নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আজ পয়লা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। তবলা ও সারেঙ্গি বাজিয়ে আহির ভৈরব সুরে নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩০ বরণ করে নেওয়া হয়। বছরের প্রথম সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩০ বরণ করে নেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে ছায়ানট। সুরের মূর্ছনায় বিগলিত হতে থাকে রমনার বটমূল ও সকালের পরিবেশ।
এরপর সম্মিলিত কণ্ঠে ‘ধ্বনিল আহ্বান মধুর গম্ভীর’ গেয়ে ওঠেন ছায়ানটের শিল্পীরা। এরপর একক গান, আবৃত্তি মিলিয়ে মোট ২৭টি পরিবেশনা উপস্থাপিত হয়। সর্বশেষ জাতীয় সংগীত দিয়ে শেষ হয় এ বছরের আয়োজন।
ভোর সোয়া ৬টায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় দর্শনার্থীরা বুকে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে যান যে যাঁর অবস্থান থেকে। ঠোঁট মিলিয়ে গাইতে থাকেন ‘আমার সোনার বাংলা-আমি তোমায় ভালোবাসি’।
সকাল থেকেই বৈশাখী সাজে রমনায় আসতে থাকেন নানা বয়সী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। বাংলা নতুন বছর আর বাঙালিয়ানা নিয়ে নানা কথা বলেন তাঁরা। পুরো পরিবার নিয়ে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উপভোগ করতে এসেছেন অনেকেই। তাঁদের একজন রিতা হক। হাতে ছোট তালপাতার পাখায় বাতাস করতে করতে তিনি বলেন, ‘সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমরা বাংলাদেশি, বাঙালি। আমাদের আছে নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা, কৃষ্টি। সেগুলো আমরা যেকোনো উপলক্ষেই প্রাণভরে উপভোগ ও উদ্যাপন করতে চাই। সেটা যদি হয় নববর্ষের দিন, তাহলে তো কথাই নেই।’
ষাটোর্ধ্ব তসলিম শেখ মাথায় গামছা বেঁধে হাতে ছোট একতারা নিয়ে ছায়ানটের প্রতিটি পরিবেশনার সঙ্গে মৃদু তালে নেচেই চলেছেন। নববর্ষে তাঁর অনুভূতি জানতে চাইলে একগাল হেসে বলেন, ‘একতারায় আমাদের প্রাণের সুর বাজে।’
এ ছাড়া ছায়ানটের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রধান গোলাম ফারুকসহ আরও অনেকেই।

আজ পয়লা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। তবলা ও সারেঙ্গি বাজিয়ে আহির ভৈরব সুরে নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩০ বরণ করে নেওয়া হয়। বছরের প্রথম সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩০ বরণ করে নেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে ছায়ানট। সুরের মূর্ছনায় বিগলিত হতে থাকে রমনার বটমূল ও সকালের পরিবেশ।
এরপর সম্মিলিত কণ্ঠে ‘ধ্বনিল আহ্বান মধুর গম্ভীর’ গেয়ে ওঠেন ছায়ানটের শিল্পীরা। এরপর একক গান, আবৃত্তি মিলিয়ে মোট ২৭টি পরিবেশনা উপস্থাপিত হয়। সর্বশেষ জাতীয় সংগীত দিয়ে শেষ হয় এ বছরের আয়োজন।
ভোর সোয়া ৬টায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় দর্শনার্থীরা বুকে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে যান যে যাঁর অবস্থান থেকে। ঠোঁট মিলিয়ে গাইতে থাকেন ‘আমার সোনার বাংলা-আমি তোমায় ভালোবাসি’।
সকাল থেকেই বৈশাখী সাজে রমনায় আসতে থাকেন নানা বয়সী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। বাংলা নতুন বছর আর বাঙালিয়ানা নিয়ে নানা কথা বলেন তাঁরা। পুরো পরিবার নিয়ে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উপভোগ করতে এসেছেন অনেকেই। তাঁদের একজন রিতা হক। হাতে ছোট তালপাতার পাখায় বাতাস করতে করতে তিনি বলেন, ‘সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমরা বাংলাদেশি, বাঙালি। আমাদের আছে নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা, কৃষ্টি। সেগুলো আমরা যেকোনো উপলক্ষেই প্রাণভরে উপভোগ ও উদ্যাপন করতে চাই। সেটা যদি হয় নববর্ষের দিন, তাহলে তো কথাই নেই।’
ষাটোর্ধ্ব তসলিম শেখ মাথায় গামছা বেঁধে হাতে ছোট একতারা নিয়ে ছায়ানটের প্রতিটি পরিবেশনার সঙ্গে মৃদু তালে নেচেই চলেছেন। নববর্ষে তাঁর অনুভূতি জানতে চাইলে একগাল হেসে বলেন, ‘একতারায় আমাদের প্রাণের সুর বাজে।’
এ ছাড়া ছায়ানটের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রধান গোলাম ফারুকসহ আরও অনেকেই।

দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত সরকার এলেই সাংবাদিকেরা সব পেয়ে যাবেন, এমন ভাবার কারণ নেই। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এসব কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে আক্রমণ বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
২ ঘণ্টা আগে
মতপ্রকাশ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সংগঠিত হামলার প্রতিবাদে এবং সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জানাতে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে শুরু হয়েছে গণমাধ্যম সম্মিলন-২০২৬।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘গণমাধ্যম সম্মিলন ২০২৬’। নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত এই সম্মিলনটি কেবল সাংবাদিকদের একটি সমাবেশ নয়, বরং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার বৃহত্তর লড়াই।
৩ ঘণ্টা আগে