নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ২০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। এই সময় আরও তিন মাস বাড়ানোর জন্য ইসিতে আবেদন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের একান্ত সচিব আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, এখন পর্যন্ত ছয়টি দল আবেদন করলেও পাঁচটি দলই সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। একটি দল নিবন্ধনের আবেদন করলেও তা যথাযথ হয়নি। এদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিও রয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, ২০ এপ্রিল হচ্ছে নিবন্ধনের জন্য আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এখন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত সময়সীমা টার্গেট করে আমরা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করে আমরা আগস্ট-সেপ্টেম্বরে সংলাপ করতে চাই।’
আইন অনুযায়ী, নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দলকে ইসি থেকে নিবন্ধন নিতে হয়। এনসিপি আগামী নির্বাচনে নিজেদের প্রতীকে ভোট করতে চাইলে নিবন্ধন নিতে হবে।
সিইসির সঙ্গে এনসিপির বৈঠক
আগামী রোববার (২০ এপ্রিল) সিইসির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছে এনসিপি। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন ওই দিন দুপুর ১২টায় দলটির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য ৯০ দিন সময় চেয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবকে দেওয়া এক চিঠিতে এনসিপি জানায়, ঐতিহাসিক জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় গণমানুষের প্রত্যাশার আলোকে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গণ-অভ্যুত্থানের পরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম শুরু করে। তন্মধ্যে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারের জন্য একটি কমিশন গঠন করা হয় এবং উক্ত কমিশন একটি প্রতিবেদনসহ তাদের সুপারিশ কর্তৃপক্ষের নিকট দিলেও অদ্যাবধি মৌলিক সংস্কার কার্যক্রমের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।
নির্বাচন কমিশনের মৌলিক সংস্কার ও বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী না করেই বর্তমান নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য গত ১০ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সংস্কারের আগেই তড়িঘড়ি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে সমালোচনার জন্ম দেয়।
উল্লেখ্য যে, ২০০৮ সালের রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা ও প্রাসঙ্গিক আইনের অধীনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন শর্তাবলিসমূহ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অসাংবিধানিক। আগের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে তৈরি এই বিধিগুলো রাজনৈতিক বহুত্ববাদকে সংকুচিত ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য প্রণীত। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন নিজেই জেলা পর্যায়ে ১০ শতাংশ ও উপজেলা পর্যায়ে ৫ শতাংশ কার্যালয় স্থাপনের শর্ত সহজীকরণের পাশাপাশি প্রতি পাঁচ বছরে নিবন্ধিত দলের নিবন্ধন নবায়নের বাধ্যবাধকতার প্রস্তাব দিয়েছে।
তা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের বর্তমান কাঠামো ও ব্যক্তিবর্গের নিয়োগ বিতর্কিত ২০২২ সালের আইন অনুসারে গঠিত সার্চ কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব, রাজনৈতিক প্রভাব ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় ব্যর্থতার জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে, যা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করছে। সুতরাং বর্তমানের নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি প্রণয়ন বা সংশোধনপূর্বক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হওয়া দরকার। তা ছাড়া মৌলিক সংস্কারের আলোকে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, বিদ্যমান নিবন্ধিত দলের নিবন্ধন হালনাগাদ করাও আবশ্যক।
এমতাবস্থায় অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনসংক্রান্ত মৌলিক সংস্কারসাধন ও নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদনের সময়সীমা অন্যূন ৯০ দিন বর্ধিতকরণের জন্য বিনীত অনুরোধ করা যাচ্ছে।

নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ২০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। এই সময় আরও তিন মাস বাড়ানোর জন্য ইসিতে আবেদন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের একান্ত সচিব আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, এখন পর্যন্ত ছয়টি দল আবেদন করলেও পাঁচটি দলই সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। একটি দল নিবন্ধনের আবেদন করলেও তা যথাযথ হয়নি। এদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিও রয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, ২০ এপ্রিল হচ্ছে নিবন্ধনের জন্য আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এখন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত সময়সীমা টার্গেট করে আমরা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করে আমরা আগস্ট-সেপ্টেম্বরে সংলাপ করতে চাই।’
আইন অনুযায়ী, নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দলকে ইসি থেকে নিবন্ধন নিতে হয়। এনসিপি আগামী নির্বাচনে নিজেদের প্রতীকে ভোট করতে চাইলে নিবন্ধন নিতে হবে।
সিইসির সঙ্গে এনসিপির বৈঠক
আগামী রোববার (২০ এপ্রিল) সিইসির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছে এনসিপি। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন ওই দিন দুপুর ১২টায় দলটির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য ৯০ দিন সময় চেয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবকে দেওয়া এক চিঠিতে এনসিপি জানায়, ঐতিহাসিক জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় গণমানুষের প্রত্যাশার আলোকে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গণ-অভ্যুত্থানের পরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম শুরু করে। তন্মধ্যে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারের জন্য একটি কমিশন গঠন করা হয় এবং উক্ত কমিশন একটি প্রতিবেদনসহ তাদের সুপারিশ কর্তৃপক্ষের নিকট দিলেও অদ্যাবধি মৌলিক সংস্কার কার্যক্রমের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।
নির্বাচন কমিশনের মৌলিক সংস্কার ও বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী না করেই বর্তমান নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য গত ১০ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সংস্কারের আগেই তড়িঘড়ি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে সমালোচনার জন্ম দেয়।
উল্লেখ্য যে, ২০০৮ সালের রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা ও প্রাসঙ্গিক আইনের অধীনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন শর্তাবলিসমূহ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অসাংবিধানিক। আগের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে তৈরি এই বিধিগুলো রাজনৈতিক বহুত্ববাদকে সংকুচিত ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য প্রণীত। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন নিজেই জেলা পর্যায়ে ১০ শতাংশ ও উপজেলা পর্যায়ে ৫ শতাংশ কার্যালয় স্থাপনের শর্ত সহজীকরণের পাশাপাশি প্রতি পাঁচ বছরে নিবন্ধিত দলের নিবন্ধন নবায়নের বাধ্যবাধকতার প্রস্তাব দিয়েছে।
তা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের বর্তমান কাঠামো ও ব্যক্তিবর্গের নিয়োগ বিতর্কিত ২০২২ সালের আইন অনুসারে গঠিত সার্চ কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব, রাজনৈতিক প্রভাব ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় ব্যর্থতার জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে, যা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করছে। সুতরাং বর্তমানের নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি প্রণয়ন বা সংশোধনপূর্বক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হওয়া দরকার। তা ছাড়া মৌলিক সংস্কারের আলোকে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, বিদ্যমান নিবন্ধিত দলের নিবন্ধন হালনাগাদ করাও আবশ্যক।
এমতাবস্থায় অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনসংক্রান্ত মৌলিক সংস্কারসাধন ও নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদনের সময়সীমা অন্যূন ৯০ দিন বর্ধিতকরণের জন্য বিনীত অনুরোধ করা যাচ্ছে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে