নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজনৈতিক দল থেকে ছাত্রছাত্রীদের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। স্কুলের পোশাক পরে এক রাজনৈতিক দলের মহিলা নেত্রী রাস্তায় দাঁড়িয়ে রামপুরা এলাকায় শিক্ষার্থীদের উসকানি দিচ্ছে। এসব কাজ তো বাইরে থেকেই হচ্ছে। সুতরাং রাজনৈতিকভাবেও এই আন্দোলনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এসবের প্রমাণ ও ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে।
আজ শনিবার (৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) আয়োজিত রোড শোতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উপস্থিত হয়ে সকালে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার জন্য বলেছেন, তার পরেও আন্দোলন অব্যাহত রাখছে তারা। এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের জানান, বর্তমানে আন্দোলনটা সারা দেশে হচ্ছে না। বিশেষ একটি এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। শুধু রামপুরা এলাকাতেই হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে অনেকেই কিন্তু তাঁদের আন্দোলন স্থগিত করেছেন। তবে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনসহ যে কারণ বলা হচ্ছে সেগুলো অযৌক্তিক নয়। এটা আমরা স্বীকার করছি। কিন্তু যখন আন্দোলন থেকে ছাত্রছাত্রীরা ফিরে যাচ্ছে, তখনই তাঁদের রাজনৈতিকভাবে উসকানি দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মাঠে নামানো হচ্ছে।
আন্দোলনে রাজনৈতিক উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আমি তো আর আইনের লোক নই; সুতরাং আমি এ বিষয়ে খুব একটা ভালো বলতে পারব না।
শিক্ষার্থীরা আজও প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখানো কর্মসূচির আন্দোলন করছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ``বিভিন্নভাবে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন করার জন্য আমরাও কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। সড়ক পরিবহন আইন করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সড়কে যাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসে, তার জন্য মহাসড়ক বিল সংসদে এরই মধ্যেই পাস হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক আমাদের রোড সেফটি একটি প্রজেক্টে অর্থায়ন করছে। সুতরাং আমাদের তরফ থেকে চেষ্টার কোনো কমতি নেই। এর মধ্যে দু-একটি ঘটনা ঘটছে। রামপুরায় সেদিন রাতে একটি ছাত্র গাড়িচাপা পড়ল, আর এত হাজার হাজার লোক কোথা থেকে এলো? এগুলো নিয়ে প্রশ্ন আছে। তবে একজন ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে এটা দুঃখজনক। দুর্ঘটনা এড়াতে আমাদের তরফ থেকে যত ধরনের চেষ্টা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।'
বাসে অর্ধেক ভাড়া প্রসঙ্গে সেতু মন্ত্রী জানান, অর্ধেক ভাড়ার বিষয়টি সরকারের তরফ থেকে এবং বাসমালিকদের পক্ষ থেকে মেনে নেওয়া হয়েছে। সেটা যাতে ভালোভাবে কার্যকর হয় সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিবহন মালিকেরা এরই মধ্যে ঢাকায় অর্ধেক ভাড়া চালু করেছেন। চট্টগ্রামেও তাঁরা অর্ধেক ভাড়া চালুর চিন্তা ভাবনা করছেন।
বছর বছর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। মন্ত্রী হিসেবে কেন পারছেন না নিরাপদ সড়ক করতে জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী জানান, ছোট ছোট গাড়ি, বিশেষ করে মোটরসাইকেলেও ইদানীং দুর্ঘটনা হচ্ছে। এখন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হারটা বেশি। তবে দুর্ঘটনা কমেছে। আমরা পরিকল্পনা করছি কীভাবে মহাসড়কগুলোতে ইজিবাইক কমানো যায়। তবে শুধু সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একার পক্ষে সম্ভব হবে না। এর জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
এদিকে বিএনপির প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, বিএনপি এত বড় একটি দল, তাদের এত বড় বড় আইনজীবী আইনগতভাবে তাঁরা কিছু করতে পারেনি খালেদার জন্য। রাজপথে এত দিনে তাঁরা একটি দৃশ্যমান মিছিলও করতে পারেনি। এখন বেগম জিয়ার জন্য মায়াকান্না কানছে। সর্বাধুনিক হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিদেশ থেকে যদি বিশেষজ্ঞ কোনো চিকিৎসক আনার প্রয়োজন হয় আনতে পারে, তাতে সরকারের কোনো আপত্তি নেই। একজন দণ্ডিত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড স্থগিত করে বাইরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখন তাঁরা বড় বড় কথা বলেন। তাদের আমলে বিদেশে চিকিৎসা দিতে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে?
