হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, ‘কেউ সত্য কথা বললে তাকে জেলে যেতে হবে। সত্য কথা বলার অধিকার কারোর নেই। বিএনপির লোক যদি মারা গিয়ে কবরে থাকে, তাঁর নামেও মামলা হয়।’
আজ রোববার বিকেলে কুমিল্লার হোমনায় সাবেক মন্ত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম এম কে আনোয়ারের বাসভবনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩ তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রুহুল কবীর রিজভী উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বাস্তবতার নিরিখে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন কখনো অবাধ সুষ্ঠু হতে পারে? ৭ জানুয়ারির নির্বাচন সাধারণ মানুষ বয়কট করেছে। তিন শতাংশ ভোটও পড়েনি। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে টাইপ করে যে পারসেন্টেজ যাবে, প্রধান নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে সেটা ঘোষণা হবে। কত শতাংশ ভোট হলো সেটার দরকার নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বলা হলো ৪০ শতাংশ। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারেরা জানে এবং দেখেছে ভোটকেন্দ্রের কী হাল। কখনো দেখা গেছে গরু, ছাগল, বানর, এবার দেখা গেছে রাজহাঁস।’
রিজভী বলেন বলেন, ‘পুতিনের নির্বাচন দেখতে যান রাষ্ট্রপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার। মানে হচ্ছে-মানুষের সঙ্গে মশকরা, তামাশা ও রসিকতা করা। এমন একটি ভয়ংকর নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে মানুষ ভয়ভীতির মধ্যে আছে। এ অবস্থায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন আর আল্লাহর দয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’
পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর সম্পর্কে রিজভী বলেন, ‘দুর্নীতি করে অবৈধভাবে স্ত্রী, সন্তানের নামে অনেক বাড়ি, ফ্ল্যাট, দামি গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স বিত্তবৈভব গড়ে তুলেছে। তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ, বাড়ি, জমি ফ্ল্যাট জব্দ; সবই লোক দেখানো। কিন্তু অত্যন্ত স্পষ্টভাবেই বোঝা যায়, প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সরকারের প্রশ্রয়েই তিনি এ কাজ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে বেনজীর কোথায়? জনগণ বিশ্বাস করে তাকে এয়ারপোর্ট দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং যাওয়ার আগে তার অ্যাকাউন্টে টাকা নাই, ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিয়েছে। তার মানে টাকা পয়সা, মাল মসলা তার মানে সব নিয়ে সে বিদেশে পারি দিয়েছে; এটাই সত্য।’
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল হক জহরের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন—কুমিল্লা বিভাগের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন মেজবাহ, কুমিল্লা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার, হোমনা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আজিজুর রহমান মোল্লা, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. মোজাম্মেল হক মুকুল, সদস্যসচিব মো. শাহ আলম প্রমুখ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, ‘কেউ সত্য কথা বললে তাকে জেলে যেতে হবে। সত্য কথা বলার অধিকার কারোর নেই। বিএনপির লোক যদি মারা গিয়ে কবরে থাকে, তাঁর নামেও মামলা হয়।’
আজ রোববার বিকেলে কুমিল্লার হোমনায় সাবেক মন্ত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম এম কে আনোয়ারের বাসভবনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩ তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রুহুল কবীর রিজভী উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বাস্তবতার নিরিখে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন কখনো অবাধ সুষ্ঠু হতে পারে? ৭ জানুয়ারির নির্বাচন সাধারণ মানুষ বয়কট করেছে। তিন শতাংশ ভোটও পড়েনি। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে টাইপ করে যে পারসেন্টেজ যাবে, প্রধান নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে সেটা ঘোষণা হবে। কত শতাংশ ভোট হলো সেটার দরকার নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বলা হলো ৪০ শতাংশ। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারেরা জানে এবং দেখেছে ভোটকেন্দ্রের কী হাল। কখনো দেখা গেছে গরু, ছাগল, বানর, এবার দেখা গেছে রাজহাঁস।’
রিজভী বলেন বলেন, ‘পুতিনের নির্বাচন দেখতে যান রাষ্ট্রপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার। মানে হচ্ছে-মানুষের সঙ্গে মশকরা, তামাশা ও রসিকতা করা। এমন একটি ভয়ংকর নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে মানুষ ভয়ভীতির মধ্যে আছে। এ অবস্থায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন আর আল্লাহর দয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’
পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর সম্পর্কে রিজভী বলেন, ‘দুর্নীতি করে অবৈধভাবে স্ত্রী, সন্তানের নামে অনেক বাড়ি, ফ্ল্যাট, দামি গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স বিত্তবৈভব গড়ে তুলেছে। তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ, বাড়ি, জমি ফ্ল্যাট জব্দ; সবই লোক দেখানো। কিন্তু অত্যন্ত স্পষ্টভাবেই বোঝা যায়, প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সরকারের প্রশ্রয়েই তিনি এ কাজ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে বেনজীর কোথায়? জনগণ বিশ্বাস করে তাকে এয়ারপোর্ট দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং যাওয়ার আগে তার অ্যাকাউন্টে টাকা নাই, ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিয়েছে। তার মানে টাকা পয়সা, মাল মসলা তার মানে সব নিয়ে সে বিদেশে পারি দিয়েছে; এটাই সত্য।’
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল হক জহরের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন—কুমিল্লা বিভাগের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন মেজবাহ, কুমিল্লা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার, হোমনা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আজিজুর রহমান মোল্লা, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. মোজাম্মেল হক মুকুল, সদস্যসচিব মো. শাহ আলম প্রমুখ।

জাগপার সহসভাপতি বলেন, আমাদের অন্য ১০ দলের সমঝোতার আলোচনা মোটামুটি চূড়ান্ত। ইসলামী আন্দোলন আমাদের সঙ্গে আছে—এটাও বলব না। আবার চলে গেছে এটাও বলব না। সবকিছু চূড়ান্ত হবে রাত ৮টার মধ্যেই।
১২ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। আজ সকাল থেকেই রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে বৈঠক করছেন ইসলামী আন্দোলন ছাড়া অন্য দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
২১ মিনিট আগে
দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১৫ ঘণ্টা আগে