
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম শপথ গ্রহণ করেছেন। আজ বুধবার দুপুরে স্পিকারের কার্যালয়ে তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ নেওয়ার পর বিকেলে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ এবং রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠানে নুসরাত তাবাসসুমকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮-এর তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি ৫ অনুযায়ী তিনি এই শপথ গ্রহণ করেন। শপথ শেষে প্রথা অনুযায়ী সংসদসচিবের কক্ষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নুসরাত। অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ৩ মে সংরক্ষিত নারী আসনের অন্য সদস্যরা শপথ নিলেও আসন-সংক্রান্ত জটিলতায় নুসরাত তাবাসসুমের শপথ গ্রহণে কিছুটা বিলম্ব হয়।
শপথ গ্রহণ শেষে বুধবার বিকেলে নুসরাত তাবাসসুম ও এনসিপির আরেক সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারে যান। সেখানে তাঁরা প্রথমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের গণকবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এরপর তাঁরা রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব হুমায়রা নূর, দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মনজিলা ঝুমা, কেন্দ্রীয় সদস্য আশরেফা খাতুন, নুসরাত তাবাসসুমের বাবা মো. আবদুল হালিমসহ অন্য নেতারা।

‘আমরা আশা করি, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সংবিধান ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, ইনসাফ প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন...
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে আলংকারিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। তবে সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে দলীয় বৃত্তের বাইরে থাকতে বাধ্য করে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দায়িত্ব ত্যাগ করেছেন। বিএনপির মহাসচিবের পদ থেকে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এর কারণ হলো, দেশের সর্বজনীন ঐক্যের ও সর
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। আজ বৃহস্পতিবার দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তীতে প্রত্যাশা ছিল যে অংশীদাররা ফ্যাসিবাদের আমলে মজলুম ছিল, তারা সবাই মিলেমিশে একটা ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। এখন দেখা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর সরকারে যাওয়ার খায়েশ হয়েছে। এই সরকারের ছয় মাস যেতে না যেতেই সরকারকে নিয়ে বিরক্তিকর বক্তব্য দেওয়া শুরু করেছে...
৩ ঘণ্টা আগে