নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমানকে দেশছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আসলাম চৌধুরী।
সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে মাঠে গতকাল সোমবার সকালে ঈদুল ফিতরের জামাতে মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আসলাম এ হুমকি দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৬ মার্চ সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের হাতিলোটা এলাকায় খুন হন উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর করা মামলায় পুলিশ মো. বশির, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, আরমান শাকিল ও মো. রাসেল ওরফে মুরগি রাসেল নামের চার এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা ইউনিয়ন যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। তবে বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীর দাবি, চারজন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। পুলিশ প্রকৃত আসামিদের অন্তরালে রাখছে।
এই চার নেতাকে গ্রেপ্তারে সোমবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা আসলাম। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি থানা প্রশাসনকে বলব, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা পাবেন। আমাদের ছেলেরা কোনো অপরাধ করলে, আমাদের বলবেন। আমরা উপযুক্ত শাসনের মাধ্যমে তাদের শুধরে নিব। আমি ওসি সাহেবকে বলব, কিছুদিন আগে একটা মার্ডারের ঘটনা ঘটেছে—নাছির হত্যা। এই হত্যা মামলায় ওসি সাহেবের রুমে বসে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কিছু লোককে ইচ্ছাকৃতভাবে আসামি করা হয়েছে। আমাদের দলের যেই-ই হোক, আপনি সঠিক আসামি চিহ্নিত করবেন। আপনি (যদি) কোনো প্রকার বায়াসড (পক্ষপাতিত্ব) হয়ে মামলা করেন, আপনাকে আমি বলে দিচ্ছি এই ঈদগাহের মাধ্যমে-আপনি বাংলাদেশে থাকতে পারবেন না। যেখানেই থাকেন সেখান থেকেই আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব ইনশা আল্লাহ সামনের দিনগুলোতে।’
আসলাম আরও বলেন, ‘এই ছেলেগুলো (গ্রেপ্তার চারজন) বিগত অনেক সময় আমার সঙ্গে জেলে কাটিয়েছে। হ্যাঁ, তাদের অনেক ছোটখাটো অপকর্ম আছে। কয়েকজনের অনেক অপকর্ম আছে। আমি জানি তাদের এই অপকর্মগুলো, (কিন্তু) এ রকম সিরিয়াস কোনো অপকর্ম তাদের নেই। সুতরাং ওসি সাহেব, বিষয়টি আমার মাথায় নিয়েছি আমি। আমাদের অনেক মিডিয়াও ইচ্ছাকৃতভাবে কথাগুলো অন্যায়ভাবে প্রচারণা করে।’
বিএনপির এই নেতা এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘বর্তমান সময়টাতে অনেকে মনে করেন বিএনপি, অনেকে মনে করেন জামায়াত ক্ষমতায়। আসলে আমরা কেউ ক্ষমতায় নেই। একটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আছে। শুধু আমাদের থেকে সেই স্বৈরাচারের পাথরটা সরে গেছে, যা আমাদের বুকের ওপর চেপে ধরেছিল। যার কারণে আমরা কথা বলতে পারতাম না।’
এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে বিএনপি নেতা আসলামের মোবাইলে ফোন কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
যোগাযোগ করা হলে সীতাকুণ্ড থানার ওসি মজিবুর বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা মাঠে-ময়দানে অনেক বক্তব্য দেন। এ বিষয়ে পুলিশের করার কিছু নেই। আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করে যাব।’

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমানকে দেশছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আসলাম চৌধুরী।
সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে মাঠে গতকাল সোমবার সকালে ঈদুল ফিতরের জামাতে মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আসলাম এ হুমকি দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৬ মার্চ সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের হাতিলোটা এলাকায় খুন হন উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর করা মামলায় পুলিশ মো. বশির, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, আরমান শাকিল ও মো. রাসেল ওরফে মুরগি রাসেল নামের চার এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা ইউনিয়ন যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। তবে বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীর দাবি, চারজন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। পুলিশ প্রকৃত আসামিদের অন্তরালে রাখছে।
এই চার নেতাকে গ্রেপ্তারে সোমবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা আসলাম। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি থানা প্রশাসনকে বলব, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা পাবেন। আমাদের ছেলেরা কোনো অপরাধ করলে, আমাদের বলবেন। আমরা উপযুক্ত শাসনের মাধ্যমে তাদের শুধরে নিব। আমি ওসি সাহেবকে বলব, কিছুদিন আগে একটা মার্ডারের ঘটনা ঘটেছে—নাছির হত্যা। এই হত্যা মামলায় ওসি সাহেবের রুমে বসে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কিছু লোককে ইচ্ছাকৃতভাবে আসামি করা হয়েছে। আমাদের দলের যেই-ই হোক, আপনি সঠিক আসামি চিহ্নিত করবেন। আপনি (যদি) কোনো প্রকার বায়াসড (পক্ষপাতিত্ব) হয়ে মামলা করেন, আপনাকে আমি বলে দিচ্ছি এই ঈদগাহের মাধ্যমে-আপনি বাংলাদেশে থাকতে পারবেন না। যেখানেই থাকেন সেখান থেকেই আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব ইনশা আল্লাহ সামনের দিনগুলোতে।’
আসলাম আরও বলেন, ‘এই ছেলেগুলো (গ্রেপ্তার চারজন) বিগত অনেক সময় আমার সঙ্গে জেলে কাটিয়েছে। হ্যাঁ, তাদের অনেক ছোটখাটো অপকর্ম আছে। কয়েকজনের অনেক অপকর্ম আছে। আমি জানি তাদের এই অপকর্মগুলো, (কিন্তু) এ রকম সিরিয়াস কোনো অপকর্ম তাদের নেই। সুতরাং ওসি সাহেব, বিষয়টি আমার মাথায় নিয়েছি আমি। আমাদের অনেক মিডিয়াও ইচ্ছাকৃতভাবে কথাগুলো অন্যায়ভাবে প্রচারণা করে।’
বিএনপির এই নেতা এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘বর্তমান সময়টাতে অনেকে মনে করেন বিএনপি, অনেকে মনে করেন জামায়াত ক্ষমতায়। আসলে আমরা কেউ ক্ষমতায় নেই। একটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আছে। শুধু আমাদের থেকে সেই স্বৈরাচারের পাথরটা সরে গেছে, যা আমাদের বুকের ওপর চেপে ধরেছিল। যার কারণে আমরা কথা বলতে পারতাম না।’
এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে বিএনপি নেতা আসলামের মোবাইলে ফোন কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
যোগাযোগ করা হলে সীতাকুণ্ড থানার ওসি মজিবুর বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা মাঠে-ময়দানে অনেক বক্তব্য দেন। এ বিষয়ে পুলিশের করার কিছু নেই। আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করে যাব।’

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। আজ সকাল থেকেই রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে বৈঠক করছেন ইসলামী আন্দোলন ছাড়া অন্য দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
১০ মিনিট আগে
দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৫ ঘণ্টা আগে