
চব্বিশের জুলাইয়ে ঘোষিত এক দফা পুরোপুরি অর্জিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। আজ সোমবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি (ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ) মিলনায়তনে ‘শহীদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে জনতার ১ দফা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এনসিপির আয়োজনে এ সভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর আজ। শহীদ মিনার থেকে এক দফা ঘোষণা হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক দিনটি আমরা শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে কাটাতে চাই। কারণ আমরা মনে করি, এক দফার আসল কারিগর জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধারা।
এক দফা পুরোপুরি অর্জিত না হওয়ায় আক্ষেপ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, তিন তারিখ (চব্বিশের ৩ আগস্ট) জনগণ চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছিল। সে ঘোষণায় ছিল শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পতন। এক দফা আংশিক অর্জিত হয়েছে। পুরোটা হয়নি। দুঃখজনকভাবে আন্দোলনে যারা আমাদের সঙ্গে ছিল তারা এর বিরোধিতা করেছে। এক দফা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে আজকে আলিফের চোখ যেত না। পুলিশসহ সব প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ হতো না। গ্রামে গ্রামে চাঁদাবাজি দুর্নীতি হতো না। চুলায় গ্যাস নেই, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ নেই। দেশের কোনো পরিবর্তন হয়নি। পরিবর্তন একটাই হয়েছে, তারেক রহমান লন্ডন থেকে এসে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। গত দুই বছর দেশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেছে পাঁচ মাস হচ্ছে। কিন্তু গত দুই বছর বিএনপির ভূমিকা কী ছিল, সংস্কারের বিপক্ষে তারা ভূমিকা রেখেছে।
বিএনপির সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির লোকেরা স্বীকার করেছে, পাঁচ মাসেই কিছু পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই ঘুষ–দুর্নীতি চলছে। আবার বলছে, তারেক রহমান ভালো, বাকিরা খারাপ। শেখ হাসিনার সময় আমরা এ ধরনের প্রচারণা দেখেছি। শেখ হাসিনা ভালো, তাঁকে ভুল বোঝানো হচ্ছে, তিনি তাহাজ্জুদ পড়ে, আঠারো ঘণ্টা কাজ করে। এখনো একইরকম প্রচারণা দেখতে পাচ্ছি।’
শেখ হাসিনা দেশে আসলে সরাসরি ফাঁসি কার্যকর করা হবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা যদি ডিসেম্বরে দেশে আসে। তারেক রহমান যদি দিল্লির সঙ্গে সমঝোতা করে তাকে দেশে আসার ব্যবস্থা করে, তাহলে আমরা প্রস্তুত আছি। এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে। চৌদ্দশত শহীদ পরিবার, ৩০ হাজার আহত যোদ্ধা, নেমে আসবে, ফাঁসি কার্যকর করা পর্যন্ত আমরা রাজপথে অবস্থান করব।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আমরা আন্দোলন করিনি। আমরা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপের ঘোষণা করেছিলাম। আমরা এ দেশকে আবার কোনো স্বৈরতন্ত্র, দুর্নীতি, চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য হতে দেবো না।’
আলোচনা সভায় চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে বক্তব্য দেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ সময় তিনি জানান, হবিগঞ্জে হামলায় জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক আলিফ চৌধুরীর একটি চোখ হারানোর প্রতিবাদে তিনি চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধেছেন।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জাতীয় নারীশক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু, মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম, শহীদ জাবিরের মা রোকেয়া বেগম প্রমুখ।

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে জনজীবন ও শিল্প খাত চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে সংসদীয় দলের মুখপাত্র নাজিবুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে বাসাবাড়ি ও শিল্প-কারখানা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায
২০ মিনিট আগে
সরকার এখন সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ সোমবার রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
হবিগঞ্জে হামলায় জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক আলিফ চৌধুরীর এক চোখে গুরুতর আঘাতের প্রতিবাদে চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে মঞ্চে বক্তব্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না; সংস্কার ও বিচার—দুটিই হবে।
২ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকলেও ৩ গুণের বেশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পাঠানো হচ্ছে। একে ‘রাষ্ট্রীয় চাঁদাবাজি’ হিসেবে আখ্যা দেন তাঁরা...
২ ঘণ্টা আগে