নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আলোচিত এক-এগারোর পর দেশে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার হয়েছিলেন জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো। তাঁর ওপর যে অত্যাচার, নির্যাতন নেমে এসেছিল, সে কারণেই তিনি বিদেশে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মঈন খান বলেন, ‘এক-এগারোর যে ষড়যন্ত্র, যে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশে বিরাজনীতিকরণের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তারই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে বিএনপির ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন নেমে এসেছিল, সে কারণেই কোকোকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আরাফাত রহমান কোকোর ওপরে যে অত্যাচার, নির্যাতন, অন্যায় হয়েছে, সে কারণে দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে গিয়ে বলতে গেলে একপ্রকার বিনা চিকিৎসায় তাঁর জীবনের অবসান হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতি থেকে অনেক দূরে ছিলেন। তিনি সব সময় খেলাধুলা, ক্রীড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। ক্রীড়ায় তাঁর অবদানের অনেক সুফল আজ বাংলাদেশ পেয়েছে।’
প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান কামনা করে ড. মঈন খান বলেন, ‘আমরা চাই বাংলাদেশ থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর হয়ে যাক, প্রতিহিংসার রাজনীতি দূর হয়ে যাক। এই দেশ যে জন্য সৃষ্টি হয়েছিল—গণতন্ত্র—সেই গণতন্ত্র বাংলাদেশে পুনরায় ফিরে আসুক। এই বাংলাদেশে আমরা যেন এমনভাবে বসবাস করতে পারি, যেখানে স্বাধীনতার মূল আদর্শ—একদিকে গণতন্ত্র, আরেকদিকে দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি—প্রতিষ্ঠিত হয়। আল্লাহর দরবারে আমরা সেই দোয়া করি।’
মঈন খান বলেন, ‘আমরা এ দেশের মানুষের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মানবাধিকার যেন ফিরিয়ে আনতে পারি, সেই লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।’

আলোচিত এক-এগারোর পর দেশে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার হয়েছিলেন জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো। তাঁর ওপর যে অত্যাচার, নির্যাতন নেমে এসেছিল, সে কারণেই তিনি বিদেশে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মঈন খান বলেন, ‘এক-এগারোর যে ষড়যন্ত্র, যে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশে বিরাজনীতিকরণের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তারই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে বিএনপির ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন নেমে এসেছিল, সে কারণেই কোকোকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আরাফাত রহমান কোকোর ওপরে যে অত্যাচার, নির্যাতন, অন্যায় হয়েছে, সে কারণে দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে গিয়ে বলতে গেলে একপ্রকার বিনা চিকিৎসায় তাঁর জীবনের অবসান হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতি থেকে অনেক দূরে ছিলেন। তিনি সব সময় খেলাধুলা, ক্রীড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। ক্রীড়ায় তাঁর অবদানের অনেক সুফল আজ বাংলাদেশ পেয়েছে।’
প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান কামনা করে ড. মঈন খান বলেন, ‘আমরা চাই বাংলাদেশ থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর হয়ে যাক, প্রতিহিংসার রাজনীতি দূর হয়ে যাক। এই দেশ যে জন্য সৃষ্টি হয়েছিল—গণতন্ত্র—সেই গণতন্ত্র বাংলাদেশে পুনরায় ফিরে আসুক। এই বাংলাদেশে আমরা যেন এমনভাবে বসবাস করতে পারি, যেখানে স্বাধীনতার মূল আদর্শ—একদিকে গণতন্ত্র, আরেকদিকে দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি—প্রতিষ্ঠিত হয়। আল্লাহর দরবারে আমরা সেই দোয়া করি।’
মঈন খান বলেন, ‘আমরা এ দেশের মানুষের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মানবাধিকার যেন ফিরিয়ে আনতে পারি, সেই লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।’

২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছাবাণী পাঠানো হয়েছিল। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায়...
২৮ মিনিট আগে
তিনি আরও বলেন,‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে যে ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, মানুষের মধ্যে যে আবেগ কাজ করছে, সেই আবেগ নিঃসন্দেহে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের কূটনৈতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ‘গোপন বৈঠক’ মর্মে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাসায় ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন।
৪ ঘণ্টা আগে