নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিএনপির চলমান আন্দোলনে সরকার দমন-পীড়ন অব্যাহত রেখেছে জানিয়ে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশের নামে শান্তি কমিটির মতো অশান্তি সৃষ্টি করছে।’
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমরান সালেহ প্রিন্স এ কথা বলেন।
ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচি সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে জানিয়ে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘এই কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই সরকারের মধ্যে একধরনের নার্ভাসনেস লক্ষ করেছি। তারা এই কর্মসূচিকে বানচাল করার জন্য আমাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন-নিপীড়ন চালিয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে থেকে বিএনপি কর্মীদের বাড়ি চিনিয়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন রাজাকারের ভূমিকা তারা পালন করে। আওয়ামী লীগ তথাকথিত শান্তি সমাবেশের নামে শান্তি কমিটির মতো অশান্তি সৃষ্টি করে ভীতিকর পরিস্থিতির মাধ্যমে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে।’
সারা দেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের নামে আবারও মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘ইউনিয়ন পদযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ৪৫টি মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন শতাধিক নেতা-কর্মীকে। এসব মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে ১ হাজার ৭০৬ জন এবং অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৪ হাজার ৫১৭ জনকে। সারা দেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় ছয় শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। ১৫ জন গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।’
পদযাত্রা কর্মসূচিতে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখে আওয়ামী নেতারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক বলেন, ‘আওয়ামী মন্ত্রী ও নেতারা বলছেন বিএনপি নাকি রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে। আওয়ামী নেতাদের উদ্দেশে বলতে চাই—বিএনপি তো গণবিরোধী অবৈধ সরকারের পতনের জন্য প্রকাশ্যে প্রশস্ত রাজপথেই আন্দোলন করছে। ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস ও প্রশাসনকে কবজায় নিয়ে ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে জনগণকে দুঃসহ জীবনযাপনে বাধ্য করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ধরে রেখেছে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী।’
আওয়ামী লীগ এখন জনগণের কাছে ভয়াবহ আতঙ্কের নাম উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এখন দুর্নীতির জয়জয়কার, রাজরোষে বিরোধী মত ও ব্যক্তিরা কারাগারে, নারকীয় উল্লাসে চলছে গুম-খুন-ক্রসফায়ার, ক্ষমতাসীনদের আশকারায় পৈশাচিক আনন্দে নারী-শিশু নির্যাতনের হিড়িক চলছে, বিচার বিভাগকে করা হয়েছে সরকারের হাতের খেলনা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শুধু সরকার ও সরকারপ্রধানের নিজস্ব বরকন্দজে পরিণত করা হয়েছে।’
জনগণের মধ্যে এখন ক্রোধ বহ্নি দাউ দাউ করে জ্বলছে জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক বলেন, ‘ইতিহাসে প্রমাণিত যে অবৈধ শাসনের অবসান ঘটাতে জনগণের আন্দোলন ও প্রতিজ্ঞা কখনোই নিষ্ফল হয়নি। অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী নেতা-মন্ত্রীরা এখন মাঝেমধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখে লাফ দিয়ে ওঠে এবং আবোল-তাবোল বকছেন।’
আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যই হচ্ছে, গণতন্ত্র ও জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার নিজের গর্ত নিজেই খুঁড়ছে। এই সরকার বেশি দিন টিকে থাকবে না। পৃথিবীতে কোনো ফ্যাসিবাদ টিকে থাকেনি। এই নির্দয় ফ্যাসিবাদী সরকারও টিকবে না। জবরদস্তি করে জনগণের ঘাড়ে চেপে বসে থাকার দিন অচিরেই শেষ হবে।’ এ সময় তিনি মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং গ্রেপ্তারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান জানান।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভীষণ অসুস্থ জানিয়ে প্রিন্স বলেন, ‘তাঁকে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতালে সুচিকিৎসা প্রদানের জন্য আমাদের দাবি উপেক্ষা করে সরকার তাঁর প্রতি অমানবিক আচরণ করছে। আমরা আবারও রিজভীকে অবিলম্বে কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা প্রদান করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর আহ্বান জানাচ্ছি। অবিলম্বে অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা এ বি এম মোশাররফ, ভিপি জয়নাল আবেদীন, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিএনপির চলমান আন্দোলনে সরকার দমন-পীড়ন অব্যাহত রেখেছে জানিয়ে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশের নামে শান্তি কমিটির মতো অশান্তি সৃষ্টি করছে।’
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমরান সালেহ প্রিন্স এ কথা বলেন।
ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচি সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে জানিয়ে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘এই কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই সরকারের মধ্যে একধরনের নার্ভাসনেস লক্ষ করেছি। তারা এই কর্মসূচিকে বানচাল করার জন্য আমাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন-নিপীড়ন চালিয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে থেকে বিএনপি কর্মীদের বাড়ি চিনিয়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন রাজাকারের ভূমিকা তারা পালন করে। আওয়ামী লীগ তথাকথিত শান্তি সমাবেশের নামে শান্তি কমিটির মতো অশান্তি সৃষ্টি করে ভীতিকর পরিস্থিতির মাধ্যমে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে।’
সারা দেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের নামে আবারও মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘ইউনিয়ন পদযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ৪৫টি মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন শতাধিক নেতা-কর্মীকে। এসব মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে ১ হাজার ৭০৬ জন এবং অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৪ হাজার ৫১৭ জনকে। সারা দেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় ছয় শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। ১৫ জন গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।’
পদযাত্রা কর্মসূচিতে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখে আওয়ামী নেতারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক বলেন, ‘আওয়ামী মন্ত্রী ও নেতারা বলছেন বিএনপি নাকি রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে। আওয়ামী নেতাদের উদ্দেশে বলতে চাই—বিএনপি তো গণবিরোধী অবৈধ সরকারের পতনের জন্য প্রকাশ্যে প্রশস্ত রাজপথেই আন্দোলন করছে। ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস ও প্রশাসনকে কবজায় নিয়ে ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে জনগণকে দুঃসহ জীবনযাপনে বাধ্য করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ধরে রেখেছে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী।’
আওয়ামী লীগ এখন জনগণের কাছে ভয়াবহ আতঙ্কের নাম উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এখন দুর্নীতির জয়জয়কার, রাজরোষে বিরোধী মত ও ব্যক্তিরা কারাগারে, নারকীয় উল্লাসে চলছে গুম-খুন-ক্রসফায়ার, ক্ষমতাসীনদের আশকারায় পৈশাচিক আনন্দে নারী-শিশু নির্যাতনের হিড়িক চলছে, বিচার বিভাগকে করা হয়েছে সরকারের হাতের খেলনা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শুধু সরকার ও সরকারপ্রধানের নিজস্ব বরকন্দজে পরিণত করা হয়েছে।’
জনগণের মধ্যে এখন ক্রোধ বহ্নি দাউ দাউ করে জ্বলছে জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক বলেন, ‘ইতিহাসে প্রমাণিত যে অবৈধ শাসনের অবসান ঘটাতে জনগণের আন্দোলন ও প্রতিজ্ঞা কখনোই নিষ্ফল হয়নি। অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী নেতা-মন্ত্রীরা এখন মাঝেমধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখে লাফ দিয়ে ওঠে এবং আবোল-তাবোল বকছেন।’
আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যই হচ্ছে, গণতন্ত্র ও জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার নিজের গর্ত নিজেই খুঁড়ছে। এই সরকার বেশি দিন টিকে থাকবে না। পৃথিবীতে কোনো ফ্যাসিবাদ টিকে থাকেনি। এই নির্দয় ফ্যাসিবাদী সরকারও টিকবে না। জবরদস্তি করে জনগণের ঘাড়ে চেপে বসে থাকার দিন অচিরেই শেষ হবে।’ এ সময় তিনি মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং গ্রেপ্তারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান জানান।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভীষণ অসুস্থ জানিয়ে প্রিন্স বলেন, ‘তাঁকে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতালে সুচিকিৎসা প্রদানের জন্য আমাদের দাবি উপেক্ষা করে সরকার তাঁর প্রতি অমানবিক আচরণ করছে। আমরা আবারও রিজভীকে অবিলম্বে কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা প্রদান করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর আহ্বান জানাচ্ছি। অবিলম্বে অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা এ বি এম মোশাররফ, ভিপি জয়নাল আবেদীন, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে এই প্রথমবার ঢাকার বাইরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসেছেন হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহ পরাণের (রহ.) পূণ্যভূমি সিলেটে। বিএনপির নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিকতারও শুরু এই সফরের মধ্য দিয়েই।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় রাজনীতিতে নতুন শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে প্রার্থী। কিন্তু এরপরও সাতটি আসনে প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন জামায়াতসহ জোটের...
৬ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ের একটি গলি। শীতের দুপুরের হালকা রোদ। গলির এক পাশে ডাব বিক্রির একটি ভ্যান। ক্রেতা খুব একটা নেই। নরম রোদে শীত পোহাচ্ছিলেন ডাবওয়ালা ও তাঁর বন্ধু। এই প্রতিবেদক এগিয়ে গেলেও নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে প্রথমে তাঁরা খুব একটা ইচ্ছুক ছিলেন না। খানিক কুশল বিনিময়ে বরফ গলে।
৭ ঘণ্টা আগে
সিলেটে পৌঁছে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত ও সেখানে নফল নামাজ পড়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে সেখানে যান। পরে তিনি ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে রওনা করেন।
৯ ঘণ্টা আগে