নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভারত সফর নিয়ে আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় লিখিত বক্তব্যের পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। তিস্তা ও গঙ্গা চুক্তি নবায়ন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিস্তার বিষয়ে আমরা প্রজেক্ট নিচ্ছি। নদীতে ড্রেজিং করা, পাঁড় বাধানো, পানি সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হবে। ওই সময় ওই চুক্তি যদি নবায়ন না-ও হয়, তাহলেও চুক্তি কিন্তু অব্যাহত থাকবে।’
মমতা ব্যানার্জি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি, একটি টেকনিক্যাল গ্রুপ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এটা বলেছেন। মমতা ব্যানার্জির ক্ষোভ যে, ওনার সঙ্গে আলোচনা করে এটা করা হয়নি। উনি তো ছিলেন না দিল্লিতে। আমি নিজেই ওনার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু উনি ছিলেন না। উনি থাকলে নিশ্চয়ই ওনাকে নিয়েই আলোচনা করতাম। অন্তত আমি করতাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে যে ফোন নম্বর ছিল...ওনার (মমতা ব্যানার্জি) একটা মোবাইল নম্বর ছিল। নির্বাচনে যখন বিজয়ী হয়েছিলেন তখনো চেষ্টা করেছিলাম, তখন শুনেছিলাম—এখন আর মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কথা হলো, কাউকে বাদ দিয়ে হবে না। টেকনিক্যাল গ্রুপ আসবে, আলোচনা করবে, কথা বলবে, তারপর সমঝোতা হবে। মমতা ব্যানার্জি চিঠি লিখেছেন ওনার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে। এটা তাঁদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এখানে আমার তো কিছু বলার নেই। এ ব্যাপারে আমার কোনো নাক গলানোর দরকারও নেই। আমার সঙ্গে সবার সম্পর্ক ভালো। একটা কথা বলতে পারি, ভারতের দলমত-নির্বিশেষে সবার সঙ্গে আমার একটা সুসম্পর্ক আছে।’
তিস্তা প্রকল্প প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিস্তা প্রকল্প করার জন্য ভারত সহযোগিতা করবে। আমাদের যৌথ কমিটি হবে। কীভাবে তিস্তা...এটা শুধু পানি ভাগাভাগির বিষয় না। গোটা তিস্তা নদীটাকে পুনরুজ্জীবিত করে, উত্তরাঞ্চলে সেচের ব্যবস্থা করা। যাতে অধিক ফসল হয় নেভিগেশনের ব্যবস্থা করা, সেটাই আমরা করব। এটাই সিদ্ধান্ত। গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নের জন্য আলোচনা হবে। তাদের টেকনিক্যাল গ্রুপ আসবে, দেখবে এবং এটা হবে।’

ভারত সফর নিয়ে আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় লিখিত বক্তব্যের পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। তিস্তা ও গঙ্গা চুক্তি নবায়ন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিস্তার বিষয়ে আমরা প্রজেক্ট নিচ্ছি। নদীতে ড্রেজিং করা, পাঁড় বাধানো, পানি সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হবে। ওই সময় ওই চুক্তি যদি নবায়ন না-ও হয়, তাহলেও চুক্তি কিন্তু অব্যাহত থাকবে।’
মমতা ব্যানার্জি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি, একটি টেকনিক্যাল গ্রুপ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এটা বলেছেন। মমতা ব্যানার্জির ক্ষোভ যে, ওনার সঙ্গে আলোচনা করে এটা করা হয়নি। উনি তো ছিলেন না দিল্লিতে। আমি নিজেই ওনার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু উনি ছিলেন না। উনি থাকলে নিশ্চয়ই ওনাকে নিয়েই আলোচনা করতাম। অন্তত আমি করতাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে যে ফোন নম্বর ছিল...ওনার (মমতা ব্যানার্জি) একটা মোবাইল নম্বর ছিল। নির্বাচনে যখন বিজয়ী হয়েছিলেন তখনো চেষ্টা করেছিলাম, তখন শুনেছিলাম—এখন আর মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কথা হলো, কাউকে বাদ দিয়ে হবে না। টেকনিক্যাল গ্রুপ আসবে, আলোচনা করবে, কথা বলবে, তারপর সমঝোতা হবে। মমতা ব্যানার্জি চিঠি লিখেছেন ওনার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে। এটা তাঁদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এখানে আমার তো কিছু বলার নেই। এ ব্যাপারে আমার কোনো নাক গলানোর দরকারও নেই। আমার সঙ্গে সবার সম্পর্ক ভালো। একটা কথা বলতে পারি, ভারতের দলমত-নির্বিশেষে সবার সঙ্গে আমার একটা সুসম্পর্ক আছে।’
তিস্তা প্রকল্প প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিস্তা প্রকল্প করার জন্য ভারত সহযোগিতা করবে। আমাদের যৌথ কমিটি হবে। কীভাবে তিস্তা...এটা শুধু পানি ভাগাভাগির বিষয় না। গোটা তিস্তা নদীটাকে পুনরুজ্জীবিত করে, উত্তরাঞ্চলে সেচের ব্যবস্থা করা। যাতে অধিক ফসল হয় নেভিগেশনের ব্যবস্থা করা, সেটাই আমরা করব। এটাই সিদ্ধান্ত। গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নের জন্য আলোচনা হবে। তাদের টেকনিক্যাল গ্রুপ আসবে, দেখবে এবং এটা হবে।’

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেন।
১৩ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
৩ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে