নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। এ নিয়ে জাতীয় সংসদে কয়েকবার বক্তব্যও দিয়েছে দলটির সংসদ সদস্যরা। রাজপথে নিয়মিত কর্মসূচি পালন করে আসছেন তাঁরা। দলটির দাবি খালেদা জিয়া সরকারের হেফাজতে রয়েছে। তবে তাঁদের এ দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
আজ রোববার সংসদে সংসদে একটি আইন পাসের সময় যাচাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বিলটির ওপর আলোচনাকালে বিএনপির এমপিরা অভিযোগ করেন খালেদা জিয়ার বাসাকে সাব জেল বানিয়ে সেখানে রাখা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, 'খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্ত দেওয়া হয়েছে। তিনি দুটো শর্তে সম্পূর্ণ মুক্ত। উনি আমাদের হেফাজতে নাই। উনি সরকারের হেফাজতে নাই। মুক্ত বলে তিনি মুক্তভাবে বাসায় থাকতে পারছেন। মুক্ত আছেন বলেই তিনি মুক্তভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন।'
খালেদা জিয়ার বাসাকে সাব জেল বানানোর দাবি অস্বীকার করে আইনমন্ত্রী বলেন, 'তাঁরা কেবল বলেন সাব জেল বানিয়ে রাখা হয়েছে। ওনার বাসাটাকে কোন জেলই বানানো হয়নি। তাঁদের (বিএনপির) তথ্যেই এতই বিভ্রাট তা বুঝতে পারি না। এতই যদি ভালোবাসা থাকে তাহলে তো তথ্যটি জেনে এখানে কথা বলতে পারেন। এত সুপারফিসিয়ালী কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তাঁকে (বেগম জিয়াকে) ৬ মাস করে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত। সেখানে দুটো শর্ত যুক্ত ছিল, সেটা এখনো আছে। মুক্ত বলে তিনি মুক্তভাবে বাসায় থাকতে পারছেন। মুক্ত আছেন বলেই তিনি মুক্তভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন।'
' ৪০১ ধারায় যাকে মুক্তি দেওয়া হবে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না, এমন কোন কথা নেই। কিন্তু কথা আছে শর্তযুক্ত অথবা শর্ত মুক্ত। আমরা সেখানে বলেছি তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না বাংলাদেশে থেকে চিকিৎসা নেবেন। তিনি অবশ্যই মুক্ত। অবশ্যই মুক্ত। তিনি আমাদের কাস্টডিতে নাই। তিনি সরকারের কাস্টডিতে নাই। তিনি এখানকার যেখানে ইচ্ছা সেখানেই চিকিৎসা নিতে পারেন এবং সেটা তিনি নিচ্ছেন। বিএনপির সংসদ সদস্যরা বলছেন তাঁদের নেত্রী কাস্টডিতে। তিনি কাস্টডিতে নাই। শি ইজ ফ্রি অ্যান্ড শি ইজ টেকিং ট্রিটমেন্ট অ্যাকোর্ডিং টু হার উইল।'
তিনি বলেন, আমি বলেছি একটা বিষয় সিদ্ধান্ত হলে সেখানে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। এটা চাইলে তাঁকে অরিজিনাল প্রিজনে যেতে হবে। তারপর নতুন সিদ্ধান্ত হয়তো নেওয়া যাবে। ৪০১ ধারার বিষয়ে বিএনপি থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে আমার তার সঙ্গে দ্বিমত আছে। আমি আমার অবস্থান থেকে নড়ব না।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। এ নিয়ে জাতীয় সংসদে কয়েকবার বক্তব্যও দিয়েছে দলটির সংসদ সদস্যরা। রাজপথে নিয়মিত কর্মসূচি পালন করে আসছেন তাঁরা। দলটির দাবি খালেদা জিয়া সরকারের হেফাজতে রয়েছে। তবে তাঁদের এ দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
আজ রোববার সংসদে সংসদে একটি আইন পাসের সময় যাচাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বিলটির ওপর আলোচনাকালে বিএনপির এমপিরা অভিযোগ করেন খালেদা জিয়ার বাসাকে সাব জেল বানিয়ে সেখানে রাখা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, 'খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্ত দেওয়া হয়েছে। তিনি দুটো শর্তে সম্পূর্ণ মুক্ত। উনি আমাদের হেফাজতে নাই। উনি সরকারের হেফাজতে নাই। মুক্ত বলে তিনি মুক্তভাবে বাসায় থাকতে পারছেন। মুক্ত আছেন বলেই তিনি মুক্তভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন।'
খালেদা জিয়ার বাসাকে সাব জেল বানানোর দাবি অস্বীকার করে আইনমন্ত্রী বলেন, 'তাঁরা কেবল বলেন সাব জেল বানিয়ে রাখা হয়েছে। ওনার বাসাটাকে কোন জেলই বানানো হয়নি। তাঁদের (বিএনপির) তথ্যেই এতই বিভ্রাট তা বুঝতে পারি না। এতই যদি ভালোবাসা থাকে তাহলে তো তথ্যটি জেনে এখানে কথা বলতে পারেন। এত সুপারফিসিয়ালী কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তাঁকে (বেগম জিয়াকে) ৬ মাস করে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত। সেখানে দুটো শর্ত যুক্ত ছিল, সেটা এখনো আছে। মুক্ত বলে তিনি মুক্তভাবে বাসায় থাকতে পারছেন। মুক্ত আছেন বলেই তিনি মুক্তভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন।'
' ৪০১ ধারায় যাকে মুক্তি দেওয়া হবে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না, এমন কোন কথা নেই। কিন্তু কথা আছে শর্তযুক্ত অথবা শর্ত মুক্ত। আমরা সেখানে বলেছি তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না বাংলাদেশে থেকে চিকিৎসা নেবেন। তিনি অবশ্যই মুক্ত। অবশ্যই মুক্ত। তিনি আমাদের কাস্টডিতে নাই। তিনি সরকারের কাস্টডিতে নাই। তিনি এখানকার যেখানে ইচ্ছা সেখানেই চিকিৎসা নিতে পারেন এবং সেটা তিনি নিচ্ছেন। বিএনপির সংসদ সদস্যরা বলছেন তাঁদের নেত্রী কাস্টডিতে। তিনি কাস্টডিতে নাই। শি ইজ ফ্রি অ্যান্ড শি ইজ টেকিং ট্রিটমেন্ট অ্যাকোর্ডিং টু হার উইল।'
তিনি বলেন, আমি বলেছি একটা বিষয় সিদ্ধান্ত হলে সেখানে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। এটা চাইলে তাঁকে অরিজিনাল প্রিজনে যেতে হবে। তারপর নতুন সিদ্ধান্ত হয়তো নেওয়া যাবে। ৪০১ ধারার বিষয়ে বিএনপি থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে আমার তার সঙ্গে দ্বিমত আছে। আমি আমার অবস্থান থেকে নড়ব না।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। আজ সকাল থেকেই রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে বৈঠক করছেন ইসলামী আন্দোলন ছাড়া অন্য দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
৬ মিনিট আগে
দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৫ ঘণ্টা আগে