
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁর মতিঝিলের অফিসের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভেরিফায়েড প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।
ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে মতিঝিলের হোটেল পারাবাতের গ্যারেজের অস্থায়ী অফিস কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সকল সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এখন থেকে রূপায়ণ টাওয়ারের ১৫ তলায় পরিচালিত হবে। ঢাকা-৮ এর সর্বস্তরের জনগণ এবং বাংলাদেশের সকল ভালোবাসার মানুষকে নতুন অফিসে যোগাযোগ করার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানানো যাচ্ছে। আমাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে, জনগণের আস্থা, রাজনৈতিক শালীনতা, নিরাপত্তা ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে।’
যোগাযোগের জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর শেয়ার করেছেন নাসীরুদ্দীন। পাশাপাশি সতর্ক করে তিনি লিখেছেন, ‘কেউ যদি পূর্ববর্তী স্থানে গিয়ে কোনো ধরনের নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, হামলা, মামলা বা ক্ষতির সম্মুখীন হন, তার জন্য ব্যক্তি নিজেই সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকবেন। সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে, নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিন।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-৮ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ছিলেন। সে সময় হোটেল পারাবতের নিচের গ্যারেজে নির্বাচনী অফিসের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন তিনি। জুলাই আন্দোলন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দেয়ালচিত্র দিয়ে অফিসটি সাজানো হয়েছিল।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে মো. দেলাওয়ার হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।
১৮ ঘণ্টা আগে
গুম প্রতিরোধের বাতিল করা অধ্যাদেশটি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে যারা গুমের সঙ্গে জড়িত তাদের হাতে তদন্তের দায়িত্ব না দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
১৮ ঘণ্টা আগে
আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস। ওই দিন রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানে ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে তাঁর।
১ দিন আগে
শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই নৃশংসতার শিকার হয়েছেন বিরোধী দল ও মতের অসংখ্য নাগরিক। তাঁদের অনেকেই এখনো নিখোঁজ। স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন...
২ দিন আগে