
যন্ত্রপাতি লুটপাট, বাংলাদেশি ও ভারতীয় কর্মচারীদের মধ্যে বেতনবৈষম্যসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বাগেরহাটে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দল। অভিযান চলাকালে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দলটি।
আজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাসস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার বাগেরহাট দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে দলটি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যালয়ে অভিযান চালায়।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সাইদুর রহমান বলেন, ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাংলাদেশি ও ভারতীয় কর্মচারীদের মধ্যে বেতনবৈষম্য, কর অব্যাহতি, কয়লা কেনায় অনিয়ম, যন্ত্রপাতি লুটপাটসহ অন্য অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে।
‘আমরা সব প্রমাণ সংগ্রহ করেছি। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সেগুলো পাঠানো হবে। নির্দেশনা পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জাতীয় তাপবিদ্যুৎ করপোরেশন (এনটিপিসি) ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) সমান অংশীদারত্বের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) প্রতিষ্ঠা করেছে।

পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুরের বৈঠকে এ আলোচনা হয়।
১৫ মিনিট আগে
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, মামলার মুখে পড়া সাংবাদিক পরিচয়ের অনেকেই আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে মানুষের ওপর নির্যাতনে জড়িত ছিলেন এবং রক্ষা পেতে ভুঁইফোড় গণমাধ্যমের পরিচয় ব্যবহার করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের নামে হওয়া বিভিন্ন মামলা প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ফায়ার সার্ভিসকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে যুগোপযোগী করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সারা দেশে মাত্র ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশন যথেষ্ট নয়। দেশে অগ্নিনির্বাপণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসকে আধুনিকায়ন করে যুগোপযোগী করতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার জন্য মানব পাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন। তাঁদের অনেকে লিবিয়ায় বিভিন্ন সময় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে