নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্র চলছে মন্তব্য করে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর কিংবা বিতর্কিত করার চেষ্টা যারা করছে, তারা মূলত আরেকটি এক এগারো ফিরিয়ে আনতে চায়। এক এগারো আসলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। কোনোভাবেই আরেকটি এক এগারো বাংলাদেশে আনা যাবে না।’
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে অবস্থান ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ বলেন, ‘এই গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর কি কোনো ভূমিকা নেই? সেনাবাহিনী যদি ভূমিকা না রাখত, তাহলে কোনো গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশে হতো না। যখন সেনাবাহিনী বন্দুকের নল আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট পুলিশের দিকে তাক করেছে, তখনই হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।’
গণঅধিকার পরিষদের এ নেতা বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা কয়েকটি দাবি জানিয়েছি। সেগুলো হলো—গণহত্যার বিচার করতে হবে, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার করা এবং নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা।’
রাশেদ খান বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করলে জনগণ মানবে না। সংস্কারের এক নম্বর উপাদান হলো নির্বাচন। সেই নির্বাচনের কথা আসলেই, উপদেষ্টাদের মুখ কালো হয়ে যায়। তারা ক্ষমতার লোভে পড়েছে। তারা মনে করছে, ধানাই-পানাই করে ক্ষমতায় থাকবে। এই ধানাই-পানাই করে ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনও ক্ষমতায় থাকার চেষ্টার করেছিল, কিন্তু পারেনি। দেশের জনগণ তাদের উচিত শিক্ষা দিয়েছে। এই উপদেষ্টা পরিষদের যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চান, তারা ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিনকে দেখে শিক্ষা নেন। শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিক্ষা নেন।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনেক উপদেষ্টাদের কর্মকাণ্ডে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘তাঁরা আসলেই দাপ্তরিক কাজ করছে কি না, আমরা জানি না। অনেকের নামও আমাদের জানা নেই। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এখানো পর্যন্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করতে পারেনি। চোরগুলো (আওয়ামী লীগের নেতারা) যখন ভারত, ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডায় পালিয়ে গেছে, তখন তারা অপারেশন ডেভিল হান্ট ঘোষণা করেছে। একটা ডেভিলও ধরা পড়েনি। ডেভিল সাবের, মান্নানকে আমাদের দুজন উপদেষ্টা জামিন করিয়েছেন। তারা হলেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান শুভ্র এবং রেজওয়ানা চৌধুরী। এখনো শোনা যাচ্ছে, এই সাবের নাকি ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগের সভাপতি হবে।’
গণঅধিকারের এ নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে যারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল, বিশেষ করে সমন্বয়ক নামধারী যাদের নাম পত্র-পত্রিকায় উঠে এসেছে, তাদের মাধ্যমে ওয়াসা কেলেঙ্কারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি কেলেঙ্কারি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি উঠে আসছে। আমরা তাদের এগুলো দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা মনে করেছিলাম-তাঁরা আবাবিল পাখি। ওরা নেতৃত্ব দিয়েছে, ওদেরকে দেবতার মতো শ্রদ্ধা জানাতে হবে। কিন্তু, সেই জায়গাটি তারা ধরে রাখতে পারেনি।’
রাশেদ খান বলেন, ‘প্রয়োজনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে যমুনা (প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) ঘেরাও করা হবে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য করা হবে।’

সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্র চলছে মন্তব্য করে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর কিংবা বিতর্কিত করার চেষ্টা যারা করছে, তারা মূলত আরেকটি এক এগারো ফিরিয়ে আনতে চায়। এক এগারো আসলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। কোনোভাবেই আরেকটি এক এগারো বাংলাদেশে আনা যাবে না।’
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে অবস্থান ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ বলেন, ‘এই গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর কি কোনো ভূমিকা নেই? সেনাবাহিনী যদি ভূমিকা না রাখত, তাহলে কোনো গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশে হতো না। যখন সেনাবাহিনী বন্দুকের নল আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট পুলিশের দিকে তাক করেছে, তখনই হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।’
গণঅধিকার পরিষদের এ নেতা বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা কয়েকটি দাবি জানিয়েছি। সেগুলো হলো—গণহত্যার বিচার করতে হবে, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার করা এবং নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা।’
রাশেদ খান বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করলে জনগণ মানবে না। সংস্কারের এক নম্বর উপাদান হলো নির্বাচন। সেই নির্বাচনের কথা আসলেই, উপদেষ্টাদের মুখ কালো হয়ে যায়। তারা ক্ষমতার লোভে পড়েছে। তারা মনে করছে, ধানাই-পানাই করে ক্ষমতায় থাকবে। এই ধানাই-পানাই করে ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনও ক্ষমতায় থাকার চেষ্টার করেছিল, কিন্তু পারেনি। দেশের জনগণ তাদের উচিত শিক্ষা দিয়েছে। এই উপদেষ্টা পরিষদের যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চান, তারা ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিনকে দেখে শিক্ষা নেন। শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিক্ষা নেন।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনেক উপদেষ্টাদের কর্মকাণ্ডে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘তাঁরা আসলেই দাপ্তরিক কাজ করছে কি না, আমরা জানি না। অনেকের নামও আমাদের জানা নেই। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এখানো পর্যন্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করতে পারেনি। চোরগুলো (আওয়ামী লীগের নেতারা) যখন ভারত, ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডায় পালিয়ে গেছে, তখন তারা অপারেশন ডেভিল হান্ট ঘোষণা করেছে। একটা ডেভিলও ধরা পড়েনি। ডেভিল সাবের, মান্নানকে আমাদের দুজন উপদেষ্টা জামিন করিয়েছেন। তারা হলেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান শুভ্র এবং রেজওয়ানা চৌধুরী। এখনো শোনা যাচ্ছে, এই সাবের নাকি ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগের সভাপতি হবে।’
গণঅধিকারের এ নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে যারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল, বিশেষ করে সমন্বয়ক নামধারী যাদের নাম পত্র-পত্রিকায় উঠে এসেছে, তাদের মাধ্যমে ওয়াসা কেলেঙ্কারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি কেলেঙ্কারি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি উঠে আসছে। আমরা তাদের এগুলো দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা মনে করেছিলাম-তাঁরা আবাবিল পাখি। ওরা নেতৃত্ব দিয়েছে, ওদেরকে দেবতার মতো শ্রদ্ধা জানাতে হবে। কিন্তু, সেই জায়গাটি তারা ধরে রাখতে পারেনি।’
রাশেদ খান বলেন, ‘প্রয়োজনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে যমুনা (প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) ঘেরাও করা হবে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য করা হবে।’

২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছাবাণী পাঠানো হয়েছিল। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায়...
১ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন,‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে যে ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, মানুষের মধ্যে যে আবেগ কাজ করছে, সেই আবেগ নিঃসন্দেহে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের কূটনৈতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ‘গোপন বৈঠক’ মর্মে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাসায় ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন।
৫ ঘণ্টা আগে