নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগের স্বচ্ছতার জন্য জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) বা তদরূপ কোনো প্রতিষ্ঠান গঠন না হলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও সংস্কার কমিশন ব্যর্থ হবে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, এনসিসি প্রস্তাবের বিরোধিতাকারীরা বিকল্প প্রস্তাব দেননি। যাঁরা এটার বিরোধিতা করেছেন, তাঁরা যেন একটা বিকল্প প্রস্তাব দেন। তা না হলে গণ-অভ্যুত্থান ও সংস্কার কমিশন ব্যর্থ হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের আলোচনার মুলতবি শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতা দেখিয়েছিল এবং ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতায় গেলে এ বিষয়গুলো সংস্কার করবে বলে প্রস্তাবনা রেখেছিল। কিন্তু আজকে মনে হয়েছে, আলোচনা সভায় কিছু রাজনৈতিক দল এনসিসি গঠনের বিষয়ে বিরোধিতা করেছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রশ্ন রেখেছিলাম দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশন, মানবাধিকার কমিশনসহ গুরুত্বপূর্ণ কমিশনগুলো বিগত সময়ে দলীয়করণ হয়েছে এবং বিরোধী দলমত দমনে ও ভোটাধিকার হরণেও তারা ভূমিকা রেখেছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে সংস্কার কমিশন প্রস্তাবনা করেছে, একটা এনসিসি বা কাউন্সিল প্রয়োজন। যেখানে নিরপেক্ষতা ও আস্থার ভিত্তিতে আমরা নিয়োগগুলো করতে পারব।’
আজকের ঐকমত্য কমিশনের সভা নিয়ে হতাশার কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সার্বিকভাবে আজকের দিনটা হতাশার। আশা করছিলাম, এনসিসির বিষয়ে নীতিগত ঐক্যে আমরা আসতে পারব, যাতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঐকমত্য আস্থার ভিত্তিতে নিরপেক্ষ নিয়োগ হবে। একদলীয়ভাবে আগের মতো প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী নিয়োগ হবে না। কিন্ত সেই ঐকমত্য হয়নি।’
তিনি বলেন, এনসিসি গঠন না হলে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো আগের নিয়মে চলবে বলে শঙ্কা ও সংশয় তৈরি হয়েছে।

রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগের স্বচ্ছতার জন্য জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) বা তদরূপ কোনো প্রতিষ্ঠান গঠন না হলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও সংস্কার কমিশন ব্যর্থ হবে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, এনসিসি প্রস্তাবের বিরোধিতাকারীরা বিকল্প প্রস্তাব দেননি। যাঁরা এটার বিরোধিতা করেছেন, তাঁরা যেন একটা বিকল্প প্রস্তাব দেন। তা না হলে গণ-অভ্যুত্থান ও সংস্কার কমিশন ব্যর্থ হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের আলোচনার মুলতবি শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতা দেখিয়েছিল এবং ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতায় গেলে এ বিষয়গুলো সংস্কার করবে বলে প্রস্তাবনা রেখেছিল। কিন্তু আজকে মনে হয়েছে, আলোচনা সভায় কিছু রাজনৈতিক দল এনসিসি গঠনের বিষয়ে বিরোধিতা করেছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রশ্ন রেখেছিলাম দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশন, মানবাধিকার কমিশনসহ গুরুত্বপূর্ণ কমিশনগুলো বিগত সময়ে দলীয়করণ হয়েছে এবং বিরোধী দলমত দমনে ও ভোটাধিকার হরণেও তারা ভূমিকা রেখেছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে সংস্কার কমিশন প্রস্তাবনা করেছে, একটা এনসিসি বা কাউন্সিল প্রয়োজন। যেখানে নিরপেক্ষতা ও আস্থার ভিত্তিতে আমরা নিয়োগগুলো করতে পারব।’
আজকের ঐকমত্য কমিশনের সভা নিয়ে হতাশার কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সার্বিকভাবে আজকের দিনটা হতাশার। আশা করছিলাম, এনসিসির বিষয়ে নীতিগত ঐক্যে আমরা আসতে পারব, যাতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঐকমত্য আস্থার ভিত্তিতে নিরপেক্ষ নিয়োগ হবে। একদলীয়ভাবে আগের মতো প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী নিয়োগ হবে না। কিন্ত সেই ঐকমত্য হয়নি।’
তিনি বলেন, এনসিসি গঠন না হলে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো আগের নিয়মে চলবে বলে শঙ্কা ও সংশয় তৈরি হয়েছে।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে