ছাত্রজীবনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মী থাকায় বিসিএস ২৪ ব্যাচের কর্মকর্তা নাফিসা আরেফিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করেছিল সরকার। ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি তাঁকে নীলফামারীর ডিসি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিয়ে ওই সময় একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়।
এর এক সপ্তাহ পর ১৩ জানুয়ারি ডিসি হিসেবে পদায়ন বাতিল করে তাঁর স্থলে তারঁই ব্যাচমেট তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের একান্ত সচিব (পিএস) খন্দকার ইয়াসির আরেফীনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
এ ঘটনার আড়াই বছর পর আবারও ডিসি পদে নিয়োগ পেলেন প্রশাসনের দক্ষ কর্মকর্তা নাফিসা আরেফিন। আজ সোমবার ২৫ জেলার ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এবার তাঁকে ঢাকার পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ জেলা গাজীপুরের ডিসি করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নাফিসা আরেফিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় শামসুন্নাহার হল ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নাফিসা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের উপসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ডিসিদের জন্য আয়োজিত ব্রিফিংয়েও তাঁকে ডাকা হয়নি।
একপর্যায়ে তাঁর নিয়োগ আদেশ বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। পরে তাঁকে কৃষি মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। সেই থেকে তিনি সেখানেই দায়িত্ব রয়েছেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে