
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) বেলা ৩টায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ও গণভোটবিষয়ক জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক ও বিভাগীয় কমিশনাররা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভাগীয় কমিশনারদের সহায়তায় প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের সচেতনতামূলক সভা আয়োজন করা হবে। এসব সভায় সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসকসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।
কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত ধারণা ও প্রস্তুতির ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ ভোটারদের গণভোট সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন এবং তাঁদের মধ্যে প্রয়োজনীয় লিফলেট বিতরণ করবেন।
সাধারণ ভোটারদের কাছে গণভোটের তথ্য আরও সহজভাবে পৌঁছে দিতে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ধর্মীয় নেতাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরে তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।
আজকের সভায় উপস্থিত সচিবরা গণভোটের জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমে নিজ নিজ দপ্তরের কাজের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন। বিস্তারিত আলোচনার পর মাঠপর্যায়ে প্রচার কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে