নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামীকাল বৃহস্পতিবার নয়, শুক্রবার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশ করবে বিএনপি।
আজ বুধবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আশা করি, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলমান গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানে সরকার কিংবা সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান বাধা সৃষ্টি করবে না।’
বিএনপি নয়াপল্টনে দলের কার্যালয়ের সামনে অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামীকাল সমাবেশ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সমাবেশের স্থান নিয়ে পুলিশের অনুমতি পায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের গোলাপবাগ মাঠে সমাবেশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে সন্ধ্যায় দলের কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বৈঠকে বসেন। সেখানে সমাবেশ পিছিয়ে শুক্রবার করার সিদ্ধান্ত হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের কথা ২০ জুলাই ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। মহানগর পুলিশ কর্তৃপক্ষ আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উচ্চ আদালতের আপত্তি এবং কর্মদিবসে নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানে জনদুর্ভোগের অজুহাতে সমাবেশ অনুষ্ঠানে আপত্তি জানিয়েছে। যদিও ইতিপূর্বে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং কর্মদিবসে নয়াপল্টনে অসংখ্য সমাবেশ-মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের দৃষ্টান্ত রয়েছে।’
মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আশা করি, এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানে সরকার কিংবা সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান বাধা সৃষ্টি করবে না। আমরা সংশ্লিষ্ট সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে আগামী শুক্রবারের (২৮ জুলাই) মহাসমাবেশ সফল করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’

আগামীকাল বৃহস্পতিবার নয়, শুক্রবার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশ করবে বিএনপি।
আজ বুধবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আশা করি, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলমান গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানে সরকার কিংবা সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান বাধা সৃষ্টি করবে না।’
বিএনপি নয়াপল্টনে দলের কার্যালয়ের সামনে অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামীকাল সমাবেশ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সমাবেশের স্থান নিয়ে পুলিশের অনুমতি পায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের গোলাপবাগ মাঠে সমাবেশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে সন্ধ্যায় দলের কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বৈঠকে বসেন। সেখানে সমাবেশ পিছিয়ে শুক্রবার করার সিদ্ধান্ত হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের কথা ২০ জুলাই ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। মহানগর পুলিশ কর্তৃপক্ষ আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উচ্চ আদালতের আপত্তি এবং কর্মদিবসে নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানে জনদুর্ভোগের অজুহাতে সমাবেশ অনুষ্ঠানে আপত্তি জানিয়েছে। যদিও ইতিপূর্বে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং কর্মদিবসে নয়াপল্টনে অসংখ্য সমাবেশ-মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের দৃষ্টান্ত রয়েছে।’
মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আশা করি, এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানে সরকার কিংবা সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান বাধা সৃষ্টি করবে না। আমরা সংশ্লিষ্ট সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে আগামী শুক্রবারের (২৮ জুলাই) মহাসমাবেশ সফল করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’

২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছাবাণী পাঠানো হয়েছিল। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায়...
১ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন,‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে যে ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, মানুষের মধ্যে যে আবেগ কাজ করছে, সেই আবেগ নিঃসন্দেহে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের কূটনৈতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ‘গোপন বৈঠক’ মর্মে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাসায় ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন।
৫ ঘণ্টা আগে