
দেশের প্রশাসন বিএনপির দিকে হেলে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
আজ সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘আজাদী পদযাত্রা’র আগে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি পুরো বাংলাদেশকে ‘আজাদ অঞ্চল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ পাচ্ছি, প্রশাসন একটি দলের দিকে হেলে পড়েছে। অর্থাৎ সেই দলটি হলো বিএনপি।’
এ প্রসঙ্গে উদাহরণ টেনে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘তারেক রহমান বাংলাদেশে এসেছেন, আমরা তাঁকে স্বাগত জানিয়েছি। কিন্তু প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস বাদ দিয়ে রোডের পাশে গিয়ে তারেক জিয়াকে সালাম বিনিময় করেছিলেন। এই কর্মকাণ্ডগুলো আমরা শেখ হাসিনার আমলে দেখেছি। বর্তমান বাংলাদেশে এই কর্মকাণ্ডগুলো দেখতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আজাদীর জোটকে পছন্দ করেছি। আমাদের যে ১১ দলীয় জোট, ইনশা আল্লাহ এটা বাংলাদেশের আজাদ করার জন্য আজাদীর লড়াই চালিয়ে যাবে। আমাদের সামনে অপশন ছিল আমরা কি গোলামির প্রতীক নেব, নাকি আজাদীর প্রতীক নেব। আমরা আজাদীর জোটে থেকে আজাদীর প্রতীক নিয়েছি।’
১১ দলীয় জোট বাংলাদেশকে সব অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরাধীনতা থেকে আজাদ করার লড়াই অব্যাহত রাখবে বলে দাবি করেন নাসীরুদ্দীন।
এদিন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদির বিচার নিশ্চিত করা এবং হাদি যে আজাদীর লড়াই শুরু করেছিলেন তা সম্পন্ন করাই এখন আমাদের প্রধান কর্তব্য। ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের পর তার আকাঙ্ক্ষা ধারণ করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে আজাদী যাত্রা নতুন করে শুরু করা হয়েছে।’
নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আজকে থেকে ঢাকা-৮ আসন—রমনা, শাহবাগ, মতিঝিল, শাহজাহানপুর এবং পুরো বাংলাদেশকে আমরা আজাদ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করলাম। এই অঞ্চলে যদি কোনো ব্যক্তি বা কোনো দল আপনাদের কাছে চাঁদাবাজি করে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে, দখলদারি করে, তাহলে আপনারা আজাদীর স্লোগান তুলে তাদের গ্রেপ্তার করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন। আর প্রশাসন যদি এই চাঁদাবাজদের পক্ষে দাঁড়ায়, সন্ত্রাসীদের পক্ষে দাঁড়ায়, আধিপত্যবাদের পক্ষে দাঁড়ায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আপনারা যুদ্ধ ঘোষণা করবেন।’
আজাদী পদযাত্রা নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২১ জানুয়ারির আগে আজাদী যাত্রায় কোনো প্রতীক বা ভোট চাওয়ার কার্যক্রম থাকবে না। আচরণবিধি প্রত্যাহারের পর নিয়ম মেনে প্রচারণা চালানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহসহ জাতীয় ছাত্রশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

রিজভী বলেন, বিরোধী দল রাজপথে লংমার্চের কর্মসূচি নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে এবং দলকে সেগুলোর আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতে দেখা যাচ্ছে, যা স্পষ্টত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।
২৬ মিনিট আগে
মামুনুল হক বলেন, ‘ক্ষমতার মসনদে বসে ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটকে অবৈধ বলেন, এ দুঃসাহস আপনাকে কে দিয়েছে? জনগণের ভোটাধিকারকে অবৈধ বলে আখ্যায়িত করলে জনগণকেই অসম্মান করা হয়। ভালোয় ভালোয় সংস্কার করেন। গণভোট যদি অবৈধ হয়ে থাকে, আপনার সরকারও অবৈধ সরকার।’
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের আর্থিক অবস্থা নাজুক বলে দাবি করেছে বিরোধী দল। তাদের আশঙ্কা, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হলে সবার ওপর প্রভাব পড়বে। শনিবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন অভিমত দিয়েছেন কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সাইফুল আলম খান মিলন। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে...
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল প্রথমে বলেছিল জ্বালানিসংকটের কারণে লংমার্চ করবে, অথচ এই কর্মসূচিতেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পোড়ানো হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে তারা দাবি তুলল গণরায় বাস্তবায়নের। একদিকে তারা সংবিধান সংশোধনী কমিটির আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সেখানে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকছে, অন্যদিকে লংমার্চে...
১৮ ঘণ্টা আগে