দেশে যে মগের মুলুক চলছে, তা নানা ঘটনায় বোঝা যায়। আর এসব ঘটনায় জনগণকে বলির পাঁঠা বানানো হয়। গণ-অভ্যুত্থান হয়, সরকারের পতন ঘটে আবার নতুন সরকার আসে; কিন্তু জনগণের সংকটের কোনো সুরাহা হয় না। বর্তমানে সিলিন্ডার গ্যাসের মজুতের কোনো সংকট না থাকার পরও বাড়তি দামে তা খুচরা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে, কিন্তু এ নিয়ে সরকারের কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে এলপি গ্যাস কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক হয়। তাঁরা সেই বৈঠকে এলপি গ্যাসের মজুত পর্যাপ্ত থাকার কথা বলেছেন। তারপরও খুচরা বাজারে সেটা বাড়তি দামে ভোক্তাদের কিনতে হচ্ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকার ১২ কেজির সিলিন্ডার এখন কিনতে হয় ২ হাজার ৬০০ টাকা দিয়ে। সরবরাহের ঘাটতি না থাকার পরও কেন এই নৈরাজ্য চলছে, তার জবাব কে দেবে। এরপর গতকাল আবারও দাম বাড়িয়েছে সরকার। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, কোম্পানিগুলো কম সরবরাহ করছে। কোম্পানিগুলো বলছে, খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছেন। কোন পক্ষ সঠিক, তার কারণ উদ্ঘাটন করে ব্যবস্থা নেবে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। সেটি করা হয় না কোনো সরকারের সময়ে; অথচ জনগণের পকেট কাটা হচ্ছে।
এই জিম্মিদশা থেকে জনগণকে স্থায়ীভাবে রেহাই দিতে হলে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে বাজারে তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিইআরসির নির্ধারিত মূল্যের ব্যানার টাঙানো বাধ্যতামূলক করতে হবে। যেসব অসাধু ব্যবসায়ী বা পরিবেশক গুদামজাত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন, তাঁদের শুধু জরিমানা নয়, বরং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সিলগালা ও লাইসেন্স বাতিলের মতো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
কোম্পানি ও ডিলারদের মধ্যে সরবরাহে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা থাকা দরকার। শীর্ষ আমদানিকারক কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিনের আমদানি এবং ডিলার পর্যায়ে সরবরাহের সুনির্দিষ্ট তথ্য অনলাইনে ট্র্যাকিং করার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করতে হবে। ডিলার বা পরিবেশককে কতটি সিলিন্ডার কত দামে সরবরাহ করা হলো, তা ডিজিটালি তদারকি করা গেলে সরবরাহ কম থাকার অজুহাত দেখাতে পারবে না।
দেশে ৩০টি এলপিজি কোম্পানি থাকলেও মূল আমদানির বাজার নিয়ন্ত্রণ করে ছয়-সাতটি বড় প্রতিষ্ঠান। এসব কোম্পানির ওপর নির্ভরতা বাজারকে সিন্ডিকেটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই একচেটিয়া প্রভাব ভাঙতে সরকারি উদ্যোগে আমদানি বাড়ানো এবং বাজার নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করা দরকার। পাশাপাশি বিইআরসির শুধু কাগজে-কলমে দর নির্ধারণ করে বসে থাকলে চলবে না; সেই নির্ধারিত দর বাস্তবে প্রয়োগের জন্য শক্তিশালী তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে।
ব্যবসা ও মুনাফা করার স্বাধীনতা অবশ্যই থাকবে, তবে তা যেন সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদাকে জিম্মি করে করা না হয়, সেটি সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের রাজনীতি আমার পছন্দ নয়। ওনার রাজনীতির গতিপথ খুবই এলোমেলো। বিএনপি থেকে উনি দুবার এমপি হয়েছেন। আবার পাঁচবার বহিষ্কার হয়েছেন। এতবার ওনাকে দল থেকে বের করে দেওয়ার অর্থ হচ্ছে এতবার উনি দলে প্রবেশও করতে পেরেছিলেন!
২ ঘণ্টা আগে
একটি প্রচলিত কথা আছে, মোমবাতি নিজে পুড়ে অন্যকে আলো দেয়। শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও প্রবাদটি অনেকখানি সত্য। শিক্ষকেরা কোনো শিক্ষার্থীর মনে প্রশ্ন জাগিয়ে দেন, কারও ভেতরে এমন এক আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করে দেন, যা দিয়েই শিক্ষার্থীরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্রণা পেয়ে যায়।
২ ঘণ্টা আগে
আমাদের অধিকাংশের কাছেই কবির বকুল মূলত গীতিকার। তাঁর লেখা গান বাংলাদেশের জনপ্রিয় শ্রুতি-সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে; শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে ছয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তাঁর এই পরিচয়কে আরও স্পষ্ট করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
টাকা কামানো আজকাল খুব সহজ হয়ে গেছে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক—সবাই পারবেন, শুধু মাথাটা এদিক-সেদিক নাড়িয়ে নিতে হবে। এর আগে পৌঁছাতে হবে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার এক মুরগির খামারে, নয়তো ডেমাজানি ব্রিজের কাছে একটি গুদামে। সেখানে গিয়ে ফিটফাট হয়ে কয়েকটা ছবি তুলে বা ভিডিও করলে পাওয়া যায়...
১ দিন আগে