এদিকে সকাল থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ছয় মামলায় প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বিআরটিএর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদারসহ আরও অনেকেই।

রাজনৈতিক দল থেকে ছাত্রছাত্রীদের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। স্কুলের পোশাক পরে এক রাজনৈতিক দলের মহিলা নেত্রী রাস্তায় দাঁড়িয়ে রামপুরা এলাকায় শিক্ষার্থীদের উসকানি দিচ্ছে। এসব কাজ তো বাইরে থেকেই হচ্ছে। সুতরাং রাজনৈতিকভাবেও এই আন্দোলনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এসবের প্রমাণ ও ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে।
আজ শনিবার (৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) আয়োজিত রোড শোতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উপস্থিত হয়ে সকালে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার জন্য বলেছেন, তার পরেও আন্দোলন অব্যাহত রাখছে তারা। এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের জানান, বর্তমানে আন্দোলনটা সারা দেশে হচ্ছে না। বিশেষ একটি এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। শুধু রামপুরা এলাকাতেই হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে অনেকেই কিন্তু তাঁদের আন্দোলন স্থগিত করেছেন। তবে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনসহ যে কারণ বলা হচ্ছে সেগুলো অযৌক্তিক নয়। এটা আমরা স্বীকার করছি। কিন্তু যখন আন্দোলন থেকে ছাত্রছাত্রীরা ফিরে যাচ্ছে, তখনই তাঁদের রাজনৈতিকভাবে উসকানি দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মাঠে নামানো হচ্ছে।
আন্দোলনে রাজনৈতিক উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আমি তো আর আইনের লোক নই; সুতরাং আমি এ বিষয়ে খুব একটা ভালো বলতে পারব না।
শিক্ষার্থীরা আজও প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখানো কর্মসূচির আন্দোলন করছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ``বিভিন্নভাবে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন করার জন্য আমরাও কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। সড়ক পরিবহন আইন করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সড়কে যাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসে, তার জন্য মহাসড়ক বিল সংসদে এরই মধ্যেই পাস হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক আমাদের রোড সেফটি একটি প্রজেক্টে অর্থায়ন করছে। সুতরাং আমাদের তরফ থেকে চেষ্টার কোনো কমতি নেই। এর মধ্যে দু-একটি ঘটনা ঘটছে। রামপুরায় সেদিন রাতে একটি ছাত্র গাড়িচাপা পড়ল, আর এত হাজার হাজার লোক কোথা থেকে এলো? এগুলো নিয়ে প্রশ্ন আছে। তবে একজন ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে এটা দুঃখজনক। দুর্ঘটনা এড়াতে আমাদের তরফ থেকে যত ধরনের চেষ্টা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।'
বাসে অর্ধেক ভাড়া প্রসঙ্গে সেতু মন্ত্রী জানান, অর্ধেক ভাড়ার বিষয়টি সরকারের তরফ থেকে এবং বাসমালিকদের পক্ষ থেকে মেনে নেওয়া হয়েছে। সেটা যাতে ভালোভাবে কার্যকর হয় সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিবহন মালিকেরা এরই মধ্যে ঢাকায় অর্ধেক ভাড়া চালু করেছেন। চট্টগ্রামেও তাঁরা অর্ধেক ভাড়া চালুর চিন্তা ভাবনা করছেন।
বছর বছর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। মন্ত্রী হিসেবে কেন পারছেন না নিরাপদ সড়ক করতে জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী জানান, ছোট ছোট গাড়ি, বিশেষ করে মোটরসাইকেলেও ইদানীং দুর্ঘটনা হচ্ছে। এখন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হারটা বেশি। তবে দুর্ঘটনা কমেছে। আমরা পরিকল্পনা করছি কীভাবে মহাসড়কগুলোতে ইজিবাইক কমানো যায়। তবে শুধু সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একার পক্ষে সম্ভব হবে না। এর জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
এদিকে বিএনপির প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, বিএনপি এত বড় একটি দল, তাদের এত বড় বড় আইনজীবী আইনগতভাবে তাঁরা কিছু করতে পারেনি খালেদার জন্য। রাজপথে এত দিনে তাঁরা একটি দৃশ্যমান মিছিলও করতে পারেনি। এখন বেগম জিয়ার জন্য মায়াকান্না কানছে। সর্বাধুনিক হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিদেশ থেকে যদি বিশেষজ্ঞ কোনো চিকিৎসক আনার প্রয়োজন হয় আনতে পারে, তাতে সরকারের কোনো আপত্তি নেই। একজন দণ্ডিত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড স্থগিত করে বাইরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখন তাঁরা বড় বড় কথা বলেন। তাদের আমলে বিদেশে চিকিৎসা দিতে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে?
এদিকে সকাল থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ছয় মামলায় প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বিআরটিএর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদারসহ আরও অনেকেই।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৪ ঘণ্টা আগে