আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সংস্কার নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিএনপির কোনো বিরোধ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিএনপির কোনো বিরোধ নেই। যাঁরা ‘সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে’— ধরনের প্রশ্ন তুলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। বিএনপি মনে করে, সংস্কার কার্যক্রম, এটি কোনো শেষ করার বিষয় নয়।’
আজ সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
সংস্কার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘একজন সংস্কার কার্যক্রম শুরু করলে আরেকজন সেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যায়। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে সরকারে কিংবা সরকারের বাইরে আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখা দরকার, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুণগত উত্তরণ ছাড়া পুঁথিগত সংস্কার অনেকটাই অকার্যকর। সংস্কার কার্যকর করতে চাইলে সবার আগে জনগণের নিত্যদিনের দুর্দশা লাঘবের ব্যবস্থা করা দরকার। এটা নিশ্চিত করা না গেলে সংস্কার কার্যক্রমের কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না।’
সংস্কারের পাশাপাশি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের তাগিদ দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করেছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিয়ে জনপ্রতিনিধিত্বশীল একটি সরকার গঠন গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি। বিএনপি মনে করে, সংস্কারকাজের পাশাপাশি একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান অবশ্যই প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘একটি নির্বাচনের জন্যই গণ-অভ্যুত্থান হয়নি। এটি যেমন একধরনের বাস্তবতা, অপরদিকে আরেকটি বাস্তবতা ছিল নির্বাচন ছাড়াই বারবার সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে পলাতক স্বৈরাচার দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করতে সক্ষম হয়েছিল। জনগণকে তাদের অধিকার থেকে করা হয়েছিল বঞ্চিত। এ কারণে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চায় জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই নির্বাচন অবশ্যই একটি মুখ্য বিষয়।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানকে শুধু একটি রাজনৈতিক দলের ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচনায় পরিস্থিতি মূল্যায়ন করলে সেটি কোনো বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক চিন্তা নয়। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তার রাজনৈতিক অধিকার চর্চার সুযোগ পায়। একই সঙ্গে ভোটের অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রের মালিকানার সম্পর্ক তৈরি হয়। স্বৈরাচারের কবল থেকে সরকার ও জনগণকে মুক্ত রাখতে হলে অবশ্যই নাগরিককে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালী রাখা অত্যন্ত জরুরি।’
এ সময় ‘ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে’ মন্তব্য করে গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী স্বৈরাচারের পলায়নের পর জনগণের বিশাল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তি ও সাংবাদিকদের সতর্ক থাকা দরকার। চলমান গণতন্ত্রের যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে নানা রকম ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বিতাড়িত স্বৈরাচার ও তাদের দোসররা নানা কৌশলে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। অপশক্তি দেশে এবং দেশের বাইরে থেকে গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে আমরা সবাই সতর্ক থাকলে দেশের পক্ষের শক্তির মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি থাকবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।’
সাংবাদিকতায় ‘বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা একান্ত জরুরি’ মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত পলাতক স্বৈরশাসকের সময় আমরা দেখেছি, গণমাধ্যমের প্রতিটি শাখায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা প্রায় হারিয়ে গিয়েছিল। লেখক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে যেকোনো বিষয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে। এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু ভিন্নমতকে দমন ও দলাদলিতে পরিণত করলে কী হতে পারে, তা গত দেড় দশকে দেশের জনগণ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। পলাতক স্বৈরাচারের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের মন্ত্রী-এমপি কিংবা বায়তুল মোকাররমের খতিব, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পলায়নের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে, অবৈধ রাষ্ট্রশক্তি নয়, শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ই চূড়ান্ত।’
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সংগঠনের সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান সভায় সঞ্চালনা করেন।

সংস্কার নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিএনপির কোনো বিরোধ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিএনপির কোনো বিরোধ নেই। যাঁরা ‘সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে’— ধরনের প্রশ্ন তুলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। বিএনপি মনে করে, সংস্কার কার্যক্রম, এটি কোনো শেষ করার বিষয় নয়।’
আজ সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
সংস্কার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘একজন সংস্কার কার্যক্রম শুরু করলে আরেকজন সেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যায়। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে সরকারে কিংবা সরকারের বাইরে আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখা দরকার, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুণগত উত্তরণ ছাড়া পুঁথিগত সংস্কার অনেকটাই অকার্যকর। সংস্কার কার্যকর করতে চাইলে সবার আগে জনগণের নিত্যদিনের দুর্দশা লাঘবের ব্যবস্থা করা দরকার। এটা নিশ্চিত করা না গেলে সংস্কার কার্যক্রমের কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না।’
সংস্কারের পাশাপাশি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের তাগিদ দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করেছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিয়ে জনপ্রতিনিধিত্বশীল একটি সরকার গঠন গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি। বিএনপি মনে করে, সংস্কারকাজের পাশাপাশি একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান অবশ্যই প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘একটি নির্বাচনের জন্যই গণ-অভ্যুত্থান হয়নি। এটি যেমন একধরনের বাস্তবতা, অপরদিকে আরেকটি বাস্তবতা ছিল নির্বাচন ছাড়াই বারবার সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে পলাতক স্বৈরাচার দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করতে সক্ষম হয়েছিল। জনগণকে তাদের অধিকার থেকে করা হয়েছিল বঞ্চিত। এ কারণে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চায় জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই নির্বাচন অবশ্যই একটি মুখ্য বিষয়।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানকে শুধু একটি রাজনৈতিক দলের ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচনায় পরিস্থিতি মূল্যায়ন করলে সেটি কোনো বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক চিন্তা নয়। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তার রাজনৈতিক অধিকার চর্চার সুযোগ পায়। একই সঙ্গে ভোটের অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রের মালিকানার সম্পর্ক তৈরি হয়। স্বৈরাচারের কবল থেকে সরকার ও জনগণকে মুক্ত রাখতে হলে অবশ্যই নাগরিককে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালী রাখা অত্যন্ত জরুরি।’
এ সময় ‘ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে’ মন্তব্য করে গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী স্বৈরাচারের পলায়নের পর জনগণের বিশাল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তি ও সাংবাদিকদের সতর্ক থাকা দরকার। চলমান গণতন্ত্রের যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে নানা রকম ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বিতাড়িত স্বৈরাচার ও তাদের দোসররা নানা কৌশলে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। অপশক্তি দেশে এবং দেশের বাইরে থেকে গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে আমরা সবাই সতর্ক থাকলে দেশের পক্ষের শক্তির মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি থাকবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।’
সাংবাদিকতায় ‘বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা একান্ত জরুরি’ মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত পলাতক স্বৈরশাসকের সময় আমরা দেখেছি, গণমাধ্যমের প্রতিটি শাখায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা প্রায় হারিয়ে গিয়েছিল। লেখক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে যেকোনো বিষয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে। এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু ভিন্নমতকে দমন ও দলাদলিতে পরিণত করলে কী হতে পারে, তা গত দেড় দশকে দেশের জনগণ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। পলাতক স্বৈরাচারের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের মন্ত্রী-এমপি কিংবা বায়তুল মোকাররমের খতিব, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পলায়নের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে, অবৈধ রাষ্ট্রশক্তি নয়, শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ই চূড়ান্ত।’
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সংগঠনের সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান সভায় সঞ্চালনা করেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুমকে আহ্বায়ক এবং আবদুল হালিমকে সদস্যসচিব করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করেছে দলটি।
১১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বির হত্যার ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা চলছে, যার নির্মম বহিঃপ্রকাশ এ হত্যাকাণ্ড। এ ধরনের সহিংসতা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে চরমভাবে...
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি নেতা....
১৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীতে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন উল্লেখ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে ব্যাহত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির
১৬ ঘণ্টা আগে