনে, অনেক উত্থান-পতন দেখেছি। নির্বাচন কমিশনার একজন সিনিয়র মানুষ। তাঁরও যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। তিনি কেন বিপথগামী হচ্ছেন, এই প্রশ্ন আমার রইল।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির (একাংশ) সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান শাহিদুর রহমান টেপা, মোস্তফা আল মাহমুদ প্রমুখ।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত