শ্যামপুর-কদমতলী প্রতিনিধি

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের শ্যামপুর ও কদমতলী থানার ৭ ওয়ার্ডের বাংলাদেশ যুবলীগের সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘যদি জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগ পিছলে যায়, তাহলে এর জন্য দায়ী হবে দলের নিজস্ব গ্রুপিং।’
নিজেদের বিভেদ ভুলে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান যুবলীগ চেয়ারম্যান। ঐক্যবদ্ধ না থাকলে এর মাশুল দিতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ বিফলে যাবে। তাই আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের দরকার হবে। কোনো ভিসা নীতি ও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে মুজিবসেনাদের দাবিয়ে রাখা যাবে না। আমেরিকা এমন এক সময়ে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে, যখন বাংলাদেশ সকল বাধা পেরিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ আমেরিকার স্যাংশনে ভয় পায় না। ৪১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত রাষ্ট্র।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি ও কদমতলী-শ্যামপুর থানা যুবলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সৈয়দ আহম্মদের সভাপতিত্বে ও অর্থ সম্পাদক ফিরোজ উদ্দিন সাইমনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইনুদ্দিন রানা।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের শ্যামপুর ও কদমতলী থানার ৭ ওয়ার্ডের বাংলাদেশ যুবলীগের সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘যদি জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগ পিছলে যায়, তাহলে এর জন্য দায়ী হবে দলের নিজস্ব গ্রুপিং।’
নিজেদের বিভেদ ভুলে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান যুবলীগ চেয়ারম্যান। ঐক্যবদ্ধ না থাকলে এর মাশুল দিতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ বিফলে যাবে। তাই আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের দরকার হবে। কোনো ভিসা নীতি ও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে মুজিবসেনাদের দাবিয়ে রাখা যাবে না। আমেরিকা এমন এক সময়ে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে, যখন বাংলাদেশ সকল বাধা পেরিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ আমেরিকার স্যাংশনে ভয় পায় না। ৪১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত রাষ্ট্র।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি ও কদমতলী-শ্যামপুর থানা যুবলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সৈয়দ আহম্মদের সভাপতিত্বে ও অর্থ সম্পাদক ফিরোজ উদ্দিন সাইমনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইনুদ্দিন রানা।

দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও
৩ ঘণ্টা আগে