নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পেছনে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে কি না, এই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা কি তবে ধরে নেব, যারা বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে, প্রশাসনের কোনো প্রশ্রয় আছে।’
আজ শনিবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তারেক রহমান এ কথা বলেন।
ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়নি মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ৮-৯ মাস আগেই বলেছি, অদৃশ্য শত্রু আছে। ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে সেই অদৃশ্য শত্রু। আজকে আমাদের দেখতে হবে, কারা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে দাঁড়ায়। আমাদের সত্যিকারভাবে খুঁজে বের করতে হবে কারা বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আজ, গতকাল, গত পরশু বা ৫০ বছর আগে বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং কারা নেয়নি, এ বিষয়গুলো আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।’
এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘সরকারকে আমরা বারবার বলেছি, অন্যায়কারী যে-ই হোক, আমরা প্রশ্রয় দেব না। তাদের (সরকার) দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের জানমালের হেফাজত করা। সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন, তারা কেন প্রশ্রয় দিচ্ছে।’
মিটফোর্ডের ঘটনার উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আশ্চর্যের সঙ্গে লক্ষ করেছি, যাকে আমরা স্ক্রিনে দেখেছি, যে হত্যা করছে, তাকে কেন সরকার এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেনি। আমরা কি তবে ধরে নেব, যারা বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে, প্রশাসনের কোনো প্রশ্রয় আছে।’
তিনি বলেন, ‘যে অন্যায় করবে, সে অন্যায়কারী, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে দেশের প্রচলিত আইনে। অন্যায়কারী কোন দলের লোক হতে পারে না। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কিছু হচ্ছে। আমরা খেয়াল করছি, কারা একটি সুস্থ পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়।’
আরও খবর পড়ুন:

বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পেছনে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে কি না, এই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা কি তবে ধরে নেব, যারা বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে, প্রশাসনের কোনো প্রশ্রয় আছে।’
আজ শনিবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তারেক রহমান এ কথা বলেন।
ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়নি মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ৮-৯ মাস আগেই বলেছি, অদৃশ্য শত্রু আছে। ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে সেই অদৃশ্য শত্রু। আজকে আমাদের দেখতে হবে, কারা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে দাঁড়ায়। আমাদের সত্যিকারভাবে খুঁজে বের করতে হবে কারা বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আজ, গতকাল, গত পরশু বা ৫০ বছর আগে বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং কারা নেয়নি, এ বিষয়গুলো আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।’
এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘সরকারকে আমরা বারবার বলেছি, অন্যায়কারী যে-ই হোক, আমরা প্রশ্রয় দেব না। তাদের (সরকার) দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের জানমালের হেফাজত করা। সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন, তারা কেন প্রশ্রয় দিচ্ছে।’
মিটফোর্ডের ঘটনার উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আশ্চর্যের সঙ্গে লক্ষ করেছি, যাকে আমরা স্ক্রিনে দেখেছি, যে হত্যা করছে, তাকে কেন সরকার এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেনি। আমরা কি তবে ধরে নেব, যারা বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে, প্রশাসনের কোনো প্রশ্রয় আছে।’
তিনি বলেন, ‘যে অন্যায় করবে, সে অন্যায়কারী, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে দেশের প্রচলিত আইনে। অন্যায়কারী কোন দলের লোক হতে পারে না। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কিছু হচ্ছে। আমরা খেয়াল করছি, কারা একটি সুস্থ পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়।’
আরও খবর পড়ুন:

কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র বলেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মীয় অনুভূতির ক্রমাগত অপব্যবহার চালিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা গণমাধ্যমে দেখলাম, তাদের মার্কায় ভোট দিতে পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে শপথ করানো হচ্ছে,
১৫ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
৩ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
৪ ঘণ্টা আগে