নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগের বিরোধীরা নির্বাচন সামনে এলে এক হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্প্রীতি বাংলাদেশের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প সারা দেশে ছড়িয়ে আছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না। স্বাধীনতাবিরোধীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো ছদ্মবেশে টিকে আছে। এদের অনেকে এখন নব্য আওয়ামী লীগার হয়েছে। এমনকি তারা প্রকৃত আওয়ামী লীগারদের চেয়েও জোরে জয় বাংলা স্লোগান দেয়। কিন্তু তারা তাদের সাম্প্রদায়িক আদর্শ ত্যাগ করেনি। সুযোগ পেলে আবারও তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বিজয়ের মহানায়ক। বিজয় অসম্পূর্ণ থেকে যেত শেখ মুজিবহীন বাংলাদেশে। বঙ্গবন্ধু স্বদেশে ফিরে না এলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায় সম্ভব হতো না।’
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, ‘যখন পাকিস্তানি বাহিনী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্মসমর্পণ করছে, তখনো কেউ জানত না বঙ্গবন্ধুর আসলে কী হয়েছে। তাঁর বেঁচে থাকার জন্য ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে কৃতিত্ব দিতে হয়। তাদের কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই পাকিস্তান তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারেনি।’
আলোচনা সভায় সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সম্প্রীতি বাংলাদেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ড. বিমান বড়ুয়া ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদাসহ অন্যরা।

আওয়ামী লীগের বিরোধীরা নির্বাচন সামনে এলে এক হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্প্রীতি বাংলাদেশের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প সারা দেশে ছড়িয়ে আছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না। স্বাধীনতাবিরোধীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো ছদ্মবেশে টিকে আছে। এদের অনেকে এখন নব্য আওয়ামী লীগার হয়েছে। এমনকি তারা প্রকৃত আওয়ামী লীগারদের চেয়েও জোরে জয় বাংলা স্লোগান দেয়। কিন্তু তারা তাদের সাম্প্রদায়িক আদর্শ ত্যাগ করেনি। সুযোগ পেলে আবারও তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বিজয়ের মহানায়ক। বিজয় অসম্পূর্ণ থেকে যেত শেখ মুজিবহীন বাংলাদেশে। বঙ্গবন্ধু স্বদেশে ফিরে না এলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায় সম্ভব হতো না।’
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, ‘যখন পাকিস্তানি বাহিনী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্মসমর্পণ করছে, তখনো কেউ জানত না বঙ্গবন্ধুর আসলে কী হয়েছে। তাঁর বেঁচে থাকার জন্য ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে কৃতিত্ব দিতে হয়। তাদের কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই পাকিস্তান তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারেনি।’
আলোচনা সভায় সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সম্প্রীতি বাংলাদেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ড. বিমান বড়ুয়া ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদাসহ অন্যরা।

দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও
৩ ঘণ্টা আগে