নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীতে বিএনপি ও অন্য বিরোধী দলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে পুলিশ ও সরকারি দলের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
আজ শনিবার এক বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, ‘সরকারের এ আচরণ নতুন করে সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে; যা দেশের ও দেশের মানুষের জন্য মোটেও সুখকর হবে না বরং নানা ধরনের শক্তির অপতৎপরতার সুযোগ তৈরি করবে।’
বিবৃতিতে নেতারা গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের মুক্তি দাবি করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে বিরোধী দল প্রয়োজনে সরকারের নীতিবিরোধী কর্মসূচি পালন করবে—এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সেই কর্মসূচিতে পুলিশ ও সরকারি দলের নামধারীদের হামলা-বাধা দেওয়া সরকারের ফ্যাসিবাদী রূপের বহিঃপ্রকাশ।
দলীয় সরকারের অধীনে নয়, নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন এখন জনগণের প্রাণের দাবি উল্লেখ করে বলা হয়, সেই দাবিকে আমলে না নিয়ে উপরন্তু সরকার হামলা-মামলা করে আন্দোলন দমনের ন্যক্কারজনক পথ বেছে নিয়েছে।
বিবৃতিতে নেতারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের ঘোষণাসহ ওই নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান। দলীয় সরকারের অধীনে প্রহসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের যেকোনো চেষ্টা জনগণ প্রতিহত করবে।
বিবৃতিতে নেতারা অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিবৃতিতে নেতারা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচিকে ঘিরে সরকারি দলের পাল্টা কর্মসূচি ও অবস্থান নেওয়ার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে, জনগণের জানমালের কোনো ক্ষতি হলে এ দায় সরকারকেই নিতে হবে।
বিবৃতিতে নেতারা নির্বাচনব্যবস্থার আমূল সংস্কার ও নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ভোট ও ভাতের সংগ্রাম অগ্রসর করতে কমিউনিস্ট পার্টি ও বাম জোট আহূত কর্মসূচি সফল করে গণ-আন্দোলন-গণসংগ্রাম গড়ে তুলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইকে সফল করার আহ্বান জানান।

রাজধানীতে বিএনপি ও অন্য বিরোধী দলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে পুলিশ ও সরকারি দলের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
আজ শনিবার এক বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, ‘সরকারের এ আচরণ নতুন করে সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে; যা দেশের ও দেশের মানুষের জন্য মোটেও সুখকর হবে না বরং নানা ধরনের শক্তির অপতৎপরতার সুযোগ তৈরি করবে।’
বিবৃতিতে নেতারা গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের মুক্তি দাবি করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে বিরোধী দল প্রয়োজনে সরকারের নীতিবিরোধী কর্মসূচি পালন করবে—এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সেই কর্মসূচিতে পুলিশ ও সরকারি দলের নামধারীদের হামলা-বাধা দেওয়া সরকারের ফ্যাসিবাদী রূপের বহিঃপ্রকাশ।
দলীয় সরকারের অধীনে নয়, নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন এখন জনগণের প্রাণের দাবি উল্লেখ করে বলা হয়, সেই দাবিকে আমলে না নিয়ে উপরন্তু সরকার হামলা-মামলা করে আন্দোলন দমনের ন্যক্কারজনক পথ বেছে নিয়েছে।
বিবৃতিতে নেতারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের ঘোষণাসহ ওই নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান। দলীয় সরকারের অধীনে প্রহসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের যেকোনো চেষ্টা জনগণ প্রতিহত করবে।
বিবৃতিতে নেতারা অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিবৃতিতে নেতারা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচিকে ঘিরে সরকারি দলের পাল্টা কর্মসূচি ও অবস্থান নেওয়ার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে, জনগণের জানমালের কোনো ক্ষতি হলে এ দায় সরকারকেই নিতে হবে।
বিবৃতিতে নেতারা নির্বাচনব্যবস্থার আমূল সংস্কার ও নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ভোট ও ভাতের সংগ্রাম অগ্রসর করতে কমিউনিস্ট পার্টি ও বাম জোট আহূত কর্মসূচি সফল করে গণ-আন্দোলন-গণসংগ্রাম গড়ে তুলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইকে সফল করার আহ্বান জানান।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ মিনিট আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৫ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৭ ঘণ্টা আগে