আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আর কথা নয়, এবার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজে নেমে পড়তে দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ জন্য জানপ্রাণ দিয়ে মানুষের আস্থা, সমর্থন ও ভালোবাসা অর্জনের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে থাকুন, জনগণকে সঙ্গে রাখুন। এ জন্য জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী যেভাবে চলা দরকার, সেভাবে চলুন। দেশ ও দেশের মানুষকে সামনে রেখে গত ১৫-১৬ বছর আমরা যে কথাগুলো বলেছি, সেই মোতাবেক কথার পালা শেষ, এখন কাজের পালা শুরু। কাজ শুরু করার সময় এসেছে।’
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর খিলক্ষেতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত এক কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খিলক্ষেতের বরুয়া আলাউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ৩১ দফা নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় পুঁজি হচ্ছে জনগণের সমর্থন। এই সমর্থনকে যেকোনোভাবে আমাদের পক্ষে রাখতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদের চলতে হবে।’
৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর দলের কিছু নেতা-কর্মী বিভ্রান্ত হয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘হাতের পাঁচ আঙুল সমান না। ঠিক একইভাবে সব মানুষই একরকম না। আমাদের মধ্যে হয়তোবা কিছু কিছু মানুষ থাকতে পারে, আমাদের কিছু সহকর্মী থাকতে পারে, যারা কিছু বিষয়ে বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছে। স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার পরে গত তিন-চার মাসে আমাদের কিছু কিছু সহকর্মী, নেতা-কর্মী বিভ্রান্ত হয়েছে। এই বিভ্রান্তির কারণে তারা এমন কিছু কাজ করছে, যে কাজগুলো মানুষ পছন্দ করছে না।’
এ অবস্থায় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকে আপনাদের পরিষ্কার একটি কথা বলি—আপনার লক্ষ্য যদি অন্য কিছু হয়ে থাকে, দলের আদর্শকে রক্ষার লক্ষ্য যদি না হয়ে থাকে, দুদিন পরে আপনি ছিটকে পড়ে যাবেন। দল থেকে ছিটকে পড়ে যাবেন, মানুষের সমর্থন থেকে ছিটকে পড়ে যাবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনি আজকে বিএনপির একজন নেতা বা কর্মী বলে মানুষের কাছে গেলে সম্মান পান। আপনাকে মানুষ চেনে বিএনপির একজন নেতা হিসেবে। রাস্তা দিয়ে হাঁটলে আপনাকে সালাম দেয়। আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সমর্থন ও আস্থা অর্জন। গত ১৬-১৭ বছর অবর্ণনীয় নির্যাতনের মধ্য দিয়ে আপনারা এসেছেন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনারা নির্যাতন সহ্য করেছেন। মানুষের ভোটের অধিকার, অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই আপনারা যুদ্ধ করেছেন। কতিপয় ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে পারে, নিশ্চয়ই এ কারণে আপনারা অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেননি।’
এ সময় রাজধানীর নেতা-কর্মীদের ‘সারা দেশের প্রতিচ্ছবি’ উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। আপনারা প্রত্যেকেই বিএনপির প্রতিনিধি। কারণ, ঢাকায় মানুষ যা চিন্তা করে, যা করে, সেটাই সারা দেশে ছড়িয়ে যায়। কাজেই আপনাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে দলের ভাবমূর্তিকে ধরে রাখা। সারা দেশের মানুষের বিএনপির ওপর যে আস্থা, তার অর্ধেকটাই ধরে রাখার দায়িত্ব আপনাদের। দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আপনাদেরই জনগণের সামনে নিয়ে যেতে হবে। এই কাজটা যদি আমরা সফলভাবে করতে পারি, তাহলে আমরা জনগণের সমর্থন অর্জনে সক্ষম হব।’

আর কথা নয়, এবার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজে নেমে পড়তে দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ জন্য জানপ্রাণ দিয়ে মানুষের আস্থা, সমর্থন ও ভালোবাসা অর্জনের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে থাকুন, জনগণকে সঙ্গে রাখুন। এ জন্য জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী যেভাবে চলা দরকার, সেভাবে চলুন। দেশ ও দেশের মানুষকে সামনে রেখে গত ১৫-১৬ বছর আমরা যে কথাগুলো বলেছি, সেই মোতাবেক কথার পালা শেষ, এখন কাজের পালা শুরু। কাজ শুরু করার সময় এসেছে।’
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর খিলক্ষেতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত এক কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খিলক্ষেতের বরুয়া আলাউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ৩১ দফা নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় পুঁজি হচ্ছে জনগণের সমর্থন। এই সমর্থনকে যেকোনোভাবে আমাদের পক্ষে রাখতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদের চলতে হবে।’
৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর দলের কিছু নেতা-কর্মী বিভ্রান্ত হয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘হাতের পাঁচ আঙুল সমান না। ঠিক একইভাবে সব মানুষই একরকম না। আমাদের মধ্যে হয়তোবা কিছু কিছু মানুষ থাকতে পারে, আমাদের কিছু সহকর্মী থাকতে পারে, যারা কিছু বিষয়ে বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছে। স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার পরে গত তিন-চার মাসে আমাদের কিছু কিছু সহকর্মী, নেতা-কর্মী বিভ্রান্ত হয়েছে। এই বিভ্রান্তির কারণে তারা এমন কিছু কাজ করছে, যে কাজগুলো মানুষ পছন্দ করছে না।’
এ অবস্থায় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকে আপনাদের পরিষ্কার একটি কথা বলি—আপনার লক্ষ্য যদি অন্য কিছু হয়ে থাকে, দলের আদর্শকে রক্ষার লক্ষ্য যদি না হয়ে থাকে, দুদিন পরে আপনি ছিটকে পড়ে যাবেন। দল থেকে ছিটকে পড়ে যাবেন, মানুষের সমর্থন থেকে ছিটকে পড়ে যাবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনি আজকে বিএনপির একজন নেতা বা কর্মী বলে মানুষের কাছে গেলে সম্মান পান। আপনাকে মানুষ চেনে বিএনপির একজন নেতা হিসেবে। রাস্তা দিয়ে হাঁটলে আপনাকে সালাম দেয়। আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সমর্থন ও আস্থা অর্জন। গত ১৬-১৭ বছর অবর্ণনীয় নির্যাতনের মধ্য দিয়ে আপনারা এসেছেন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনারা নির্যাতন সহ্য করেছেন। মানুষের ভোটের অধিকার, অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই আপনারা যুদ্ধ করেছেন। কতিপয় ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে পারে, নিশ্চয়ই এ কারণে আপনারা অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেননি।’
এ সময় রাজধানীর নেতা-কর্মীদের ‘সারা দেশের প্রতিচ্ছবি’ উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। আপনারা প্রত্যেকেই বিএনপির প্রতিনিধি। কারণ, ঢাকায় মানুষ যা চিন্তা করে, যা করে, সেটাই সারা দেশে ছড়িয়ে যায়। কাজেই আপনাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে দলের ভাবমূর্তিকে ধরে রাখা। সারা দেশের মানুষের বিএনপির ওপর যে আস্থা, তার অর্ধেকটাই ধরে রাখার দায়িত্ব আপনাদের। দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আপনাদেরই জনগণের সামনে নিয়ে যেতে হবে। এই কাজটা যদি আমরা সফলভাবে করতে পারি, তাহলে আমরা জনগণের সমর্থন অর্জনে সক্ষম হব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও তাঁর একমাত্র কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে