
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি মনোনয়নপ্রাপ্ত মাধবী মার্মার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক সায়রা চন্দ্রা চাকমা। পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ না করেই তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন—এমন অভিযোগ তুলে আজ রোববার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর আবেদন করেন তিনি।
আপিল আবেদনা জমা দেওয়ার পর চন্দ্রা চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি চন্দ্রা চাকমা। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত নারী প্রার্থী মাধবী মার্মা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ না করে, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ব্যতীত গত ২১ এপ্রিল জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যা আইনগতভাবে অবৈধ।’
চন্দ্রা চাকমা বলেন, ‘সেজন্য আমি তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বরাবর আবেদন করেছি। আশা করি, নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয় গুরুত্বর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী আপনিও ছিলেন কি না—জানতে চাইলে চন্দ্রা চাকমা বলেন, ‘হ্যাঁ, আমিও প্রার্থী ছিলাম। বিএনপি থেকে নমিনেশন কিনেছিলাম এবং নির্বাচন কমিশন অফিস থেকেও আমি নিয়েছিলাম।’
চন্দ্রা চাকমা আরও জানান, তিনি নিজেও এই আসনের একজন প্রার্থী ছিলেন এবং বিএনপি ও নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে চন্দ্রা চাকমা বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনে সদস্যদের জনসেবক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া রয়েছে। তাঁর দাবি, সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই মাধবী মারমা প্রার্থী হয়েছেন, যা জেলা পরিষদ আইন ও নির্বাচন কমিশনের বিধান লঙ্ঘনের শামিল।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবী মার্মা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০ এপ্রিলই তিনি জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাঁর দাবি, পদত্যাগের বিষয়টি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে, ২০ এপ্রিল স্বাক্ষরিত মাধবী মার্মার পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মুহা. আবুল মনসুর। তিনি জানান, পদত্যাগপত্র সংক্রান্ত ফাইল আজ তাঁর কাছে পৌঁছেছে।

আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
‘আমরা কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা বিশ্বাস করি, একটি সহনশীল, ধৈর্যশীল ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে। আমরা এই ব্যবসা থেকে দূরে সরে আসতে চাই...
১৯ ঘণ্টা আগে
হাসনাত আবদুল্লাহ শুরুতেই লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান-পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি...
২ দিন আগে
আজ আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন যে, এই দিনে সেই নেত্রী (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছিলেন। যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে বারবার তিনি নেতৃত্ব-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন...
২ দিন আগে