নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা বলে মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
আজ সোমবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত পতাকা মিছিল শেষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
মোজাম্মেল হক বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা বা বীরাঙ্গনা স্বীকৃতি তাঁদের দিয়েছি যাঁরা পাকবাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়েছেন। কিন্তু খালেদা জিয়াকে জিয়াউর রহমান বারবার চলে যেতে বলেছিলেন। তিনি সীমান্ত পেরিয়ে স্বামীর সঙ্গে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন নাই। তিনি ক্যান্টনমেন্টে থেকে যেতে নিরাপদ বোধ করেছেন। স্বেচ্ছায় ক্যান্টনমেন্টে থাকলে বীরাঙ্গনা বা মুক্তিযোদ্ধা হওয়া যায় না। তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা বলে মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করা হয়েছে।’
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘আমেরিকা হচ্ছে তারা, যারা মুক্তিযুদ্ধকে বানচাল করার জন্য সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু নগদ পয়সায় গম এবং চাল কিনেছিলেন। সেই গম এবং চাল সময়মতো আমাদের বন্দরে এসে পৌঁছায়নি। ফলে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ হলো। ২৭ হাজার লোক মারা গেল। এটা কি মানবতাবিরোধী ছিল না? সেদিন আপনারা মানবতাবাদীরা কোথায় ছিলেন? একটা দল বোমা ফুটাইল, মানুষ হত্যা করল, সেটা কি মানবতাবিরোধী ছিল না? তখন আপনাদের এই সমস্ত নীতিবাক্য কোথায় ছিল?’
সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নানা স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সকল আয়োজন করে দিয়েছিলেন। নিরস্ত্র বাঙালির সশস্ত্র হয়ে যুদ্ধ করাটাই বাকি ছিল।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নাসরীন আহমাদ প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা বলে মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
আজ সোমবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত পতাকা মিছিল শেষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
মোজাম্মেল হক বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা বা বীরাঙ্গনা স্বীকৃতি তাঁদের দিয়েছি যাঁরা পাকবাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়েছেন। কিন্তু খালেদা জিয়াকে জিয়াউর রহমান বারবার চলে যেতে বলেছিলেন। তিনি সীমান্ত পেরিয়ে স্বামীর সঙ্গে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন নাই। তিনি ক্যান্টনমেন্টে থেকে যেতে নিরাপদ বোধ করেছেন। স্বেচ্ছায় ক্যান্টনমেন্টে থাকলে বীরাঙ্গনা বা মুক্তিযোদ্ধা হওয়া যায় না। তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা বলে মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করা হয়েছে।’
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘আমেরিকা হচ্ছে তারা, যারা মুক্তিযুদ্ধকে বানচাল করার জন্য সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু নগদ পয়সায় গম এবং চাল কিনেছিলেন। সেই গম এবং চাল সময়মতো আমাদের বন্দরে এসে পৌঁছায়নি। ফলে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ হলো। ২৭ হাজার লোক মারা গেল। এটা কি মানবতাবিরোধী ছিল না? সেদিন আপনারা মানবতাবাদীরা কোথায় ছিলেন? একটা দল বোমা ফুটাইল, মানুষ হত্যা করল, সেটা কি মানবতাবিরোধী ছিল না? তখন আপনাদের এই সমস্ত নীতিবাক্য কোথায় ছিল?’
সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নানা স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সকল আয়োজন করে দিয়েছিলেন। নিরস্ত্র বাঙালির সশস্ত্র হয়ে যুদ্ধ করাটাই বাকি ছিল।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নাসরীন আহমাদ প্রমুখ।

দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
২ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও
৩ ঘণ্টা আগে