নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। বর্তমান বাস্তবতায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ যুক্তিযুক্ত নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় জি এম কাদের বলেন, ‘নিরক্ষরতার জন্য নির্বাচনে যে দেশে নামের পাশে প্রতীক ব্যবহার করতে হয়, সবাই প্রার্থীর নাম পড়ে ভোট দিতে পারে না। এমন বাস্তবতায় ইভিএম এ ভোট নেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে না।’
জি এম কাদের বলেন, ‘ইভিএম এর নির্বাচনে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। কারণ ব্যালট পেপার থাকে না। ভোটিং মেশিন যে ফলাফল দেবে, তাই ঘোষণা হবে। বিষয়টি হচ্ছে, দেশের মানুষকে চাঁদে পাঠাতে চাচ্ছে সরকার কিন্তু সেখানে বসবাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি।’
‘দেশে গণতন্ত্র নেই এবং একদলীয় স্বৈরশাসন চালু হয়েছে’ অভিযোগ করে জি এম কাদের বলেন, ‘গণতন্ত্র ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এভাবে চলতে পারে না, বাঁচতে হলে লড়তে হবে।’
ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় পার্টির ঈদ পরবর্তী মতো বিনিময় সভায় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘কাউকে ক্ষমতায় বসাতে জাতীয় পার্টি কারও সঙ্গে জোট করবে না। জাতীয় পার্টি মানুষের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।’
সভাপতির বক্তৃতায় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সেন্টু বলেন, ‘জাতীয় পার্টিকে নিয়ে কেউ ষড়যন্ত্র করতে চাইলে সফল হবে না।’ সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনারা (সরকার) বিরোধী দল দেখেন না। সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে দেখুন দেশে বিরোধী দল আছে কি নেই।’
মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সঞ্চালনায় সভায় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ সেলিম, যুগ্ম মহাসচিব সামছুল হক, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জুসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। বর্তমান বাস্তবতায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ যুক্তিযুক্ত নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় জি এম কাদের বলেন, ‘নিরক্ষরতার জন্য নির্বাচনে যে দেশে নামের পাশে প্রতীক ব্যবহার করতে হয়, সবাই প্রার্থীর নাম পড়ে ভোট দিতে পারে না। এমন বাস্তবতায় ইভিএম এ ভোট নেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে না।’
জি এম কাদের বলেন, ‘ইভিএম এর নির্বাচনে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। কারণ ব্যালট পেপার থাকে না। ভোটিং মেশিন যে ফলাফল দেবে, তাই ঘোষণা হবে। বিষয়টি হচ্ছে, দেশের মানুষকে চাঁদে পাঠাতে চাচ্ছে সরকার কিন্তু সেখানে বসবাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি।’
‘দেশে গণতন্ত্র নেই এবং একদলীয় স্বৈরশাসন চালু হয়েছে’ অভিযোগ করে জি এম কাদের বলেন, ‘গণতন্ত্র ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এভাবে চলতে পারে না, বাঁচতে হলে লড়তে হবে।’
ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় পার্টির ঈদ পরবর্তী মতো বিনিময় সভায় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘কাউকে ক্ষমতায় বসাতে জাতীয় পার্টি কারও সঙ্গে জোট করবে না। জাতীয় পার্টি মানুষের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।’
সভাপতির বক্তৃতায় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সেন্টু বলেন, ‘জাতীয় পার্টিকে নিয়ে কেউ ষড়যন্ত্র করতে চাইলে সফল হবে না।’ সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনারা (সরকার) বিরোধী দল দেখেন না। সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে দেখুন দেশে বিরোধী দল আছে কি নেই।’
মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সঞ্চালনায় সভায় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ সেলিম, যুগ্ম মহাসচিব সামছুল হক, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জুসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

রাত সোয়া ৮টায় বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। গভীর রাতে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন এবং আগামীকাল সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
১২ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১৩ ঘণ্টা আগে