নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে এবার পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট সম্মেলন কেন্দ্রে আজ সোমবার দুপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ তথ্য জানান। এর আগে বেলা ১১টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফল হস্তান্তর করেন তিনি।
গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯৩.৫৮ শতাংশ। এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬ জন; যাদের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন জিপিএ-৫ পায়।
এবার সাধারণ নয়টি শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮৮.১০ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৭ জন । জিপিএ-৫ পেয়েছে ২লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৮২. ২২ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৬০ হাজার ১৩২ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ১৫ হাজার ৪৫৭ জন।
আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ৮৯. ৫৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ১৮ হাজার ৬৫৫ জন।
সাধারণত এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পিছিয়ে যাওয়া এ পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলেটসহ কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে গত ১৭ জুন পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
এরপর প্রায় তিন মাস পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন। ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এ পরীক্ষা। এতে অংশ নেয় ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় পুনর্বিন্যস্ত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে এবার পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট সম্মেলন কেন্দ্রে আজ সোমবার দুপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ তথ্য জানান। এর আগে বেলা ১১টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফল হস্তান্তর করেন তিনি।
গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯৩.৫৮ শতাংশ। এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬ জন; যাদের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন জিপিএ-৫ পায়।
এবার সাধারণ নয়টি শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮৮.১০ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৭ জন । জিপিএ-৫ পেয়েছে ২লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৮২. ২২ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৬০ হাজার ১৩২ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ১৫ হাজার ৪৫৭ জন।
আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ৮৯. ৫৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ১৮ হাজার ৬৫৫ জন।
সাধারণত এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পিছিয়ে যাওয়া এ পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলেটসহ কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে গত ১৭ জুন পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
এরপর প্রায় তিন মাস পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন। ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এ পরীক্ষা। এতে অংশ নেয় ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় পুনর্বিন্যস্ত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
৯ ঘণ্টা আগে