নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ও দলীয় সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন রেজা কিবরিয়া। আজ বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।
রেজা কিবরিয়ার ব্যক্তিগত সহকারী ও দলের দপ্তর সহ-সমন্বয়ক শাহাবুদ্দিন শুভ আজকের পত্রিকাকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে রেজা কিবরিয়া বলেন, আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করছি এবং আমার পদত্যাগ পত্র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ বরাবর জমা দিয়েছি। এ ছাড়া আমি গণঅধিকার পরিষদের দলীয় সদস্যপদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছি। দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব কর্নেল (অব) মিয়া মসিউজ্জামনকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করছি।
রেজা কিবরিয়া বলেন, দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
তিনি ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে রেজা কিবরিয়া বলেন, বাংলাদেশে যারা গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে তিনি তাদের সঙ্গে কাজ করে যাবেন।
পদত্যাগের বিষয়ে শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, কেন পদত্যাগ করেছেন তা চিঠিতে যা লেখা হয়েছে তাই।
রেজা কিবরিয়াপন্থী অন্য নেতারাও দল থেকে পদত্যাগ করবেন কি না জানতে চাইলে শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, ‘সেই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা দিক নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।’
এদিকে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমীন আহমেদ আফসারিও গতকাল মঙ্গলবার ফেসবুকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বর বছরের শেষ দিন তিনি পদত্যাগ করেছেন। বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে নির্দলীয়ভাবে মুক্ত মনে দেশ সেবায় লিপ্ত হতে চান।

গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ও দলীয় সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন রেজা কিবরিয়া। আজ বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।
রেজা কিবরিয়ার ব্যক্তিগত সহকারী ও দলের দপ্তর সহ-সমন্বয়ক শাহাবুদ্দিন শুভ আজকের পত্রিকাকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে রেজা কিবরিয়া বলেন, আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করছি এবং আমার পদত্যাগ পত্র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ বরাবর জমা দিয়েছি। এ ছাড়া আমি গণঅধিকার পরিষদের দলীয় সদস্যপদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছি। দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব কর্নেল (অব) মিয়া মসিউজ্জামনকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করছি।
রেজা কিবরিয়া বলেন, দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
তিনি ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে রেজা কিবরিয়া বলেন, বাংলাদেশে যারা গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে তিনি তাদের সঙ্গে কাজ করে যাবেন।
পদত্যাগের বিষয়ে শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, কেন পদত্যাগ করেছেন তা চিঠিতে যা লেখা হয়েছে তাই।
রেজা কিবরিয়াপন্থী অন্য নেতারাও দল থেকে পদত্যাগ করবেন কি না জানতে চাইলে শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, ‘সেই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা দিক নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।’
এদিকে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমীন আহমেদ আফসারিও গতকাল মঙ্গলবার ফেসবুকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বর বছরের শেষ দিন তিনি পদত্যাগ করেছেন। বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে নির্দলীয়ভাবে মুক্ত মনে দেশ সেবায় লিপ্ত হতে চান।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন যে ৩০ জন নেতা এই সমঝোতা না করতে দলের আহ্বায়ককে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল মুশফিকের। মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এনসিপি ছাড়লেন।
৪ ঘণ্টা আগে
আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের কোনো নেই কোনো গয়না, গাড়ি বা আসবাবপত্র। পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে