নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সাহায্য চাওয়ায় আবারও সরকারের সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই ঘটনার জন্য সরকারকে এবার ‘পরনির্ভরশীল’ আখ্যা দিলেন তিনি।
আজ রোববার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহান মে দিবসের র্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন তিনি। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এই র্যালির আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকার আজকে সম্পূর্ণভাবে পরনির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দেশের প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞা কাটাতে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ধরনা দিয়েছে। তাতে কাজ না হওয়ায় এখন ভারতের সাহায্য চাচ্ছে। এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকার জনগণের সব অধিকার হরণ করেছে। এই সরকারের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।’
সরকার দেশের শ্রমিকসহ সব শ্রেণির মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল। তিনি বলেন, ‘শ্রমিকসহ সবাইকে অধিকার বঞ্চিত করে এই সরকার আজ জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। আজকে চাইলেই শ্রমিকেরা তাদের দাবি আদায়ে সমাবেশ করতে পারে না, ইউনিয়ন করতে পারে না, সংগঠন করতে পারে না। বড় বড় মানুষদের জন্য হাসপাতাল করা হলেও শ্রমিকদের জন্য কোন হাসপাতাল করা হয় না।’
‘এই অবস্থা চলতে দেওয়া যায় না’ এমন মন্তব্য করে সরকারকে লড়াই করে পরাজিত করতে শ্রমিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘দেশ বাঁচাতে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে আনতে সরকারকে সরাতে হবে। তাঁর ভাষায় ‘এখান থেকে স্লোগান দিলে হবে না। রাস্তায় স্লোগান দিতে হবে। জনগণকে সংগঠিত করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সাহায্য চাওয়ায় আবারও সরকারের সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই ঘটনার জন্য সরকারকে এবার ‘পরনির্ভরশীল’ আখ্যা দিলেন তিনি।
আজ রোববার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহান মে দিবসের র্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন তিনি। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এই র্যালির আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকার আজকে সম্পূর্ণভাবে পরনির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দেশের প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞা কাটাতে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ধরনা দিয়েছে। তাতে কাজ না হওয়ায় এখন ভারতের সাহায্য চাচ্ছে। এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকার জনগণের সব অধিকার হরণ করেছে। এই সরকারের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।’
সরকার দেশের শ্রমিকসহ সব শ্রেণির মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল। তিনি বলেন, ‘শ্রমিকসহ সবাইকে অধিকার বঞ্চিত করে এই সরকার আজ জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। আজকে চাইলেই শ্রমিকেরা তাদের দাবি আদায়ে সমাবেশ করতে পারে না, ইউনিয়ন করতে পারে না, সংগঠন করতে পারে না। বড় বড় মানুষদের জন্য হাসপাতাল করা হলেও শ্রমিকদের জন্য কোন হাসপাতাল করা হয় না।’
‘এই অবস্থা চলতে দেওয়া যায় না’ এমন মন্তব্য করে সরকারকে লড়াই করে পরাজিত করতে শ্রমিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘দেশ বাঁচাতে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে আনতে সরকারকে সরাতে হবে। তাঁর ভাষায় ‘এখান থেকে স্লোগান দিলে হবে না। রাস্তায় স্লোগান দিতে হবে। জনগণকে সংগঠিত করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছাবাণী পাঠানো হয়েছিল। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায়...
১৬ মিনিট আগে
তিনি আরও বলেন,‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে যে ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, মানুষের মধ্যে যে আবেগ কাজ করছে, সেই আবেগ নিঃসন্দেহে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে।’
৩৪ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের কূটনৈতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ‘গোপন বৈঠক’ মর্মে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাসায় ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন।
৪ ঘণ্টা আগে