নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চাকরিচ্যুতের সময় থেকে এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ বেতন-ভাতা দেওয়া, বরখাস্ত হওয়া গ্রেপ্তার সৈনিকের মুক্তিসহ কয়েকটি দাবিতে আন্দোলনরত চাকরিচ্যুত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে সেনা সদর থেকে আসা প্রতিনিধিদল। আজ রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের ভেতরে এ বৈঠক চলে।
এর আগে চাকরিচ্যুত সেনাসদস্যরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সেখানে দাবি জানিয়ে তাঁরা আলটিমেটাম দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেনা সদর থেকে কেউ আলাপের জন্য না এলে জাহাংগীর গেটের উদ্দেশে লংমার্চ করবেন। বাংলাদেশ সহযোদ্ধা প্ল্যাটফর্মের (বিসিপি) আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
বেলা ২টার পর সেনা সদর থেকে একটি প্রতিনিধিদল বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম।
তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—চাকরিচ্যুতের সময় থেকে অদ্যাবধি সম্পূর্ণ বেতন-ভাতা, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরি পুনর্বহাল; কাউকে পুনর্বহাল করা সম্ভব না হলে সরকারি সব সুযোগ-সুবিধাসহ সম্পূর্ণ পেনশনের আওতায় আনা; যে আইনি কাঠামো ও বিচারব্যবস্থার প্রয়োগে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, সেই বিচারব্যবস্থা ও সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৪৫ সংশোধন করা।
এ ছাড়া গতকাল শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ‘বড়ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা’র অভিযোগে আট বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত সৈনিক নাইমুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। গ্রেপ্তার হওয়া চাকরিচ্যুত সেনাদের মুখ্য সমন্বয় নাইমুল ইসলামকে মুক্তির দাবিও তোলেন বিক্ষোভকারীরা।
অবস্থান কর্মসূচিতে চাকরিচ্যুত সৈনিক মো. রিপন হোসেন বলেন, ‘তিন বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ৬০০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক পেনশনে পাঠানো হয়েছে অনেককে। কোর্ট মার্শাল করে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি আমরা মানি না।’
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শৃঙ্খলা-পরিপন্থী বিভিন্ন কাজে জড়ানোর অভিযোগে সশস্ত্র বাহিনীর বেশ কিছু সদস্যকে চাকরিচ্যুত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
আরও খবর পড়ুন:

চাকরিচ্যুতের সময় থেকে এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ বেতন-ভাতা দেওয়া, বরখাস্ত হওয়া গ্রেপ্তার সৈনিকের মুক্তিসহ কয়েকটি দাবিতে আন্দোলনরত চাকরিচ্যুত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে সেনা সদর থেকে আসা প্রতিনিধিদল। আজ রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের ভেতরে এ বৈঠক চলে।
এর আগে চাকরিচ্যুত সেনাসদস্যরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সেখানে দাবি জানিয়ে তাঁরা আলটিমেটাম দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেনা সদর থেকে কেউ আলাপের জন্য না এলে জাহাংগীর গেটের উদ্দেশে লংমার্চ করবেন। বাংলাদেশ সহযোদ্ধা প্ল্যাটফর্মের (বিসিপি) আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
বেলা ২টার পর সেনা সদর থেকে একটি প্রতিনিধিদল বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম।
তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—চাকরিচ্যুতের সময় থেকে অদ্যাবধি সম্পূর্ণ বেতন-ভাতা, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরি পুনর্বহাল; কাউকে পুনর্বহাল করা সম্ভব না হলে সরকারি সব সুযোগ-সুবিধাসহ সম্পূর্ণ পেনশনের আওতায় আনা; যে আইনি কাঠামো ও বিচারব্যবস্থার প্রয়োগে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, সেই বিচারব্যবস্থা ও সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৪৫ সংশোধন করা।
এ ছাড়া গতকাল শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ‘বড়ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা’র অভিযোগে আট বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত সৈনিক নাইমুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। গ্রেপ্তার হওয়া চাকরিচ্যুত সেনাদের মুখ্য সমন্বয় নাইমুল ইসলামকে মুক্তির দাবিও তোলেন বিক্ষোভকারীরা।
অবস্থান কর্মসূচিতে চাকরিচ্যুত সৈনিক মো. রিপন হোসেন বলেন, ‘তিন বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ৬০০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক পেনশনে পাঠানো হয়েছে অনেককে। কোর্ট মার্শাল করে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি আমরা মানি না।’
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শৃঙ্খলা-পরিপন্থী বিভিন্ন কাজে জড়ানোর অভিযোগে সশস্ত্র বাহিনীর বেশ কিছু সদস্যকে চাকরিচ্যুত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
আরও খবর পড়ুন:

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
৬ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
৬ ঘণ্টা আগে