সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে নীলফামারীর সৈয়দপুরে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের গাড়িবহর আটকে দিলেন দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। আজ সোমবার বেলা ৩টার দিকে সৈয়দপুর শহরের ক্যান্ট বাজারসংলগ্ন সিএসডি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রংপুর থেকে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে দিকে পাঁচ-সাতটি গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন জি এম কাদের। এ সময় সৈয়দপুর উপজেলা জাপার আহ্বায়ক শিল্পপতি সিদ্দিকুল আলমকে আগামী নির্বাচনে নীলফামারী-৪ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে তাঁর পথ রোধ করেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। পরে জি এম কাদের তাঁদের দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিলে পথ থেকে সড়ে দাড়ান তাঁরা।
এ সময় জি এম কাদের সঙ্গে ছিলেন জাপার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের বর্তমান এমপি আহসান আদেলুর রহমানসহ রংপুর-লালমনিরহাট ও নীলফামারী জাপার অন্য নেতারা।
এদিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, ‘সাধারণ নির্বাচনে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিব। প্রয়োজনে এককভাবে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়া হবে। দেশ, জনগণ ও পার্টির স্বার্থে জোটবদ্ধ অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদি জোট করি তাহলে অবশ্যই বড় দলের সঙ্গেই যাব। যাতে মানুষের জন্য কাজ করতে পারি। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’
জি এম কাদের বলেন, ‘নীলফামারী-৪ আসনের সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পার্টির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত বলেই একাধিক নেতা জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে চায়। এ জন্য অবশ্যই তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
জি এম কাদের আরও বলেন, ‘জনসমর্থনহীন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিলে আসন হারানোর আশঙ্কা থাকে। তাই এমন প্রার্থী যেই হোক তাকে বাদ দেওয়া হবে। কাউকে চাপিয়ে দেওয়া হবে না। মনোনয়ন বোর্ডই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’

মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে নীলফামারীর সৈয়দপুরে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের গাড়িবহর আটকে দিলেন দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। আজ সোমবার বেলা ৩টার দিকে সৈয়দপুর শহরের ক্যান্ট বাজারসংলগ্ন সিএসডি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রংপুর থেকে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে দিকে পাঁচ-সাতটি গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন জি এম কাদের। এ সময় সৈয়দপুর উপজেলা জাপার আহ্বায়ক শিল্পপতি সিদ্দিকুল আলমকে আগামী নির্বাচনে নীলফামারী-৪ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে তাঁর পথ রোধ করেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। পরে জি এম কাদের তাঁদের দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিলে পথ থেকে সড়ে দাড়ান তাঁরা।
এ সময় জি এম কাদের সঙ্গে ছিলেন জাপার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের বর্তমান এমপি আহসান আদেলুর রহমানসহ রংপুর-লালমনিরহাট ও নীলফামারী জাপার অন্য নেতারা।
এদিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, ‘সাধারণ নির্বাচনে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিব। প্রয়োজনে এককভাবে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়া হবে। দেশ, জনগণ ও পার্টির স্বার্থে জোটবদ্ধ অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদি জোট করি তাহলে অবশ্যই বড় দলের সঙ্গেই যাব। যাতে মানুষের জন্য কাজ করতে পারি। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’
জি এম কাদের বলেন, ‘নীলফামারী-৪ আসনের সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পার্টির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত বলেই একাধিক নেতা জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে চায়। এ জন্য অবশ্যই তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
জি এম কাদের আরও বলেন, ‘জনসমর্থনহীন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিলে আসন হারানোর আশঙ্কা থাকে। তাই এমন প্রার্থী যেই হোক তাকে বাদ দেওয়া হবে। কাউকে চাপিয়ে দেওয়া হবে না। মনোনয়ন বোর্ডই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৪ ঘণ্টা আগে