
পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল অসিম মালিকের ঢাকা সফরের খবরটি ভুয়া বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্ট নামের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এমনটি জানানো হয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আইএসআই প্রধান বাংলাদেশ সফর করেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে, তা সত্য নয়।
এর আগে বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে অসিম মালিকের ঢাকা সফরের খবর প্রচার করা হয়। কথিত নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মালিকের বাংলাদেশ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্যবিনিময়ের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা। তবে নয়াদিল্লি অভিযোগ করেছে, এই সফরের ফলে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বাড়তে পারে, যা ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
জেনারেল মালিক গত মঙ্গলবার দুবাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে শীতল হলেও, সম্প্রতি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা উন্নত হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, উভয় দেশে ক্রমবর্ধমান ভারতবিরোধী মনোভাব এই সম্পর্কোন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে।
এর আগে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) ও সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান ইসলামাবাদ সফর করেন। সফরকালে তিনি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ অসিম মুনির এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয় বলে পাকিস্তানের আইএসপিআর জানায়।
সেই বৈঠকে দুই জেনারেল একটি ‘শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সম্পর্ক’ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তাঁরা বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে অংশীদারত্বকে বাইরের প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি। তবে বিবৃতিতে ভারতের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ গত ডিসেম্বরে মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট ডি-৮-এর শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মোহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার আগে, সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাক্ষাৎ করেন এই দুই নেতা।

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল অসিম মালিকের ঢাকা সফরের খবরটি ভুয়া বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্ট নামের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এমনটি জানানো হয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আইএসআই প্রধান বাংলাদেশ সফর করেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে, তা সত্য নয়।
এর আগে বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে অসিম মালিকের ঢাকা সফরের খবর প্রচার করা হয়। কথিত নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মালিকের বাংলাদেশ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্যবিনিময়ের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা। তবে নয়াদিল্লি অভিযোগ করেছে, এই সফরের ফলে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বাড়তে পারে, যা ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
জেনারেল মালিক গত মঙ্গলবার দুবাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে শীতল হলেও, সম্প্রতি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা উন্নত হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, উভয় দেশে ক্রমবর্ধমান ভারতবিরোধী মনোভাব এই সম্পর্কোন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে।
এর আগে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) ও সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান ইসলামাবাদ সফর করেন। সফরকালে তিনি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ অসিম মুনির এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয় বলে পাকিস্তানের আইএসপিআর জানায়।
সেই বৈঠকে দুই জেনারেল একটি ‘শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সম্পর্ক’ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তাঁরা বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে অংশীদারত্বকে বাইরের প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি। তবে বিবৃতিতে ভারতের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ গত ডিসেম্বরে মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট ডি-৮-এর শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মোহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার আগে, সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাক্ষাৎ করেন এই দুই নেতা।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশ অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ ও ২ আসনের নতুন তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতেই ভোট হবে। তবে অন্যান্য বিষয়ের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
২২ মিনিট আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির ভাই ওমর বিন হাদিকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৩ ঘণ্টা আগে
আদিলুর রহমান খান বলেন, এত দিন যে অন্যায় হয়েছে, সেই অন্যায় আর হতে দেওয়া হবে না। গণ-অভ্যুত্থানের সরকারের উদ্যোগে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই সনদের বিষয়ে সবার সম্মতি নিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘যাঁরা বাংলাদেশকে বদলাতে চান, বাংলাদেশকে সমৃদ্ধিশালী করতে চান...
৪ ঘণ্টা আগে
গণভোট নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘যাঁরা গণভোট নিয়ে সমালোচনা করছেন, তাঁদের জানার পরিধি কম। কারণ, পৃথিবীর যে সমস্ত দেশে গণভোট হয়েছে, সেখানে সরকার গণভোটে হ্যাঁ অথবা না-এর পক্ষ নিয়ে থাকে। যেহেতু এই সরকার সংস্কারের পক্ষে, তাই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে কথা বলছে।
৪ ঘণ্টা আগে