গণঅধিকার পরিষদ
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা করে তাঁদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ শুক্রবার গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘ভারত হটাও বাংলাদেশ বাঁচাও’ শিরোনামে কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে যায়।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে শিক্ষিত বেকার ৪ কোটি ২৮ লাখ। বিগত দিনে আমাদের এক উপদেষ্টা বলেছেন, ১০ লাখ ভারতীয় বাংলাদেশে আছে। আমার কথা, আপনাদের কাজ কি শুধু বক্তব্য দেওয়া, নাকি এই ১০ লাখ ভারতীয়কে বের করার ব্যবস্থা করবেন? আমাদের বেকার যুবকেরা চাকরি পাবেন না, আর তাঁরা কাজ করবেন?’
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘প্রত্যেক কারখানায় কারখানায় খোঁজ লাগান। কে কয়টা ভারতীয়কে নিয়োগ দিয়েছেন। আমাদের খবর দেন। আমরা বিশেষ টিম গঠন করব, তাঁদের ভারতে পাঠানোর জন্য। কাউকে রাখব না। একটা একটা বের করে দেব। যতক্ষণ ভারতের আগ্রাসন বন্ধ না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।’
তারেক বলেন, ‘বাংলাদেশকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বাংলাদেশের আশপাশে যত বাঁধ আছে, সব ভেঙে দিতে হবে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা যেমন ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে দিয়েছিলেন, তেমনি আমরাও ভেঙে দেব। তাদের বলতে হবে, এটা মানবাধিকার পরিপন্থী, বিশ্ব জলবায়ু নীতির পরিপন্থী। সরকারকে বলব, ছয় মাস সময় পেয়েছেন, কিন্তু আপনারা তিস্তা চুক্তি নিয়ে কেন মামলা করলেন না? আর মুখে মুখে কথা নয়। এমন সরকার চাই, যারা আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে পারে।’
ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী নিয়ে এই নেতা বলেন, ‘কোনো যুদ্ধ ছাড়াই গত ১৬ বছরে তারা সীমান্তে ১ হাজার ১০০ মানুষকে হত্যা করেছে। তারা যদি এটা বন্ধ না করে, তাদের সেই পরিণতি ভোগ করতে হবে।’

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা করে তাঁদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ শুক্রবার গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘ভারত হটাও বাংলাদেশ বাঁচাও’ শিরোনামে কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে যায়।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে শিক্ষিত বেকার ৪ কোটি ২৮ লাখ। বিগত দিনে আমাদের এক উপদেষ্টা বলেছেন, ১০ লাখ ভারতীয় বাংলাদেশে আছে। আমার কথা, আপনাদের কাজ কি শুধু বক্তব্য দেওয়া, নাকি এই ১০ লাখ ভারতীয়কে বের করার ব্যবস্থা করবেন? আমাদের বেকার যুবকেরা চাকরি পাবেন না, আর তাঁরা কাজ করবেন?’
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘প্রত্যেক কারখানায় কারখানায় খোঁজ লাগান। কে কয়টা ভারতীয়কে নিয়োগ দিয়েছেন। আমাদের খবর দেন। আমরা বিশেষ টিম গঠন করব, তাঁদের ভারতে পাঠানোর জন্য। কাউকে রাখব না। একটা একটা বের করে দেব। যতক্ষণ ভারতের আগ্রাসন বন্ধ না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।’
তারেক বলেন, ‘বাংলাদেশকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বাংলাদেশের আশপাশে যত বাঁধ আছে, সব ভেঙে দিতে হবে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা যেমন ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে দিয়েছিলেন, তেমনি আমরাও ভেঙে দেব। তাদের বলতে হবে, এটা মানবাধিকার পরিপন্থী, বিশ্ব জলবায়ু নীতির পরিপন্থী। সরকারকে বলব, ছয় মাস সময় পেয়েছেন, কিন্তু আপনারা তিস্তা চুক্তি নিয়ে কেন মামলা করলেন না? আর মুখে মুখে কথা নয়। এমন সরকার চাই, যারা আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে পারে।’
ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী নিয়ে এই নেতা বলেন, ‘কোনো যুদ্ধ ছাড়াই গত ১৬ বছরে তারা সীমান্তে ১ হাজার ১০০ মানুষকে হত্যা করেছে। তারা যদি এটা বন্ধ না করে, তাদের সেই পরিণতি ভোগ করতে হবে।’

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে