নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য ও ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। এবার কুয়েত, কাতার ও মালয়েশিয়ায়ও এই কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (নিবন্ধন ও প্রবাসী) মো. আব্দুল মমিন সরকার আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আব্দুল মমিন বলেন, কুয়েত, কাতার ও মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআইডি দেওয়া কার্যক্রম শুরু করার জন্য ২০ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত একটি কারিগরি দল অবস্থান করবেন। এ ছাড়া ২৯ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল এই কার্যক্রম দেখার জন্য যাবে ইসির একটি প্রশাসনিক দল।
জানা যায়, এই কার্যক্রম চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সৌদি আরবে গত বুধবার পর্যন্ত ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন ৭১৭ জন। এদের মধ্যে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে ৫৪ জনের। যুক্তরাজ্যে আবেদন করেছেন ২ হাজার ৭২১ জন। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে ১ হাজার ২৪৭ জনের। ইতালিতে আবেদন করেছেন ২ হাজার ৯৭০ জন। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে ১ হাজার ৫৮৫ জনের। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবেদন করেছেন ১২ হাজার ১৩১ জন। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করেছেন ৯ হাজার ২৩০ জন।
এর আগে ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন কমিশন মালয়েশিয়ায় অনলাইন নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু এরপর করোনা মহামারির কারণে সেই উদ্যোগ খুব বেশি দূর আগাতে পারেনি। পরে বর্তমান কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন এ কাজে গতি আনে।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে চান। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এনআইডি না থাকায় অনেকে হুন্ডির মাধ্যমে দেশে অবৈধ উপায়ে অর্থ পাঠাতেন। এখন এনআইডি পেলে হুন্ডির পথ রোধ হবে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসবে। এতে দেশের রিজার্ভ বাড়াতেও ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এ সেবা মোবাইল ব্যাংকিংসহ নাগরিকদের নানা ধরনের কাজেও লাগবে বলে মনে করেন ইসি কর্মকর্তারা।

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য ও ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। এবার কুয়েত, কাতার ও মালয়েশিয়ায়ও এই কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (নিবন্ধন ও প্রবাসী) মো. আব্দুল মমিন সরকার আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আব্দুল মমিন বলেন, কুয়েত, কাতার ও মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআইডি দেওয়া কার্যক্রম শুরু করার জন্য ২০ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত একটি কারিগরি দল অবস্থান করবেন। এ ছাড়া ২৯ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল এই কার্যক্রম দেখার জন্য যাবে ইসির একটি প্রশাসনিক দল।
জানা যায়, এই কার্যক্রম চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সৌদি আরবে গত বুধবার পর্যন্ত ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন ৭১৭ জন। এদের মধ্যে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে ৫৪ জনের। যুক্তরাজ্যে আবেদন করেছেন ২ হাজার ৭২১ জন। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে ১ হাজার ২৪৭ জনের। ইতালিতে আবেদন করেছেন ২ হাজার ৯৭০ জন। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে ১ হাজার ৫৮৫ জনের। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবেদন করেছেন ১২ হাজার ১৩১ জন। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করেছেন ৯ হাজার ২৩০ জন।
এর আগে ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন কমিশন মালয়েশিয়ায় অনলাইন নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু এরপর করোনা মহামারির কারণে সেই উদ্যোগ খুব বেশি দূর আগাতে পারেনি। পরে বর্তমান কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন এ কাজে গতি আনে।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে চান। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এনআইডি না থাকায় অনেকে হুন্ডির মাধ্যমে দেশে অবৈধ উপায়ে অর্থ পাঠাতেন। এখন এনআইডি পেলে হুন্ডির পথ রোধ হবে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসবে। এতে দেশের রিজার্ভ বাড়াতেও ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এ সেবা মোবাইল ব্যাংকিংসহ নাগরিকদের নানা ধরনের কাজেও লাগবে বলে মনে করেন ইসি কর্মকর্তারা।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৩ মিনিট আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৩ ঘণ্টা আগে