নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কমিটি গঠন করে জেলা পর্যায়ে উন্নয়ন প্রকল্প তদারকিতে জেলা প্রশাসকদের প্রস্তাবে সায় দেয়নি সরকার। কমিটি না করে আইন অনুযায়ী প্রকল্পগুলোতে প্রয়োজনীয় তদারকি করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিন আজ মঙ্গলবার অর্থ, পরিকল্পনা এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসকেরা চেয়েছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়নে যেন জেলা পর্যায়ে কমিটি করা হয়। আমরা বলেছি, কমিটি করার প্রয়োজন নেই। নিজের এলাকার ভেতরে কাজ দেখার অধিকার ডিসিদের আছে। আমরা আপনাদের সঙ্গে ঘন ঘন যোগাযোগ করি, চিঠি দিই। সে অনুযায়ী আপনারা কাজ করবেন। আর কিছু প্রয়োজন হলে আমরা তো আছি।’
নিজেও ডিসি ছিলেন জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘যথেষ্ট দায়িত্ব, ক্ষমতা ডিসিদের হাতে আছে। এটাকে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। সে জন্য ব্রিটিশ ধারণার যে ইনস্পেকশন, সেটার প্রয়োজন নেই। তাঁরা দেখতে যাবেন, ওভারসি করবেন, সেটা আরও বেশি করে করার জন্য ডিসিসাবদের অনুরোধ করেছি।’
বিদ্যমান আইনেই ডিসিদের উন্নয়ন প্রকল্প দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া আছে উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এটা তো অলরেডি বিধান আছে, আমি এটা বলে দিয়েছি। তাঁদের এলাকায় যেসব প্রকল্প আছে জেলা প্রশাসকেরা সেগুলো দেখতে পারেন। দেখা মানে কিন্তু ইনস্পেকশন নয়, ইনস্পেকশন শব্দটা ভয়ংকর! পরিদর্শন অর্থে বলেছি। যাওয়া-আসা, খোঁজখবর নেওয়া। সেটাকে আমরা আন্ডারলাইন করেছি।’
সরকারি প্রকল্পে ‘বিদেশি ঋণ’ বোঝাতে ‘সহায়তা’ শব্দ ব্যবহারে ডিসিদের সচেতন করা হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘সহায়তা শব্দটা যেন সাবধানে ব্যবহার করা হয় সেদিকে আমি জোর দিয়েছি। কারণ এটা শুনলে মনে হয় খয়রাতি। আসলে সহায়তা সেই অর্থে আর নেই। উন্নয়ন বাজেট সম্পর্কে বলতে পারি, আমরা ঋণ হিসেবে বড় একটা অংশ নিই। সহায়তা মাঝে মাঝে আসে, সেটা ১/২ শতাংশও হবে না। বড় বড় সংস্থা নিজেদের প্রয়োজনেই এগিয়ে আসে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণে ডিসিদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেক দেরি হয়, তার বড় একটা কারণ ভূমি অধিগ্রহণ। কিছু আইনগত ব্যাপারও আছে। এটাকে আরও দ্রুত করার জন্য তাদের সহায়তা চেয়েছি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী বিভাগীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ বা আইএমইডির কার্যালয় চালুর সরকারি উদ্যোগের বিষয়ে ডিসিদের জানানো হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে আমরা আইএমইডির অফিস করব। সেটাকে বাস্তবায়নের জন্য আমরা বিভাগীয় প্রধানের সহায়তা চেয়েছি। আইএমইডিকে ছড়িয়ে দেওয়ার প্ল্যান আছে।’

কমিটি গঠন করে জেলা পর্যায়ে উন্নয়ন প্রকল্প তদারকিতে জেলা প্রশাসকদের প্রস্তাবে সায় দেয়নি সরকার। কমিটি না করে আইন অনুযায়ী প্রকল্পগুলোতে প্রয়োজনীয় তদারকি করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিন আজ মঙ্গলবার অর্থ, পরিকল্পনা এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসকেরা চেয়েছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়নে যেন জেলা পর্যায়ে কমিটি করা হয়। আমরা বলেছি, কমিটি করার প্রয়োজন নেই। নিজের এলাকার ভেতরে কাজ দেখার অধিকার ডিসিদের আছে। আমরা আপনাদের সঙ্গে ঘন ঘন যোগাযোগ করি, চিঠি দিই। সে অনুযায়ী আপনারা কাজ করবেন। আর কিছু প্রয়োজন হলে আমরা তো আছি।’
নিজেও ডিসি ছিলেন জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘যথেষ্ট দায়িত্ব, ক্ষমতা ডিসিদের হাতে আছে। এটাকে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। সে জন্য ব্রিটিশ ধারণার যে ইনস্পেকশন, সেটার প্রয়োজন নেই। তাঁরা দেখতে যাবেন, ওভারসি করবেন, সেটা আরও বেশি করে করার জন্য ডিসিসাবদের অনুরোধ করেছি।’
বিদ্যমান আইনেই ডিসিদের উন্নয়ন প্রকল্প দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া আছে উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এটা তো অলরেডি বিধান আছে, আমি এটা বলে দিয়েছি। তাঁদের এলাকায় যেসব প্রকল্প আছে জেলা প্রশাসকেরা সেগুলো দেখতে পারেন। দেখা মানে কিন্তু ইনস্পেকশন নয়, ইনস্পেকশন শব্দটা ভয়ংকর! পরিদর্শন অর্থে বলেছি। যাওয়া-আসা, খোঁজখবর নেওয়া। সেটাকে আমরা আন্ডারলাইন করেছি।’
সরকারি প্রকল্পে ‘বিদেশি ঋণ’ বোঝাতে ‘সহায়তা’ শব্দ ব্যবহারে ডিসিদের সচেতন করা হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘সহায়তা শব্দটা যেন সাবধানে ব্যবহার করা হয় সেদিকে আমি জোর দিয়েছি। কারণ এটা শুনলে মনে হয় খয়রাতি। আসলে সহায়তা সেই অর্থে আর নেই। উন্নয়ন বাজেট সম্পর্কে বলতে পারি, আমরা ঋণ হিসেবে বড় একটা অংশ নিই। সহায়তা মাঝে মাঝে আসে, সেটা ১/২ শতাংশও হবে না। বড় বড় সংস্থা নিজেদের প্রয়োজনেই এগিয়ে আসে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণে ডিসিদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেক দেরি হয়, তার বড় একটা কারণ ভূমি অধিগ্রহণ। কিছু আইনগত ব্যাপারও আছে। এটাকে আরও দ্রুত করার জন্য তাদের সহায়তা চেয়েছি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী বিভাগীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ বা আইএমইডির কার্যালয় চালুর সরকারি উদ্যোগের বিষয়ে ডিসিদের জানানো হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে আমরা আইএমইডির অফিস করব। সেটাকে বাস্তবায়নের জন্য আমরা বিভাগীয় প্রধানের সহায়তা চেয়েছি। আইএমইডিকে ছড়িয়ে দেওয়ার প্ল্যান আছে।’

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
৪০ মিনিট আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
২ ঘণ্টা আগে
নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
৪ ঘণ্টা আগে