নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার পদত্যাগ করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিলেই কেবল সরকার ও সরকারি দলের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ থাকবে বলে জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ।
আজ বুধবার বিকেলে গণতন্ত্র মঞ্চের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের মুলতবি সভা শেষে গৃহীত প্রস্তাবে এ কথা বলা হয়েছে।
গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অন্যথায় সরকার ও সরকারি দলের কোনো ফাঁদে গণতন্ত্র মঞ্চ পা দেবে না বলে জানান তিনি।
গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, সরকারের পদত্যাগ ও অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিলেই কেবল সরকার ও সরকারি দলের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। এর আগে সরকার ও সরকারি দলের কোনো ফাঁদেই বিরোধী দলসমূহের পা দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। দম্ভ ও কূট কৌশল পরিহার করে অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ ও জাতীয় সংসদ বাতিল করে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠা করতে সরকার ও সরকারি দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ।
দলের নেতারা সভায় বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের পদত্যাগের প্রশ্নে তালবাহানা করার কোনো অবকাশ নেই। সংবিধানের দোহাই দিয়ে সরকার ও সরকারি দলের অবৈধ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকারও কোনো সুযোগ নেই। ২০১৪ আর ২০১৮ সালে নজিরবিহীন ভোট জালিয়াতি আর একতরফা নির্বাচনী তামাশার পর এই সরকারের অধীনে আর একটি সাজানো নীলনকশায় জাতীয় নির্বাচনের প্রশ্নটাই অবান্তর।
সাইফুল হক আজকের পত্রিকাকে জানান, সভায় গণতন্ত্র মঞ্চের আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ৭ তারিখ পুনরায় সভার মাধ্যমে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি গৃহীত হতে পারে। এ ছাড়া বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে ১০ তারিখ আলোচনার মাধ্যমে যুগপৎ আন্দোলনকে নতুন মাত্রায় নেওয়ার আলোচনা হতে পারে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্যসচিব হাবিবুর রহমান রিজু প্রমুখ।

সরকার পদত্যাগ করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিলেই কেবল সরকার ও সরকারি দলের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ থাকবে বলে জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ।
আজ বুধবার বিকেলে গণতন্ত্র মঞ্চের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের মুলতবি সভা শেষে গৃহীত প্রস্তাবে এ কথা বলা হয়েছে।
গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অন্যথায় সরকার ও সরকারি দলের কোনো ফাঁদে গণতন্ত্র মঞ্চ পা দেবে না বলে জানান তিনি।
গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, সরকারের পদত্যাগ ও অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিলেই কেবল সরকার ও সরকারি দলের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। এর আগে সরকার ও সরকারি দলের কোনো ফাঁদেই বিরোধী দলসমূহের পা দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। দম্ভ ও কূট কৌশল পরিহার করে অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ ও জাতীয় সংসদ বাতিল করে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠা করতে সরকার ও সরকারি দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ।
দলের নেতারা সভায় বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের পদত্যাগের প্রশ্নে তালবাহানা করার কোনো অবকাশ নেই। সংবিধানের দোহাই দিয়ে সরকার ও সরকারি দলের অবৈধ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকারও কোনো সুযোগ নেই। ২০১৪ আর ২০১৮ সালে নজিরবিহীন ভোট জালিয়াতি আর একতরফা নির্বাচনী তামাশার পর এই সরকারের অধীনে আর একটি সাজানো নীলনকশায় জাতীয় নির্বাচনের প্রশ্নটাই অবান্তর।
সাইফুল হক আজকের পত্রিকাকে জানান, সভায় গণতন্ত্র মঞ্চের আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ৭ তারিখ পুনরায় সভার মাধ্যমে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি গৃহীত হতে পারে। এ ছাড়া বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে ১০ তারিখ আলোচনার মাধ্যমে যুগপৎ আন্দোলনকে নতুন মাত্রায় নেওয়ার আলোচনা হতে পারে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্যসচিব হাবিবুর রহমান রিজু প্রমুখ।

জাগপার সহসভাপতি বলেন, আমাদের অন্য ১০ দলের সমঝোতার আলোচনা মোটামুটি চূড়ান্ত। ইসলামী আন্দোলন আমাদের সঙ্গে আছে—এটাও বলব না। আবার চলে গেছে এটাও বলব না। সবকিছু চূড়ান্ত হবে রাত ৮টার মধ্যেই।
১৩ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। আজ সকাল থেকেই রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে বৈঠক করছেন ইসলামী আন্দোলন ছাড়া অন্য দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
২২ মিনিট আগে
দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১৫ ঘণ্টা আগে