
সরকারের মন্ত্রী পর্যায় থেকে কিছু ‘কাঁচা’ কথাবার্তা সমাজকে অস্থির করে তুলছে এবং অপরাধকে উসকে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে সরকার দলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তি, এমনকি মন্ত্রী পর্যায় থেকে এমন কিছু কাঁচা কথাবার্তা বলেছেন, যেটা সমাজকে এখন অস্থির করে তুলছে এবং অপরাধকে উসকে দিচ্ছে। এই সমস্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ডকারখানা চলতে থাকলে এই দেশ ভালোর দিকে যাবে কীভাবে?
আজ শুক্রবার সিলেট নগরীর কুদরত উল্লাহ মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। গত কয়েক দিন ধরে দেশে কিছু বিদ্যমান সমস্যা দেখা যাচ্ছে। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দারুণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানান তিনি।
প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করব, এদিকে সরকার যেন যথাযথ মনোযোগ দেয়। বিশেষ করে সরকারদলীয় কেউ যেন এই অপরাধীদের পাশে না দাঁড়ায়। যদি অপরাধীদের পাশে সরকারি দলের লোকেরা দাঁড়ানো শুরু করেন, তাহলে এই সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা একেবারেই অসম্ভব। তারা যদি সদিচ্ছার পরিচয় দিতে পারেন, সমাজটা ভালো হবে।’
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে এখনো দলীয় ফোরামে সে রকম কিছু বা বড় পরিসরে আলোচনা করি নাই। আমরা সবগুলা বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করে যেটা দেশের জন্য কল্যাণকর হবে, মঙ্গলজনক হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেব।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকার যদি কোনো ভালো কাজ করে উদ্যোগ নেয়, অবশ্যই আমাদের সমর্থন পাবে। কিন্তু সরকার যদি জনগণের ক্ষতি করে, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং আল্লাহর দ্বীনেরও কোনো ব্যাপারে যদি সরকার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যায়, আমরা সেখানে ছাড় দিয়ে কথা বলব না।’

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির লড়াই আমরা চালিয়ে যাব, কেউ থামাতে পারবে না।’
২ ঘণ্টা আগে
গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতিতে মানুষ একটি পরিবর্তন চায় বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
৩ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘কারা এখন সেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পরিবারকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে? এরা কারা এবং তাদের উদ্দেশ্য কী—জনগণের কাছে আজ তা স্পষ্ট।’
৭ ঘণ্টা আগে
গতকাল ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের মতো অত্যন্ত রাষ্ট্রীয়-সংবেদনশীল, কুশলী ও বিশেষায়িত দক্ষতা নির্ভর পদে যে প্রক্রিয়ায় কর্মরত গভর্নরকে সরিয়ে একজন পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী ও রাজনীতিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাতে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)।
১৯ ঘণ্টা আগে